• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ‘ব্লু হোয়েল’ শেষ পর্ব থেকে যেভাবে ফিরলো কিশোর

    অনলাইন ডেস্ক | ১২ অক্টোবর ২০১৭ | ৬:৫৭ অপরাহ্ণ

    ‘ব্লু হোয়েল’ শেষ পর্ব থেকে যেভাবে ফিরলো কিশোর

    আরেকটু দেরি হলে হয়ত সংবাদটা হতো অন্যরকম। কারণ ব্লু হোয়েল অ্যাডমিনদের নির্দেশে আত্মহত্যার জন্য অনেকগুলো ঘুমের ওষুধ খেয়ে ফেলে ১৪ বছরের ওই কিশোর। কিন্তু, পরিবার বুঝতে পারায় তাকে দ্রুত আনা হয় হাসপাতালে। রাজধানীর মিরপুরের ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ভর্তি করা হয়েছে। তার দাবি, সে আলোচিত ‘ব্লু হোয়েল’ গেমটি খেলত। ওই গেমসের নির্দেশনা মানার একপর্যায়ে নিজের শরীরে ব্লেড দিয়ে ক্ষত করে সে। এরপর গেমটির শেষ পর্বে এসে আত্মহত্যার জন্য ঘুমের ওষুধ খায়।


    কিশোরটি বর্তমানে ঢামেক নতুন ভবনের ওয়ার্ডের একটি পেয়িং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকরা তার ডান হাতে ক্ষতচিহ্নও দেখতে পেয়েছেন।


    চিকিৎসার পর এখন ওই কিশোরের শরীর বেশ সুস্থ। সে বলে, ‘চ্যালেঞ্জিং হওয়ায় আমি গেমটি খেলতে শুরু করি। অ্যাডমিনরা অনেক সময় অপমান করে কথা বলত, তাই আমি চ্যালেঞ্জগুলো যে করেই হোক পার করতাম।’

    শরীর কেমন জানতে চাইলে কিশোরটি বলে, ‘এখন একটু অসুস্থ বোধ করছি। আম্মুকে বলেছিলাম, এখানে আনলে আমি ভালো হবো না। তাও আমাকে নিয়ে এসেছে।’

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কিশোরের বাবা জানান, তাঁরা রাজধানীর মিরপুর এলাকায় থাকেন। সেখানের একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে তাঁর ছেলে। এর আগে পঞ্চম শ্রেণিতে ছেলেটি ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিল জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সে খুবই ভদ্র ছেলে হিসেবে সবার কাছে পরিচিত।

    গত ঈদুল আজহার পর ছেলের মধ্যে এক ধরনের পরিবর্তন দেখা যায় বলে উল্লেখ করেন ওই কিশোরের বাবা। তিনি বলেন, ‘খাওয়া-দাওয়া করে না, খালি মোবাইলে গেমস খেলত। অফিস শেষ করে বাসায় এসে জানতে পারি, ছেলে আমার রাতে মোবাইল নিয়ে ছাদে হাঁটাহাঁটি করে।’

    পরে গত মঙ্গলবার ছেলে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করলে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন বলে জানান ওই বাবা। এরপর সেখানে তার চিকিৎসা শুরু হয়।

    এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের ওই ওয়ার্ডের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মিনহাজ আহমেদ জানান, তাঁর ডিউটি শুরুর আগে যে চিকিৎসকরা ওই কিশোরের চিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা বিষয়টি তাঁকে জানিয়েছেন। তিনি জানতে পেরেছেন, ওই কিশোর ব্লু হোয়েল গেমস খেলতে খেলতে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তবে তার হাতে কোনো ট্যাটু আঁকা নেই জানিয়ে ডা. মিনহাজ বলেন, কেবল বাঁ হাতে কাটা দাগ আছে।

    ব্লু হোয়েল গেমটির মোট ৫০টি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। ৫০তম ধাপে গিয়ে বলা হয়, আত্মহত্যা করতে। আর প্রতিটি ধাপেই ব্যবহারকারীকে একটি করে চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়। ব্লু হোয়েল গেমে ‘আসক্ত হয়ে সম্প্রতি আত্মহত্যা’ করে বাংলাদেশি কিশোরী অপূর্বা বর্ধন স্বর্ণা। এর পর এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4673