• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    বলি তারকাদের আফসোস!

    অগ্রবাণী ডেস্ক | ০২ মে ২০১৭ | ১:১৭ অপরাহ্ণ

    বলি তারকাদের আফসোস!

    অভিনেতারা নাকি কখনও আফসোস করেন না! কোনও ছবি করা বা ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁদের আফসোস হয়েছে কি না, এই প্রশ্ন করলে প্রায় সকলেই নেতিবাচক ঘাড় নেড়ে দেন। বুদ্ধি-বিবেচনা যা বলেছে, তাই নাকি করেছেন তাঁরা! কণামাত্রও আফশোস নেই তাই। কিন্তু মনের কথা কি আর সব সময় চেপে রাখা যায়? অনেক সময় ব্যানার বা চরিত্র দেখে অথবা নিছক সম্পর্কের খাতিরেই অনেক ছবি সই করেন তারকারা। সেগুলো যখন মুখ থুবড়ে পড়ে, তাঁরাও অন্তরের জ্বালাপোড়া উগরে দেন!


    ক্যাটরিনা কাইফ
    বলিউডে ক্যাটরিনার প্রথম ছবি ছিল কাইজাদ গুস্তাদ পরিচালিত ‘বুম’। ছবি মুক্তি পাওয়ার আগেই তাঁর চরিত্র নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ক্যাটরিনা। তাঁকে নাকি প্রথমে বলা হয়েছিল, ইংরেজিতে হবে ছবিটা। স্ক্রিপ্টও শোনানো হয়েছিল যখন তিনি ইংল্যান্ডে ছিলেন, তখন। ইংরেজি ছবিতে বিকিনি বা চুম্বনদৃশ্য কোনও বড় ব্যাপার নয় বলেই ক্যাটরিনা ছবিটা করতে রাজি হয়েছিলেন। ‘‘সে সময় ভারতীয় সংস্কৃতির ব্যাপারে কিছুই জানতাম না আমি। জানলে কখনওই ছবিটা করতাম না,’’ ক্যাটরিনা বলেছিলেন ‘বুম’ মুক্তি পাওয়ার আগেই। ছবিটা চূড়ান্ত ফ্লপ করার পর তাঁর আফশোসের মাত্রা বেড়েও গিয়েছিল। পরে বারবার বলেছিলেন, প্রথম ছবি হিসেবে ‘বুম’কে বেছে নিয়ে মোটেই ঠিক কাজ করেননি তিনি।

    ajkerograbani.com

    শাহিদ কপূর
    ‘কুইন’এর পরিচালক বিকাশ বহেলের বানানো ছবি ‘শানদার’। দর্শকের তো প্রত্যাশা ছিলই ছবিটা নিয়ে। কিন্তু শাহিদ মোটেই সে জন্য ছবিটা করেননি। করেছিলেন মধু মন্টেনার কথায়। সে সময় ‘ফ্যান্টম ফিল্মস’এর অন্যতম দুই স্তম্ভ ছিলেন বিকাশ এবং মধু। ‘শানদার’এর প্রযোজক ছিলেন ‘ফ্যান্টম ফিল্মস’এর মধু, অনুরাগ কাশ্যপ, বিক্রমাদিত্য মোটওয়ানে এবং ‘ধর্ম প্রোডাকশন্‌স’এর কর্ণ জোহর। ছবির স্টোরিলাইন গোড়া থেকেই নড়বড়ে মনে হয়েছিল শাহিদের। কিন্তু মধুর অনুরোধ ফেলতে পারেননি। তারপর ‘শানদার’ ঢাকঢোল পিটিয়ে ফ্লপ করল। তখন শাহিদ প্রকাশ্যেই আফশোস করে ফেলেছিলেন। সব দোষ দিয়েছিলেন বিকাশ এবং ‘ধর্ম প্রোডাকশন্‌স’এর টিমকে। তারপর তো অনেক জল গড়িয়েছে। শ্লীলতাহানির অভিযোগে অভিযুক্ত বিকাশ ‘ফ্যান্টম ফিল্মস’এ নেইও আর!

    আমির খান
    যত দিন গিয়েছে, ছবি বাছাইয়ের ব্যাপারে ততই খুঁতখুঁতে হয়েছেন আমির। তাঁর বেশিরভাগ ছবিই ছকভাঙা, কিন্তু বিনোদনের জোগানদারও। ভাল ব্যবসা করেছে আমিরের প্রায় প্রতিটা ছবিই। কিন্তু সেই আমিরও নিজের সব সিদ্ধান্ত নিয়ে খুশি নন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি খোলাখুলিই বলেছিলেন, ‘মেলা’ এবং ‘মন’ ছবি দু’টো করার জন্য আফশোস হয় তাঁর। দু’টোই বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। মিস্টার পারফেকশনিস্টের সেটা সহ্য হয়নি মোটেই। সেটা প্রকাশও করে দিয়েছিলেন খোলাখুলিই।

    কাজল
    মেয়ে নাইসার কথা ঠেলতে পারেননি কাজল। মেয়ে বলেছিল, ‘‘মা, তুমি সব ছবিতে কাঁদো। এবার একটা মজার ছবি কর, যেটা হালকা মনে দেখতে যেতে পারি!’’ কাজলের ‘দিলওয়ালে’ করার প্রধান কারণ নাকি সেটাই। কিন্তু শাহরুখ, কাজলের এপিক কামব্যাকও ছবিকে বাঁচাতে পারেনি। ‘দিলওয়ালে’ করার জন্য সুজয় ঘোষের ছবি ছেড়ে দিয়েছিলেন কাজল, তাঁর আফশোসের বড় কারণ সেটাও। সুজয়ের ছবি বলতে ‘কহানি টু’। কাজলের মনে হয়েছিল, ওই কাজটা করলে অভিনয়ের পরিসর বেশি পেতেন তিনি। যদিও শেষমেশ সুজয়ের ছবিটাও চলেনি! বরুণ ধবনও পরে আফশোস করেছিলেন ‘দিলওয়ালে’তে অভিনয় করার জন্য।

    সাইফ আলি খান
    সাইফের ঘটনাটা রীতিমতো সেলিব্রেটেড। সাজিদ খানের ‘হমশকলস’এ কাজ করেছিলেন তিনি। প্লটের না ছিল মাথা, না ছিল মুণ্ডু! কিন্তু সাইফ আত্মসমর্পণ করে দিয়েছিলেন সাজিদের ভাবনার কাছে। এমন একটা সিদ্ধান্ত, যার জন্য পরে বারবার আফশোস করেছেন তিনি। পরিষ্কার বলেছিলেন, ‘‘হমশকলস’ একটা ভুল ছিল।’’ নায়কের কথায়, ‘‘ছবিটার সেভাবে কোনও স্ক্রিপ্ট ছিল না। সবটাই ছিল সাজিদের মাথায়। আমায় ও যা করতে বলেছিল, তাই করেছিলাম।’’ এই নিয়ে সাইফ-সাজিদের গণ্ডগোলও বেধে গিয়েছিল! বলিউডের অন্য ছবি-করিয়েরাও সোশ্যাল নেটওয়ার্কে সাইফকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ছবি না চললে দায়টা নির্মাতার পাশাপাশি অভিনেতারও নেওয়া উচিত। শেষমেশ সেফ নিজেই সাজিদের বাড়িতে গিয়ে সব ঝামেলা মিটিয়ে ফেলেছিলেন।[LS]

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757