• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ফুলশয্যার রাতেই শ্বশুরবাড়িকে ফতুর করলো নববধূ!

    অগ্রবাণী ডেস্ক: | ১১ এপ্রিল ২০১৭ | ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ

    ফুলশয্যার রাতেই শ্বশুরবাড়িকে ফতুর করলো নববধূ!

    এ যেন বলিউড ফিল্ম ‘ডলি কি ডোলি’র বাস্তব রূপায়ণ। সোনম কপূর অভিনীত সেই ছবি ছিল এক লুটেরা পত্নীর কাহিনি। বিয়ের ফাঁদে ভুলিয়ে শ্বশুরবাড়ির সমস্ত ধনসম্পত্তি লুট করতেন ডলি-রূপী সোনম। এ বার ঠিক সেই কায়দায় শ্বশুরবাড়িকে নিঃস্ব করে দিলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের এক তরুণী।


    গাজিয়াবাদের বাসিন্দা ২৮ বছর বয়সি সতপাল শর্মার বাড়ির লোকজন অনেক দিন ধরেই সতপালের জন্য পাত্রী খুঁজছিলেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সতপালের জন্য উপযুক্ত মেয়ে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত পিলখুয়ার ‘মহারাজ’-এর কাছ থেকে একটি প্রস্তাব আসে সতপালদের কাছে। ‘মহারাজ’ জানান, তিনি তাঁর বোনের সঙ্গে বিয়ে দিতে চান সতপালের। মেয়েকে দেখতে গজরৌলায় যান সতপাল। ২৫ বছরের মেয়েটির রূপ তাঁর মন জয় করে নেয়। তিনি বিয়েতে সম্মত হয়ে যান। প্রথম সাক্ষাতের দু’দিনের মাথায় গত ৪ এপ্রিল বিয়ে হয়ে যায় দু’জনের। পাত্রপক্ষকে জানানো হয়, ওই এক দাদা ছাড়া আপনজন বলতে কেউ নেই পূজা নামের মেয়েটির। ছোটবেলাতেই বাবা-মা-কে হারিয়েছে সে। মেয়ের অনুরোধে গজরৌলা মন্দিরে এক অত্যন্ত সাধাসিধে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চার হাত এক হয় সতপাল আর পূজার। বিয়েতে পাত্রীপক্ষের তরফে এক মাত্র পূজার দাদা ছা়ড়া কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

    ajkerograbani.com

    বিয়ের পরে বউকে নিয়ে নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন সতপাল। প্রথম রাত্রে পারিবারিক রীতি মেনে সতপাল এবং পূজাকে আলাদা ঘরে শুতে দেওয়া হয়। পরের রাত্রে ছিল সতপাল-পূজার ফুলশয্যা। পূজা সে দিন রাত্রে নিজে হাতে সকলের জন্য রান্না করেন। বা়ড়ির বড়রা নববধূকে রান্নাঘরে যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু পূজা নিজেই জোর করে রান্না করতে যান। পূজার রান্না করা খাবার মুখে দিয়ে তেতো লাগে সতপালের পরিবারের লোকেদের। তাঁরা সামান্য একটু মুখে দিয়ে বাকি খাবার ফেলে দেন। সতপাল এবং তাঁর বাবা অবশ্য পুরো খাবারটাই খেয়েছিলেন।

    রাত্রে শোওয়ার সময় হলে পূজা বায়না ধরেন, সতপালের বৌদি রিঙ্কির সঙ্গে শোবেন। রিঙ্কি জোর দিয়ে বলেন, ফুলশয্যার রাত্রে স্ত্রীকে স্বামীর সঙ্গে থাকতেই হয়। না হলে ব্যাপারটা অশোভন লাগে। কিন্তু পূজা শোনেননি। তিনি জেদ ধরে রিঙ্কির সঙ্গে রাত্রে এক ঘরে শুয়ে পড়েন।

    মাঝরাত্রে ঘুম ভেঙে যায় রিঙ্কির। দেখেন, পূজা তাঁর বিছানায় নেই। এমনকী গোটা বাড়ি খুঁজেও তাঁর হদিশ পাওয়া যায়নি। সন্দেহবশত বাড়ির আলমারি আর সিন্দুক খুলে দেখতেই মালুম হয় যে, বাড়ির সমস্ত গয়নাগাটি এবং অন্যান্য দামি জিনিসপত্র নিয়ে সরে পড়েছেন পূজা।

    এখন মাথায় হাত পড়েছে শর্মা পরিবারের। তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, পরিকল্পিত ভাবেই প্রতারণার জালে ফেলা হয়েছে তাঁদের। তাঁদের সন্দেহ, রান্না করা খাবারে সে দিন মাদক মিশিয়ে দিয়েছিলেন পূজা। তাই চুরির সময়ে তাঁদের কারো ঘুম ভাঙেনি। পূজার ভাই সেই ‘মহারাজ’-এর মোবাইলে বার বার ফোন করেও দেখা যায়, ফোন সুইচড অফ।

    শর্মা পরিবার মু‌রাদ নগর পুলিশ স্টেশনে এই ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ স্টেশনের হাউজ অফিসার হরিদয়াল যাদব সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘পূজা’ এবং তার সহযোগীদের খোঁজ চলছে। [LS]

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    বিয়ে করাই তার নেশা!

    ২১ জুলাই ২০১৭

    কে এই নারী, তার বাবা কে?

    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757