• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    প্রধানমন্ত্রীকে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে বললো বিএনপি

    অনলাইন ডেস্ক | ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ

    প্রধানমন্ত্রীকে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে বললো বিএনপি

    রোহিঙ্গা ইস্যুকে জাতীয় সংকট আখ্যায়িত করে তা নিরসনে সরকারের প্রতি কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার ও জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির পরামর্র্শ দিয়েছে বিএনপি। কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক টিম পাঠানোর তাগিদ দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকেই কূটনৈতিক যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে সরকারের তরফেও উচ্চারিত হয়েছে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা। বিএনপির তরফে যেমন ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের তাগিদ দেয়া হয়েছে তেমনি আওয়ামী লীগ প্রত্যাশা করছে প্রতিবেশী দেশটি এ ইস্যুতে পাশে থাকবে।


    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একটি অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে সে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সারা দুনিয়া আজ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। ভারতও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ভারতের এই উদ্বেগ ও আমাদের পাশে থাকা, আমাদের জন্য এই মুহূর্তে খুবই প্রয়োজন। ’৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পাশে ছিল ভারত। আমরা আশা করছি, এই মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলার দুঃসময়েও ভারতকে পাশে পাব।

    ajkerograbani.com

    এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুকে জাতীয় সংকট আখ্যায়িত করে এজন্য জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব। রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে রাজনৈতিক নয় জাতীয় সংকটের দৃষ্টিতেই দেখছে বিএনপি। অন্যদিকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকারকে সহযোগিতা করতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের এক সভা শেষে তিনি বলেন, যে কোনো বিষয়কে ইস্যু করা উচিত না। এটি একটি মানবিক ইস্যু। এখানে কোনো রকম ইস্যু তৈরি না করে; ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা না করে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসুন। অন্য সময়ে যা-ই করে থাকুন না কেন, এই ইস্যুতে সরকারকে সহায়তা করুন। সমালোচনা করার সময় এখন নয়, এখন সরকারকে সহায়তা করার সময়।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের বিবদমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মৌলিক বিষয়গুলোতে দুই দলের মধ্যে ঐক্যের সুর পরিলক্ষিত হচ্ছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা মনে করি সবার আগে এবং দ্রুততার সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো প্রয়োজন। বারবার বলা হচ্ছে, মিয়ানমার সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে ভারত ও চীন সরকার। সেজন্য আমরা ভারত ও চীনে কূটনীতিকদের পাঠাতে বলেছি। তাদের কাছে গিয়ে বোঝাতে হবে, এটা আমাদের ভয়াবহ পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে সফরে যেতে পারেন। যদি টিম করে এ তৎপরতা চালানো যায়, এটা অত্যন্ত কাজে লাগবে। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, আপনি নিজেই প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি কোনোভাবেই জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এটা সম্পূর্ণভাবে একটি জাতীয় সংকট। বিষয়টিকে দ্রুততার সঙ্গে সমাধান করা দরকার। আমরা এ ইস্যুতে সরকারকে সৎ পরামর্শ দিচ্ছি। সরকারকে বলছি, কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে হবে এবং কূটনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করতে হবে মিয়ানমার সরকারের ওপরে। তারা যেন এ গণহত্যা বন্ধ করে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আলাদা দুইটি অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত পাশে থাকবে, আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করুন
    জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারকে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমরা একটা কঠিন সময় অতিক্রম করছি। একটি আগ্রাসী শক্তি আমাদের দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত করেছে। মিয়ানমার তার নাগরিকদেরকে বিতাড়িত করে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করছে। বারবার বলা হচ্ছে, মিয়ানমার সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে ভারত ও চীন সরকার। তাই তাদের কাছে গিয়ে বোঝাতে হবে, এটা আমাদের ভয়াবহ পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া ঠিক হবে না। কূটনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে। এই জন্য সরকারকে দ্রুততার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর জন্য কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। রোহিঙ্গা উচ্ছেদ প্রক্রিয়া বন্ধ ও তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে নাগরিকত্ব প্রদানে মিয়ানমার সরকারকে অবশ্যই বাধ্য করতে হবে।

    মির্জা আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তারা ভয় পাচ্ছে। তারা বলে যাচ্ছে- রোহিঙ্গাদের সঙ্গে অস্ত্র ও জঙ্গি আসছে। যা আমাদেরকেও উৎকণ্ঠিত এবং আতঙ্কিত করছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে প্রথমে সরকারের অবস্থান ছিল নিশ্চুপ। এ সরকার কাদের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত জানি না। কিন্তু ব্যবস্থাগুলো আগেই নেয়া উচিত ছিল, সেটা সরকার নিতে পারেনি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় এতো মানুষ ঢুকে পড়েছে। এই রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের সমস্ত মানুষকে উৎকণ্ঠিত ও আতঙ্কিত করে তুলেছে।

