• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    জনতা ব্যাংকে নিয়োগ

    পরীক্ষা শুরুর ১৫ ঘণ্টা আগেই প্রশ্নপত্রটি ছড়িয়েছে

    অনলাইন ডেস্ক | ২৫ এপ্রিল ২০১৭ | ৮:২২ পূর্বাহ্ণ

    পরীক্ষা শুরুর ১৫ ঘণ্টা আগেই প্রশ্নপত্রটি ছড়িয়েছে

    প্রতীকি ছবি

    রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগের প্রশ্নপত্র পরীক্ষার আগের দিন রাতেই ফাঁস হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন পরীক্ষার্থী । সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম মেসেঞ্জারে সেই প্রশ্নপত্র অনেকেই পেয়েছে বলে তাঁদের দাবি। এসব পরীক্ষার্থী এ নিয়ে আন্দোলনও করছেন। সোমবার তাঁরা মানববন্ধন করেছেন। মঙ্গলবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ‘প্রমাণ উপস্থাপন করে’ সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানিয়েছেন।


    অবশ্য শুক্রবার বিকেলে পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি—এই যুক্তি তুলে ধরেছেন নিয়োগ পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ। এ কারণে এই পরীক্ষা বাতিল করা হবে না বলে জানিয়েছেন অনুষদের ডিন ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। অবশ্য তিনি প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগও নাকচ করে দিয়েছেন।

    ajkerograbani.com

    পরীক্ষা শুরুর আগের দিন বৃহস্পতিবার রাতেই মেসেঞ্জারে প্রশ্নপত্র পেয়েছেন দাবি করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা তাঁর এক বন্ধু হাতে লেখা একটি ইংরেজির অনুবাদ মেসেঞ্জারে দিয়ে বলে তাঁর কাছে জনতা ব্যাংকের প্রশ্নপত্র আছে। এটি ৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর। এক লাখ টাকা দিলে পুরো প্রশ্নপত্র উত্তরসহ তাকে দেবে। আর অন্য কেউ প্রশ্ন নেবে কী না সেটাও খোঁজ করতে বলে। কিন্তু তাঁর কাছে এত টাকা না থাকায় তিনি গুরুত্ব দেননি। কিন্তু পরদিন পরীক্ষার হলে গিয়ে দেখেন হুবহু ওই অনুবাদটি এসেছে।

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছেলেটির কাছে হাতেলেখা যে অনুবাদটি পাওয়া গেছে তাতে সময় লেখা বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত অর্থাৎ শুক্রবার রাত ১২ টা ২২। অর্থাৎ পরীক্ষা শুরুর ১৫ ঘণ্টা আগে এই প্রশ্নপত্রটি ছড়িয়েছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে থাকা এক ছাত্রী জানান, তাঁকে মেসেঞ্জারে তাঁর এক বন্ধু চারটি অঙ্কের একটি স্ক্রিনশট পাঠায়। পরীক্ষার হলে গিয়ে দেখেছেন চারটি অঙ্কই এসেছে। পরীক্ষার পর তিনি ওই বন্ধুর কাছে জিজ্ঞেস করেছিলেন কোথা থেকে এই প্রশ্নপত্র পেয়েছেন। তাঁর বন্ধু জানিয়েছে আরেকজনের কাছ থেকে।

    মেয়েটির কাছ থেকে পাওয়া প্রশ্নপত্রের সময় দেখা গেছে শুক্রবার দুপুর ১ টা ১৫। তবে এটি হাতে লেখা নয় ছাপা প্রশ্নপত্র ছিল। প্রশ্ন ফাঁসের এমন অভিযোগ করেছেন আরও বহু পরীক্ষার্থী।

    আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রকিবুল হাসান বলেন, ‘সেদিন পরীক্ষার হলে অনেকেই উত্তর লিখে নিয়ে এসেছিলেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস না হলে কারও পক্ষে জানা সম্ভব নয় ঠিক কোন চারটি অঙ্ক এসেছে। আর আমাদের কাছে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণও আছে। আমরা সেসব নিয়ে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির কাছে গিয়েছি। তারা আমাদের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের কাছে যেতে বলেছেন। কিন্তু গত তিন দিনেও তিনি আমাদের সময় দিচ্ছেন না।’

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ‘পরীক্ষার আগে আমাদের কাছে কেউ জানায়নি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এসএসসি এইচএসসি অনেক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে ভাইরাল হয়ে যায় কিন্তু পরীক্ষা তো বাতিল হয় না। পরীক্ষার আগে কেউ যেহেতু জানায়নি কাজেই এখন আমরা বিষয়টা আমলে নেব না। আর তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে অনেক কিছু বানানো যায়।’

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757