• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ভুয়া মালিক সাজিয়ে রেলওয়ের ভূমি অধিগ্রহনের অর্ধকোটি টাকা আত্মসাত

    নিজস্ব প্রতিনিধি | ১৫ অক্টোবর ২০১৮ | ৫:১৭ অপরাহ্ণ

    ভুয়া মালিক সাজিয়ে রেলওয়ের ভূমি অধিগ্রহনের অর্ধকোটি টাকা আত্মসাত

    গোপালগঞ্জে ভুয়া ওয়ারেশন সনদ ও জাল কাগজপত্র তৈরী করে জমির নাম পত্তনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ শাখা থেকে রেলওয়ে কর্তৃক ভুমি অধিগ্রহনের প্রায় অর্ধকোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছে একটি জালিয়াতি চক্র।
    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত ভুয়া ওয়ারেশন সনদ দিয়ে ভুমি অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজসে জালজালিয়াতি চক্রটি দু’দফায় দু’টি চেকের মাধ্যমে ওই টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করে।
    এদিকে, রেলওয়ে কর্তৃক অধিগ্রহনকৃত আরো ৪২ শতাংশ ভুমির ক্ষতিপূরন বাবদ ১১/১২-১৩ নং এলএ কেস মূলে দু’টি চেকের মাধ্যমে ৮৫ লাখ টাকা জালজালিয়াতি চক্রটি উত্তোলনের চেষ্টা করে। বিষয়টি অবগত হয়ে ভুমির প্রকৃত মালিক মৃত মো: গোলাম মোস্তাফা চৌধুরীর পুত্র সাবু চৌধুরী এলএ শাখায় আবেদন দাখিলের মাধ্যমে ক্ষতি পূরনের বাকী টাকা প্রদানে আপত্তি করেন।
    অনুসন্ধানে জানা যায়, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৮৭ নম্বর কারারগাতী মৌজার আরএস ৭৭ নং খতিয়ানের ২.৫০ একর ভুমির প্রকৃত মালিক অমরেন্দ্রনাথ রায় গং ও বিপীন বিহারী বিশ্বাস। যাদের নিকট থেকে মো: গোলাম মোস্তফা চৌধুরী ১২২২/১৯৪৭ নং খাজনা মোকাদ্দমার ডিক্রী মূলে সত্ত¡বান হন। কিন্তু জালিয়াত চক্রটি বিপীন বিহারী বিশ্বাসের ভুয়া উত্তরাধিকারী দাবী করে দূর্গাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আকবার হোসেনকে দিয়ে ভুয়া ওয়ারেশন সনদপত্র তৈরী করে। পরে ওই ভুয়া ওয়ারেশন সনদপত্র দিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ভুমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের যোগসাজসে গোপালগঞ্জ ভুমি অফিস থেকে বাদল বিশ্বাসের নামে ভুমা নাম পত্তন করে।
    অতঃপর ওইসব জাল কাগজপত্র গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভুমি অধিগ্রহন (এলএ) শাখায় জমা দিয়ে রেলওয়ে কর্তৃক ভুমি অধিগ্রহনকৃত ৪৫ শতাংশ ভুমির ক্ষতিপূরনের টাকা উত্তোলন করে জালজালিয়াতি চক্রটি ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।
    এ ব্যাপারে দূর্গাপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের সাথে এ ব্যাপারে কথা বললে তিনি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি উত্তারাধিকারী যাচাই না করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত ওয়ারেশন সনদের উপর ভিত্তি করে বাদল বিশ্বাসের নামে নাম পত্তনের প্রস্তাব করি।
    এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান আকবর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওয়ারেশন সনদে যে স্বাক্ষর দেয়া হয়েছে তা আমার স্বাক্ষর বলে মনে হচ্ছে না। ইউনিয়নের ভুমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলতে পারবেন কে বা কাহারা আমার স্বাক্ষর জাল করেছে।
    সদর উপজেলা ভুমি অফিসের অফিস সহকারী ও যাচাইকারক শিশির কুমার বিশ্বাস বলেন, উক্ত বিষয়টি আমার যাচাই করার দায়িত্ব ছিল। কিন্তু আমি সংশ্লিষ্ট ভুমি সহকারী কর্মকর্তা কথা অনুযায়ি ফাইল প্রস্তুত করে সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবর নাম পত্তনের জন্য প্রেরন করি।


    Facebook Comments


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4669