সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৫ বিয়ে, চতুর্থ স্ত্রীর ‘রহস্যজনক মৃত্যু’

  |   বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ | প্রিন্ট  

প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৫ বিয়ে, চতুর্থ স্ত্রীর ‘রহস্যজনক মৃত্যু’

প্রেমের ফাঁদে ফেলে একে একে পাঁচ বিয়ে করেছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের রবিউল ইসলাম। এক এক করে রবিউলের তিন স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। আরেক স্ত্রী পালিয়ে গেছেন। সর্বশেষ রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন তার চতুর্থ স্ত্রী। এরপর থেকেই পলাতক রয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার শিলাইদহ এলাকা থেকে চতুর্থ স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আগের দিন গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কুমারখালীতে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় রবিউলের চতুর্থ স্ত্রী মৌসুমীর। মৌসুমী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড়কালোয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের পালিত মেয়ে। তার স্বামী রবিউল আলম শিলাইদহ ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের মৃত শাজাহানের ছেলে। রবিউল-মৌসুমী দম্পতির চার মাসের একটি সন্তান রয়েছে।
মৌসুমীর পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। মৌসুমীর পালক বাবা শহিদুল ইসলাম জানান, মৌসুমী তার ভাগ্নি। ছোটকাল থেকে তিনি মৌসুমীকে লালন-পালন করে বড় করেন। দুই বছর আগে মৌসুমী অনার্সে পড়াকালে রবিউল আলমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং পালিয়ে এসে রবিউলকে বিয়ে করেন।
শহিদুল বলেন, ‘এর আগে আরও তিনটি স্ত্রী ছিল রবিউলের। তাদের মধ্যে কল্যাণপুরের সাকেরের মেয়ে জ্যোৎস্নাকে বিয়ে করার পর নির্যাতন করার কারণে একটি ছেলে সন্তান রেখে আত্মহত্যা করে। তার পর দয়ারামপুর গ্রামের সাজাইয়ের মেয়ে মনিরাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করার পর মনিরা সন্তানসম্ভবা অবস্থায় আত্মহত্যা করে এবং মৌসুমী চার মাসের ছেলেসন্তান থাকাকালীন রবিউল আরেকটি মেয়েকে প্রেমে জড়িয়ে বিয়ে করে কুমারখালী শহরে বাসা ভাড়া করে থাকে।’
তিনি দাবি করেন, তার ভাগ্নিকে দিয়ে জোরপূর্বক সুইসাইড নোট লিখিয়ে রবিউল তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে রবিউল আলমের বড় ভাই পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রানা জানান, তার ভাইয়ের এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজে তারা অতিষ্ঠ। তবে একাধিক বিয়ের বিষয়ে তার ভাই যতটুকু দায়ী মেয়েপক্ষও কোনো অংশে কম দায়ী নয়। মৌসুমীকে বিয়ে না করার জন্য দুই বছর আগে অনেক বুঝিয়েছিলেন। কিন্তু সে সময় মৌসুমী তার কথা শুনেনি বলে দাবি করেন।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, চার মাসের সন্তান রেখে মৌসুমী নামে এক গৃহবধূ মারা গেছেন। এটি হত্যা না আত্মহত্যা, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসার পর তা জানা যাবে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।

Facebook Comments Box


Posted ৯:৪৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০