শনিবার ২৪শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বন্ধ হচ্ছে বাসা-বাড়ির চুলার গ্যাস

ডেস্ক   |   শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২০ | প্রিন্ট  

বন্ধ হচ্ছে বাসা-বাড়ির চুলার গ্যাস

বাসাবাড়িতে দুটি চুলায় যে পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস খরচ হয় তা দিয়ে শিল্প-কারখানায় শত লোকের কর্মসংস্থান হয় জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বাসাবাড়িতে আর প্রাকৃতিক গ্যাস সংযোগ দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘সারা দেশের শিল্প কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ অগ্রাধিকার পাবে, বাসাবাড়ির চুলায় নয়। আমরা এই বিষয় থেকে বিরতি নিতে চাই।’
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ১৩৭ বিধিতে আনীত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের জবাব দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এ সব কথা বলেন। সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য নরুন্নবী চৌধুরী।
গ্যাসের অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে নসরুল হামিদ বলেন, আমাদের মহামূল্যবান গ্যাস। আমরা কি আবাসিক খাতে গ্যাস দেব, শিল্পখাতে গ্যাস দেব, কমার্শিয়াল খাতে গ্যাস দেব, সিএনজিতে গ্যাস দেব, নাকি পাওয়ার প্ল্যান্টে গ্যাস দেব। কোনটা আমাদের অগ্রাধিকার? যদি আমরা গ্যাস দিয়ে পাওয়ার বানাই সেখানে যে এনার্জি তৈরি হয় সেটার এফিশিয়েন্সি ৬৫ শতাংশ। চুলাতে যে গ্যাস ব্যবহার করে আমরা রান্না করি তার এফিশিয়েন্সি ৫ শতাংশ।
তিনি বলেন, দুইটি চুলায় এক মাসে যে পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করে, সেই গ্যাস দিয়ে যদি গার্মেন্টসের ব্রয়লার চালানো হয় তাহলে ১০০ লোকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়। কাজেই গুরুত্বটা কোথায়? বুঝতে হবে। অতি মূল্যবান প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন করতে ৯ টাকা আর সেই গ্যাস বিক্রি করছি গড়ে ৭ টাকা।
গ্যাসের চাহিদা মেটাতে সরকার প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্যাসের চাহিদার ক্ষেত্রে স্বস্তির লেবেল তৈরি করার জন্য এই ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। যে গ্যাস আমদানি করছি সেখানেও প্রায় ১০-১২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। যে পরিমাণ গ্যাস আমাদের শিল্পে ব্যবহার করা হয় সেখানেও যাতে স্বস্তি তৈরি হয়।
তিনি বলেন, মহামূল্যবান গ্যাস সবাই চুলার মধ্যে নিতে চাচ্ছি। এই বিষয় থেকে বিরতি নিতে চাই। গ্যাসের ব্যবহার বিষয়ে ২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে ভোলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যতীত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহের প্রয়োজন নেই। সেখানে নির্মিতব্য বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্বৈত জ্বালানিভিত্তিক হতে হবে। ডুয়েল-ফুয়েল করব। যদি গ্যাসও ফুরিয়ে যায়, যাতে তেল দিয়েও চালাতে পারি।
তিনি বলেন, ভোলা থেকে বরিশাল পর্যন্ত পাইপলাইনে গ্যাস নেয়া যায় কিনা- সেই সমীক্ষা করছি। বরিশালে আমরা শিল্প করতে চাই। আমরা শিল্প এলাকাতে দিতে চাই। বাংলাদেশের যতগুলো শিল্প এলাকা হোক সেখানে আমাদের অগ্রাধিকার থাকবে।

Facebook Comments Box


Posted ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২০

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১