• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    বেঞ্জামিন কস্তার ‘প্রবন্ধসমগ্র’র প্রকাশনা উৎসবে ‘লেখাপ্রকাশ’র ১২টি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান

    ঢাবি প্রতিনিধি | ০৮ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৭:৫৮ অপরাহ্ণ

    বেঞ্জামিন কস্তার ‘প্রবন্ধসমগ্র’র প্রকাশনা উৎসবে ‘লেখাপ্রকাশ’র ১২টি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান

    নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ফাদার বেঞ্জামিন কস্তার ‘প্রবন্ধসমগ্র’র প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।


    শুক্রবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে ‘লেখাপ্রকাশ’ ও ‘ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা স্মৃতি পরিষদ’র যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ‘লেখাপ্রকাশ’র ১২টি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।


    দেশবরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল লোহনীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।

    অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. শাকির সবুর, নটরডেম কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও সিএসসি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কবি আমিনুল ইসলাম, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লেখাপ্রকাশের পুরস্কার প্রবর্তক ও প্রকাশক বিপ্লব ফারুক। উদ্বোধনী বক্তব্যে আরেফিন সিদ্দিক বলেন, পৃথিবীতে কেউই চিরস্থায়ী নয়। সবাইকেই একদিন চলে যেতে হবে। আমরা পৃথিবীতে স্বল্প সময়ের জন্য বিচরণকালে যা করি তাই পরবর্তীতে তা অমূল্য স্মৃতি হিসেবে দেখা দেয়। ফাদার বেঞ্জামিন কস্তার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। তার স্মৃতিগুলো আজ আমাদের সামনে স্মরণীয় হয়ে আছে।

    তিনি আরো বলেন, নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের কীভাবে ভাল শিক্ষা দেওয়া যায় তা নিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত চিন্তা করতেন। এ শিক্ষা শুধু ক্লাসরুমের শিক্ষা নয় ভাল মানুষ হওয়ার শিক্ষা। তিনি প্রকৃতি, মাটি ও দেশকে ভালবাসতেন। এমন একজন মানুষের বিদায়ে আমরা সবাই শোকাহত। তিনি আমাদের মাঝে নেই, আবার সাথে আছেনও। তার স্মৃতি, কর্ম আজ আমাদের সাথে আছে। তার স্মৃতি ও কর্মকে আমাদের ধরে রাখলে আমরা বহুদূর এগিয়ে যেতে পারব।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, ফাদার বেঞ্জামিন কস্তার মধ্যে বিনয়ী স্বভাব ছিল। তিনি সমাজের মানুষের জন্য চিন্তা করতেন। তার চিন্তার প্রতিফলন আমরা তার প্রবন্ধে দেখতে পাই। দেশের মানুষের মধ্যে মূল্যবোধের অবক্ষয় তাকে চিন্তিত করেছে। এক্ষেত্রে তিনি পরিবার থেকে মূল্যবোধের শিক্ষার কথা বলেছেন।

    তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কীভাবে উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করা যায় তিনি সর্বদা এ নিয়ে চিন্তা করতেন। প্রয়োজনে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে পরামর্শ ও সহযোগিতা চেয়েছেন।

    সভাপতি কামাল লোহানী বলেন, মানুষ হিসেবে বেঞ্জামিন কস্তা ছিলেন বিনয়ী এবং জ্ঞানী। মানুষের মানবিকতাকে তিনি সম্মান করতেন। আমরা তার কাছে বিভিন্নভাবে ঋণী যেগুলো কখনও শোধ করার মতো নয়।

    লেখাপ্রকাশের উদ্যোগে সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের জন্য কবি বিপ্লব ফারুককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সাহিত্যিকদের খুজে বের করে পুরস্কৃত করা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। এরকম আন্তরিকতা সবার মাঝে দেখা যায় না। তিনি যেভাবে সাহায্য সহযোগিতা ছাড়াই একান্ত নিজ উদ্যোগে এ কাজ করছেন তা সত্যিই অনন্য।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4669