• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    মহান মে দিবস ও গ্রামীণফোনের শ্রমিক আধিকারের ইতিকথা

    এম এ রউফ খান | ৩০ এপ্রিল ২০১৭ | ৫:১০ অপরাহ্ণ

    মহান মে দিবস ও গ্রামীণফোনের শ্রমিক আধিকারের ইতিকথা

    বলা হয়ে থাকে শ্রমিকরা জাতি গঠনের প্রধান সেনাপতি। যাদের ঘাম আর রক্তের বিনিময়ে পৃথিবি আজ চলমান, কিন্তুু তাদেরকে (শ্রমিকদের) আমরা কিইবা দিতে পেরেছি। তারা না পেয়েছেন সন্মান , না পেয়েছেন যোগ‌্য পারিশ্রমিক। পেয়েছেন শুধুই লাঞ্ছনা আর বঞ্ছনা। শুধু এই একটি দিনেই আমরা শ্রমিক, শ্রমিক করে গলা ফাটাই।
    কথা গুলো একজন শ্রমিকের প্রতিদিনের কাব‌্য। যার হাত ধরে লোহাতুর মালিক আর দুর্নীতি গ্রস্ত প্রশাসক সভ‌্যতা গড়ার স্বপ্ন আকে প্রতিনিয়ত। আর এই জন‌্যই ১লা মে সারা পৃথিবীতে মে দিবস বা আন্তজাতিক শ্রমিক দিবস পালন একজন খেটে খাওয়া মানুষ হিসাবে কখনোই উৎসবের উপলক্ষ নয়। কারন এই দিনটি স্বরনীয় হয়ে থাকার পিছনে আছে একটি রক্তক্ষয়ী ইতিহাস, আন্দোলনের ইতিহাস, ত‌্যাগের ইতিহাস। ইংরেজী ১৮৮৬ সালের ১লা মে আমেরিকার সিকাগো শহরে হেমার্কেটে দিনে ৮ ঘন্টা কাজ করার দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের উপর গুলি চালালে ১১ জন শ্রমিক শহীদ হয়েছিল। সেই থেকে দিনটি শ্রমিকদের কাছে সন্মানের। তবে আমেরিকা বা কানাডায় দিনটি সরকারি ভাবে পালিত হয় না। আগে পৃথিবীর নানা দেশে শ্রমিকদের অমানবিক ভাবে দিনে ১০/১২ ঘন্টা কাজ করানো হতো। আর তার বিনিময়ে শ্রমিকদের মুজুরি ও মিলতো অতি নগন্ন। শ্রমিকরা ১৮৮৪ সালে আমেরিকার সিকাগো শহরে দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজ করার যে আন্দোলন শুরু করে, সে দাবি কার্ষকর করার সময় বেধে দিয়েছিলো ১৮৮৬ সালের ১লা মে পর্যন্ত। কিন্তুু মালিকেরা এই দাবি মেনে না নিলে ৪ঠা মে ১৮৮৪ সালে সন্ধ‌্যায় হালকা বৃষ্টির মধ‌্যে সিকাগোর হেমার্কেটে ৬ লক্ষ্য শ্রমিক মিছিলের জন‌্য জমায়েত হলে সেখানে একটি বোমা বিস্ফোরণে ১ জন পুলিশ মারা যায়। পুলিশ বাহিনী তৎক্ষণাৎ শ্রমিকদের উপর ঝাপিয়ে পড়লে ১১ জন শ্রমিক নিহত হয়। কিন্তুু বোমাটি কে বা কারা ফাটিয়েছে সেই রহস‌্য এখোনো উৎঘাটন হয়নি আজ পর্যন্ত। ঘটনার পর মামলা করা হয় শ্রমিক নেতা আগাষ্ট স্পিচ সহ ৮ জনের নামে। বিচার প্রক্রিয়া শেষে ১৮৮৭ সালে ১১ নভেম্বর ৬ জনের ফাসি কার্যকর করা হয়। ফাসির মঞ্চে উঠার আগে আগাষ্ট স্পিচ বলেছিল আজ আমাদের নীরবতা তোমাদের আওয়াজ আপেক্ষা অধিক শক্তিশালী হবে। এর অনেক পরে ১৮৯৩ সালে ২৬ শে জুন ইলিনর এর গর্ভনর অভিযুক্ত ৮ জনকে নিরাপরাধ বলে ঘোষনা দেয় এবং দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজ করা সরকারি ভাবে স্বীকৃতি দেয়। আর ১লা মে শ্রমিক দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পায়। ক্রমেই সারা পৃথিবিতে এই দিনটি পালিত হতে থাকে।


    দুঃখজনক হলেও সত‌্য যে, যে বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় পাতায় লেখা আছে শ্রমিক বঞ্চনা আর নির্যাতনের ইতিহাস, সে দেশে গ্রামীণফোনের মত বৃহৎ প্রতিষ্ঠান ৪ (চার) বছর বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট), ওভার টাইম, বোনাস সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থেকে শ্রমিকদের বঞ্চিত করে আসছে । এখানে শ্রমিকদের ৫% লভ‌্যাংশ নিতে উর্দ্ধতন কর্মকতা হয়ে য়ায় শ্রমিক। তার দাবিতে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামলে হতে হয় লাঞ্চিত। জি, এস, পি নিয়ে উন্নত রাষ্ট গুলো যখন গ্রামীনফোনের শ্রমিক আধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলে আর ঠিক তখনই সরকারের চোখে থাকে মোটা টিনের চশমা। মুখে মুখেই শ্রমিক আধিকার বলে গলা ফাটাই বাস্তবে শু্ধুই আওয়াজ,,,,,,,

    ajkerograbani.com

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    কবিতা মিষ্টি হাসি

    ২৭ আগস্ট ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757