• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    পাকিস্তানের বহু ক্রিকেটারের হাতেখড়ি রাস্তায়

    | ০৫ মে ২০২১ | ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ

    পাকিস্তানের বহু ক্রিকেটারের হাতেখড়ি রাস্তায়

    রাত নেমে এলেও সদা জাগ্রত পাকিস্তানের করাচি শহর। রমজান মাসে সেহরির আগ পর্যন্ত চলে গলির ক্রিকেট। শহরের তরুণরা নিজেদের মধ্যে টুর্নামেন্ট আয়োজন করে ক্রিকেট নিয়ে রীতিমত উৎসবে মাতে। করোনায় যা সেখানকার তরুণদের বিনোদনের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।


    এখানে রাত ফুরায় না। বরং উদ্দামতা শুরু হয় নতুন করে। টেপ টেনিস বল নিয়ে চলে গতির ঝড়। গলির ক্রিকেট নিয়ে শুরু হয় উৎসব। করাচি শহর যেন ঘুমায় না।

    ajkerograbani.com

    পাকিস্তানের করাচিতে রমজান মাস আলাদাভাবে প্রিয় তরুণ ও কিশোরদের মাঝে। এশার নামাজের পর থেকে যে যেখানে থাকুক, আর কোনো কাজ নেই। সেহরির আগ পর্যন্ত শহরের অলিতে গলিতে চলে ক্রিকেট।

    বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশী নিজেরাই দল গঠন করে চলে লাগাতার ম্যাচ। এক পাড়ার সাথে আরেক পাড়ার ক্রিকেট টুর্নামেন্টও হয়। করোনায় ঘরবন্দী জীবনে এক টুকরা বিনোদনের খোরাক এই ক্রিকেটই যে তাদের প্রাণ।

    তারা বলেন, প্যানডেমিকের এই সময়টায় আমাদের কিছুই করার নেই। তাই সবাই ভাবলাম বাসায় বসে না থেকে কী করা যায়। তাই আমরা রাতে ক্রিকেট খেলার সিদ্ধান্ত নিলাম। করাচিতে মাঠের সংখ্যা খুব কম। তাই রাতে রাস্তায় শর্টপিচ ক্রিকেট খেলি। এটা আমাদের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ বাড়াচ্ছে।

    অনেকে বলেন, ক্রিকেট খেলা আমাদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখে। শরীরের অবসাদও দূর করে। এটা একটা ভালো অভ্যাসও। ক্রিকেট খেলাটা এই করোনায় আমাদের বিনোদনের প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে।

    সোডিয়াম বাতির নিচে ক্রিকেট খেলতে তাদের সমস্যা হয় না এতটুকু। কখনো হয়তো ব্যাটে লেগে আসা একটি বল সজোরে জানালার গ্লাস ভাঙ্গে। সবাই তখন দেয় ভোঁ-দৌড়। এ যেন চিরাচরিত এক ঐতিহ্য দেশে দেশে।

    সম্প্রতি পাকিস্তানের স্ট্রিট ক্রিকেট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে বেশ। গলির ক্রিকেট থেকেই যে উঠে এসেছে পাকিস্তানের অনেক কিংবদন্তি খেলোয়াড়। সাবেকরাও এটির প্রশংসা করেছেন।

    দেশটির সাবেক ক্রিকেটার সিকান্দার বখত বলেন, পাকিস্তানে যারা ক্রিকেটার হয়েছেন, তাদের অনেকেরই হাতেখড়ি হয়েছে রাস্তার ক্রিকেটে। কারণ তৃণমূলের ক্রিকেটাররা এত সুযোগ পায় না। এত মাঠও নেই আমাদের দেশে। আর স্ট্রিট ক্রিকেটে ব্যাট আর বল ছাড়া কিছু লাগে না। এভাবে খেলতে খেলতে তাদের মাঝে ক্রিকেটের জন্যে ভালোবাসা জন্মে। বেরিয়ে আসে নতুন ক্রিকেটার। আমি নিজেও গলির ক্রিকেট থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট খেলেছি। গলির ক্রিকেট পাকিস্তানের জন্য গর্ব।

    সিয়াম সাধনার মাসে রাতে গলির এই ক্রিকেট সময়ের সাথে পাকিস্তানের সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757