• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    পয়লা বৈশাখে বের হওয়ার আগের প্রস্তুতি

    অনলাইন ডেস্ক | ১৩ এপ্রিল ২০১৭ | ৬:৫০ অপরাহ্ণ

    পয়লা বৈশাখে বের হওয়ার আগের প্রস্তুতি

    পয়লা বৈশাখে বের হওয়ার মূল প্রস্তুতিটা গরম ও রোদকে ঘিরেই নেওয়া দরকার। গরম হলেও ঘোরাঘুরি তো আর থেমে থাকবে না। শরীর যেন পানিশূন্য না হয়ে যায়, সে জন্য বেশি করে পানীয় খেতে হবে। একটানা না হেঁটে মাঝেমধ্যে একটু বসে নিতে হবে। তাহলে বেশি ক্লান্ত হবেন না।


    এ প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার বলেন, পয়লা বৈশাখে গরমের কারণে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা হয় তা হলো পানিস্বল্পতা। বাইরের খাবার দিয়েই ভূরিভোজ করতে হয়। তবে খাবার যেন বেশি তেল-মসলাযুক্ত, ভাজা-পোড়াযুক্ত না হয়। এমনকি পনির, ঘি, বাটার দেওয়া খাবারও এড়িয়ে যাওয়া ভালো। কারণ, এসব খাবার হজমে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। পানি পান বিষয়টি শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম বের হয়ে যাওয়ার ওপর নির্ভর করে। সাধারণত এই গরমে পানি খাওয়া বাড়াতে হবে সবার জন্য। সাধারণত দিনে সাত-আট গ্লাস পানি খাওয়ার কথা থাকলেও এ সময় ১০-১২ গ্লাস বা প্রয়োজনে বেশি পানি খেতে হবে। বাচ্চাদের জন্য বিশেষ করে সাত-আট বছরের বাচ্চাদের জন্য পাঁচ-ছয় গ্লাস পানি খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
    এই গরমে ঘামে শরীর থেকে প্রচুর লবণ-পানি বের হয়ে যায় বলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। সাধারণত এর ফলে শরীরের রক্তচাপ কমে যায়, দুর্বল লাগে, মাথা ঝিমঝিম করে। পানিস্বল্পতা গরমের খুবই সাধারণ সমস্যা হলেও অবহেলা করলে তা মারাত্মক হয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোকও হতে পারে। এ বিপদ থেকে মুক্ত থাকতে প্রচুর পানি খেতে হবে। তবে এই পানি যেন বিশুদ্ধ হয়। তা না হলে এই পানি থেকে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
    যেহেতু ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ দুই-ই বের হয়ে যায়, সেহেতু লবণযুক্ত পানীয়, যেমন খাবার স্যালাইন বা ডাবের পানি বেশি করে পান করা যেতে পারে। নানা রকম ফল, যেমন আম, তরমুজ ইত্যাদি এবং লেবুর শরবত শরীরের প্রয়োজনীয় পানি ও লবণের ঘাটতি মেটাবে। ভাজা-পোড়া, বেশি তেল, মসলাজাতীয় খাবার একদমই এড়িয়ে যেতে হবে। সাধারণ খাবার, যেমন ভাত, সবজি, মাছ ইত্যাদি খাওয়াই ভালো। খাবার যেন টাটকা হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত।


    বাচ্চাদের যতটা সম্ভব কড়া রোদ থেকে নিরাপদে রাখতে হবে। বাড়ি থেকে ছোট বোতলে পানি নিতে হবে। শিশুদের অল্প ঘামেই পানিস্বল্পতা হতে পারে। তাই একটু পরপর পানি খাওয়াতে হবে। ডাবের পানিও খাওয়াতে পারেন। ছয় মাস বয়সের আগ পর্যন্ত নবজাতককে মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। নবজাতককে রোদের মধ্যে বেশিক্ষণ না নেওয়া ভালো।

    সারা দিন রোদে ঘুরে বাসায় এসেই ঠান্ডা পানি খাবেন না। কিছুক্ষণ বসে থাকার পর খাবেন, তাহলে সর্দি বা ঠান্ডা লাগার ভয় থাকবে না।
    বাইরে থেকে এসে বিভিন্ন ফলের জুস বা লেবুর শরবত খেতে পারেন। এতে শরীর থেকে ঘামের সঙ্গে বের হয়ে যাওয়া পানির ঘাটতি পূরণ হবে।
    সারা দিন ঘোরাফেরার ফলে শরীরে ব্যথা অনুভব হবে। তাই ফিরে গরম পানি দিয়ে গোসল করলে ব্যথা ও ক্লান্তি অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    চর্বি কমাবে যে খাবার

    ১৭ এপ্রিল ২০১৭

    অণ্ডকোষে ব্যথা

    ২৩ মার্চ ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4669