• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    বন্দিবিনিময় চুক্তির খসড়া হস্তান্তর

    অনলাইন ডেস্ক | ১৯ আগস্ট ২০১৭ | ৫:২৪ অপরাহ্ণ

    বন্দিবিনিময় চুক্তির খসড়া হস্তান্তর

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার অন্যতম আসামি দক্ষিণ আফ্রিকায় পলাতক মাওলানা তাজউদ্দিনকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দেশটির সঙ্গে বন্দিবিনিময় চুক্তি করতে চায় বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া চুক্তির খসড়া বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সংযোজন-বিয়োজন শেষে চূড়ান্ত করে দেশটিকে হস্তান্তর করা হয়েছে।


    এখন দক্ষিণ আফ্রিকা সম্মত হলেই চুক্তি সই হবে। এ ছাড়া মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট চুক্তি নামের আরেকটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।

    ajkerograbani.com

    দক্ষিণ আফ্রিকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাব্বির আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের অনুরোধে দক্ষিণ আফ্রিকা কর্তৃপক্ষ বন্দিবিনিময় চুক্তির একটি খসড়া দিয়েছিল। এ খসড়া বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ঢাকায় পর্যালোচনা করে সংযোজন-বিয়োজনের পর তা চূড়ান্ত করার জন্য সম্প্রতি আবার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন দক্ষিণ আফ্রিকা এটি চূড়ান্ত করলে দু’দেশের মধ্যে বন্দিবিনিময় চুক্তি সই হতে পারে।’

    তাজউদ্দিনকে ফিরিয়ে আনার জন্য এ চুক্তির প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত্যুদণ্ডের কোনো বিধান নেই। এখন দেশটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে, তাজউদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে না- এমন অঙ্গীকার করলে তারা তাকে ফেরত দিতে পারে। কিন্তু গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার এখনও সম্পন্ন হয়নি। ফলে রায়ে কী হবে সে সম্পর্কে আগেভাগেই কিছু বলা যায় না। এ কারণে বাংলাদেশের পক্ষে মৃত্যুদণ্ড হবে না, এমন কোনো অঙ্গীকার করা সম্ভব নয়।’

    সাব্বির আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতে আমরা বন্দিবিনিময় চুক্তি করার উদ্যোগ নিয়েছি। এ উদ্যোগের আওতায় মাওলানা তাজউদ্দিনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আলোচনা এখনও শেষ হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট চুক্তির খসড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন এ দুটি চুক্তির ব্যাপারে দক্ষিণ আফ্রিকার মতামত পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।’

    প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশ চলাকালে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান ওই সময়ের বিরোধীদলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক কর্মী। ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ একটি মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর মামলাটি যায় অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)। ওই সময়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে জজ মিয়া নামের একজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয়া হয় যা ‘জজ মিয়া নাটক’ নামে পরিচিত। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির আবদুল কাহার আকন্দ। সূত্র: যুগান্তর

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755