• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    বাগেরহাটের চার আসন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো অবস্থা

    আজকের অগ্রবাণী ডেস্ক | ১২ আগস্ট ২০১৭ | ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ

    বাগেরহাটের  চার আসন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো অবস্থা

    বাগেরহাটে রাজনৈতিক দলগুলো এখন নির্বাচনমুখী। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জেলার চার সংসদীয় আসন দখলে রাখার ব্যাপারে প্রত্যয়ী। দলটির নেতারা বলছেন, দলে কোনো কোন্দল নেই। সাংগঠনিকভাবে যেকোনো সময়ের চেয়ে দল এখন অনেক শক্তিশালী।


    অন্যদিকে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা একেবারেই উল্টো। কমিটি গঠন নিয়ে বাগেরহাট জেলা বিএনপিতে দুই পক্ষের বিরোধ এখন প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে।

    ajkerograbani.com

    আওয়ামী লীগ : দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জের ধরে কয়েকজন নেতা সাময়িক বরখাস্ত হলেও দলে এখন আর কোনো কোন্দল নেই। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিনা হাসিবুল হাসান শিপন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ সরদারসহ আরো কয়েকজনকে তখন সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল দলের প্রার্থী খান হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায়। পরে অবশ্য তাঁদের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

    বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া উপজেলা) আসনে দলীয় প্রার্থী কে হবেন এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছু না বললেও আওয়ামী লীগের কোনো কোনো নেতা ভেতরে ভেতরে সরব। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশা।
    দলের কোনো কোনো নেতা মনে করেন, আগামী নির্বাচনে এই আসনে শেখ হেলাল উদ্দীনকে মনোনয়ন দিলে বিজয় সুনিশ্চিত। তবে জেলা পর্যায়ের নেতারা বলছেন, ব্যক্তি যেই হোক না কেন দলীয়প্রধান শেখ হাসিনা যাঁকে মনোনয়ন দেবেন তিনিই বিজয়ী হবেন।

    বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু বলেন, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সব জায়গাতেই গণতান্ত্রিক উপায়ে দল ও এর সহযোগী অন্য সংগঠনগুলোর কমিটি করা হয়েছে। শুধু মোরেলগঞ্জে কমিটি নিয়ে সমস্যা আছে। নেতাকর্মীরা এখন অনেক বেশি উজ্জীবিত দাবি করে তিনি বলেন, ‘দল এখন নির্বাচনমুখী। এরই মধ্যে কোনো কোনো এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা জনসংযোগ শুরু করেছেন। দলের কাছে যে কেউ মনোনয়ন চাইতে পারেন। দল থেকে যাঁকেই মনোনয়ন দেবে তিনিই প্রার্থী হবেন। ’

    শেখ কামরুজ্জামান টুকু আরো বলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগের ভোট বেড়েছে ৫ থেকে ৭ শতাংশ।

    বিএনপি : বিগত কয়েক বছর ধরে বাগেরহাট জেলা বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে বিভেদ চলে আসছে। কমিটিতে থেকেও একপক্ষ অন্যপক্ষের নেতাদের বিরুদ্ধে সরব। পদ নিয়ে দলের নেতাদের বিভেদের কারণে দলীয় কর্মীদের মধ্যেও হতাশা রয়েছে। এ অবস্থায় মাঠপর্যায়ে কোনো কোনো নেতাকর্মী বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে নানা কৌশল অবলম্বন করছে।

    দলের একপক্ষের দাবি, নানা প্রতিকূলতার মধ্যে জেলা বিএনপি সাংগঠনিক কার্যক্রম সফলভাবে চালিয়ে আসছে। অন্যপক্ষের অভিযোগ, যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে সাংগঠনিকভাবে বিএনপির কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্র থেকে উভয় পক্ষের নেতাদের নিয়ে ১৫১ সদস্যের কমিটি করে দিলেও শেষ পর্যন্ত বিরোধ মেটেনি।

    বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালামের অভিযোগ, পুলিশ দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে দেয় না। এ কারণে জেলা মহিলা দলের সম্মেলনের তারিখ তিন দফা নির্ধারণ করেও বাতিল করতে হয়েছে। কর্মী সভাও করতে দেয় না পুলিশ। এমনকি সদস্য সংগ্রহের ফরম কার্যালয় থেকে বিতরণ করা যায়নি। নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পাঁচ-ছয় শ মামলা রয়েছে। এখনো দুই শ নেতাকর্মী কারাগারে আছে। ৩৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে।