    মির্জা আলমগীর সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা দেখেছেন- মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের কী ভয়াবহ চিত্র, কী মর্মান্তিক, কী পাশবিক। ছোট ছোট শিশুরা-মায়েরা নদী পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে। তাদের কোনো কাপড়-চোপড় নেই। খাওয়া, মাথা গোঁজা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা নেই। আরাকানে মিয়ানমার সরকার পোড়ামাটিনীতি অনুসরণ করছে। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়ে রোহিঙ্গাদের নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭৮ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করার পরিস্থিতিতে ওই দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমান সেই সময়ে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তিনি চতুর্দিকে সেই কূটনৈতিক কৌশলে চাপ সৃষ্টি করে মিয়ানমার সরকারকে বাধ্য করেছিলেন। ১৯৭৮ সালে দুই দেশের মধ্যে রিপ্রেটট্রিয়েট এগ্রিমেন্ট হয়েছিল। সেই চুক্তিপত্রে পরিষ্কার বলা আছে, যেসব বার্মিজ নাগরিক এদেশে এসেছে, তাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ভবিষ্যতেও যদি কোনো দিন কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয়, তাহলে এই এগ্রিমেন্টের ওপর ভিত্তি করে তাদেরকে আবার ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ওই চুক্তির ভিত্তিতে ওই সময়ে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।

    ফখরুল বলেন, সরকার এসব কিছুই করছে না। তারা উল্টো ভয় পাচ্ছে যে, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে নাকি জঙ্গিরা চলে আসছে, অস্ত্র আসছে। আমি বলবো, মূল বিষয়টাতে আসুন। মিয়ানমার সরকারকে বাধ্য করুন যেন তারা হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

    আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের মতো আর কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। যে সরকার নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনও নিরপেক্ষ হতে হবে। কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যও মহিলা দলের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব। সেসঙ্গে সারা দেশে সংগঠনকে শক্তিশালী করার তাগিদ দেন তিনি। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবি আবদুল হাই শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক নূরে আরা সাফা, মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, ঢাকা জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক সাবিনা ইয়াসমিন, সাবেক এমপি রওশন আরা ফরিদ, নারায়ণগঞ্জের রহিমা শরীফ মায়া ও চট্টগ্রামের জেলী চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

    গোটা জাতির ঐক্য চাই
    এদিকে সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা অবশ্যই এই ব্যাপারে গোটা বাংলাদেশের ঐক্য চাই। আমরা চাই এ বিষয়ে পুরো দেশ এক হোক। আজকে এটা আমাদের জন্য জাতীয় সমস্যা। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা লক্ষ লক্ষ শরণার্থীকে রাখা আমাদের জন্য কঠিন। আবার তাদেরকে তাড়িয়ে দেয়াও অমানবিক। আমরা দেখেছি তাদেরকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে, সেটা যেন আর না হয়। তাদেরকে আশ্রয় দিন, খাদ্য দিন, বস্ত্র দিন। সেই সঙ্গে তাদের দেশে তারা যেন অধিকার নিয়ে নাগরিক হিসেবে চলে যেতে পারে তার জন্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করুন।

    সরকারের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২৫শে আগস্ট থেকে এই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসা শুরু হয়েছে। মানবতার কী নির্মম অপমান করেছে মিয়ানমার সরকার। তারপরও আপনারা চুপ করে বসে আছেন, কথা বলেন না। আপনাদের হুঁশ হলো যখন বিশ্ব নড়াচড়া দিতে শুরু করল, তখন। তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি- প্রধানমন্ত্রী নাকি আগামী মঙ্গলবার রোহিঙ্গাদের দেখতে যাবেন। এতদিন পরে তিনি জাগ্রত হচ্ছেন। যদি আগেই এই জাগ্রত হতেন তবে তো পারতেন, তাহলে এই অবস্থা হতো না। আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া ২৫শে আগস্টের পরই লন্ডন থেকে বিবৃতিতে সতর্ক করার পাশাপাশি কূটনৈতিক ব্যবস্থার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তখন সরকার কিছু করেননি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন ষড়যন্ত্র আতঙ্কে ভুগছে। দেখবেন প্রত্যেকটা জিনিসের মধ্যে তারা ষড়যন্ত্র খুঁজে পায়। একটু কিছু বললেই তারা চক্রান্তের অভিযোগ করে।

    গত কয়েক সপ্তাহে দলের নেতা-কর্মী-ব্যবসায়ী-কল্যাণ পার্টির মহাসচিবসহ ৪ জনকে ‘গুম’ করা হয়েছে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এভাবে গুম করে, মিথ্যা মামলা দিয়ে তারা ক্ষমতায় টিকে আছে। কথায় কথায় গুলি, কথায় কথায় মিথ্যা মামলা। হত্যা-গুম-খুন-মিথ্যা মামলার ভয়কে জয় করে আমাদেরকে সামনের দিকে এগুতে হবে। ছাত্র দলকেই সে কাজটি করতে হবে। সারা দেশে ছাত্র দলকে আরো সংগঠিত হতে হবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সহ সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রদলকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আজিজুল বারী হেলাল ও সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুসহ ছাত্র দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    গৃহবধূ থেকে শিল্পপতি

    ২২ এপ্রিল ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755