    সালাম বলেন, এত কিছুর পরও বিএনপি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।

    বিরোধের বিষয়ে সালাম বলেন, কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে দলের মধ্যে থেকে কয়েকজন কমিটির বিরোধিতা করছেন। বিগত সময়েও তাঁরা বিরোধিতা করে দলের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেননি। অথচ তাঁদের সবাই জেলা কমিটির কোনো না কোনো পদে আছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন্দ্রকে জানানো হয়েছে।

    জেলা কমিটির সহসভাপতি (তিন নম্বর) কামরুল ইসলাম গোরার দাবি, জেলা কমিটিতে অযোগ্য ও অদক্ষ নেতাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে। জেলা কমিটি নিয়ে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে তাঁদের দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। দুই পক্ষের নেতাদের সমন্বয় করে নতুন কমিটি গঠনের প্রস্তাব ছিল তাঁদের। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।

    সাংগঠনিক সম্পাদক (তিন নম্বর) ওয়াহিদুল ইসলাম পল্টু জানান, বাগেরহাট জেলা কমিটি নিয়ে আট বছর ধরে তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।

    জামায়াত : রাজপথে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কর্মসূচি না থাকলেও ভেতরে ভেতরে নির্বাচনী প্রস্তুতিতে পিছিয়ে নেই জামায়াত।

    বাগেরহাট জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুল ওয়াদুদ জানান, সাংগঠনিকভাবে তাঁদের নেটওয়ার্ক ভেঙে যায়নি। ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছে। পরিবেশ তৈরি হলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা আবার প্রকাশ্যে কর্মকাণ্ড শুরু করবে। তিনি বলেন, জামায়াত এখনো দল হিসেবে নিষিদ্ধ হয়নি। আগামী সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে আসবে। তবে জামায়াত ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করবে না বলে তিনি দাবি করেন।

    জাতীয় পার্টি : দলটির বাগেরহাট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজরা শহীদুল ইসলাম বাবলু জানান, তাঁরা বিভিন্ন পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করছেন। নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করে রেখেছেন। দল যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন শক্তিশালী।

    জেলা চার সংসদীয় আসনে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থী : ৯টি উপজেলা ও তিনটি পৌরসভা নিয়ে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসন থেকে বিএনপির এম এ এইচ সেলিম ও বাগেরহাট-৪ আসন থেকে জামায়াতের মুফতি আব্দুস সত্তার নির্বাচিত হন। আর বাগেরহাট-১ আসন থেকে শেখ হেলাল উদ্দীন ও বাগেরহাট-৩ আসন থেকে তালুকদার আব্দুল খালেক নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে চারটি আসনটি পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চারটি আসনেই জয়লাভ করে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনগুলো আওয়ামী লীগের দখলেই থাকে।

    বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট) আসনে ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন। পরে তিনি আসনটি তাঁর চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীনকে ছেড়ে দেন। উপনির্বাচনে শেখ হেলাল সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে এ আসনে নির্বাচন করে তিনি সংসদ সদস্য হন। ২০১৪ সালে শেখ হেলাল বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দলের নেতাকর্মীরা জানায়, এ আসনে শেখ হেলালকেই তারা চায়।

    এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী চারজনের নাম শোনা যাচ্ছে। তাঁরা হলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওহিদুজ্জামান দীপু, সহসভাপতি শেখ মুজিবর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা ও মঞ্জুর মোর্শেদ স্বপন।

    ওহিদুজ্জামান দীপু বলেন, বিএনপি একক ও জোটগতভাবে নির্বাচনের সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে আছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনি এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন।

    এ আসনে জাতীয় পার্টির অঙ্গ সংগঠন ওলামা পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এস এম আল জুবায়ের দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন। জাতীয় পার্টি থেকে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হবে এমন দাবিই করেছেন তিনি।

    বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে ১৯৯৬ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চারটি সংসদ নির্বাচনে এ আসনে তিনবার আওয়ামী লীগ ও একবার বিএনপি জয়লাভ করেছে। বর্তমানে এ আসনের সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশা। তাঁকে নিয়ে দলীয় নেতাদের কারো কারো মধ্যে ক্ষোভ আছে। তবে রাজপথে ওই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়নি। আগামী সংসদ নির্বাচনে দলকে এই আসনে ভেবেচিন্তে এবং যাচাই করে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার কথা জানালেন কোনো কোনো নেতা। দলের নেতাদের বড় অংশ এই আসনে বিজয় নিশ্চিত করতে শেখ হেলাল উদ্দীনকে প্রার্থী করার পক্ষে।

    জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমান বলেন, সংসদ সদস্য হওয়ার পর মীর শওকাত আলী বাদশা অনেক নেতাকর্মীর অবদানের কথা মনে রাখেননি। নানাভাবে এখানে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেনও মনে করেন, এ আসনে ভেবেচিন্তে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে।

    তবে সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশা বলেন, ‘দলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আমার ক্ষোভ নেই। সংসদ সদস্য হিসেবে দুই মেয়াদের এ সময় পর্যন্ত রাজনৈতিকভাবে আমি কোনো ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। আমি যাতে প্রার্থী হতে না পারি দলের মধ্যে এমন প্রচারও আছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে আমি দলের কাছে অবশ্যই মনোনয়ন চাইব। ’ তিনি বলেন, দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে তাঁর পক্ষে কাজ করবেন তিনি।

    অন্যদিকে এ আসনটি পুনরুদ্ধার করতে চায় বিএনপি। এবারও মনোনয়ন চাইবেন জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম। তিনি দাবি করেন, দল যে তাঁকেই মনোনয়ন দেবে এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত। তবে দলের বর্তমান কমিটির সহসভাপতি প্রকৌশলী এ টি এম আকরাম হোসেন তালিমও মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন।

    জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাজরা শহীদুল ইসলাম বাবলু এ আসনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনটি দীর্ঘদিন দখলে রেখেছে আওয়ামী লীগ। এ আসনে তালুদকার আব্দুল খালেকের বিকল্প নেই বলে মনে করে দলের নেতাকর্মীরা। তিনি ১৯৯১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মাঝে একবার ছাড়া প্রতিবারই নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে এ আসনে নির্বাচন করে জয়লাভ করেন তাঁর স্ত্রী হাবিবুন নাহার তালুকদার।

    সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, দল থেকে মনোনয়ন পেলে বিজয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

    এ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সহসভাপতি ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, অজিয়ার সরদার, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা বাবুর নাম শোনা যাচ্ছে। তাঁদের মধ্যে শেখ ফরিদুল ইসলাম বিগত কয়েক বছর ধরে রামপাল- মোংলার মানুষের মধ্যে নিজের অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার রাজনীতি আর দলীয় কর্মসূচিতেও তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ভালো। তিনি রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের বিপক্ষে।

    শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, দলের উচ্চপর্যায় থেকে সবুজ সংকেত পেয়ে তিনি এলাকায় প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

    এ আসনে বিএনপি জোটের শরিক জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি আব্দুল ওয়াদুদও প্রার্থী হতে চান। তিনি জানান, তিনি ওই আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বাগেরহাট-৪ (শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মোজাম্মেল হোসেন। ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের টিকিটে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবার শেষবারের মতো তিনি দলের কাছে মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।

    মোজাম্মেল হোসেন বলেন, এবারও দলের কাছে মনোনয়ন চাইবেন তিনি। তবে দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে তিনি তাঁর হয়ে নির্বাচনে কাজ করবেন।

    এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিরুল আলম মিলন ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগের নাম শোনা যাচ্ছে।

    আমিরুল আলম মিলন বলেন, ‘প্রতিটি এলাকায় জনসংযোগ চালাচ্ছি। জনগণের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মানুষের সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে। দলের কাছে মনোনয়ন চাইব, মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই। ’

    বদিউজ্জামান সোহাগ বলেন, ‘কাজ করি দলের জন্য। দলরে কাছে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন চাইব। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে তাই মেনে নিয়ে কাজ করব। ’

    এ আসনে জাতীয় পার্টির সংখ্যালঘুবিষয়ক উপদেষ্টা বাবু সোমনাথ দে নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম সম্ভব্য প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755