• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    মাথায় উকুন জন্মের কারণ ও তাড়ানোর সহজ উপায়

    অনলাইন ডেস্ক | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ | ১২:৪৮ অপরাহ্ণ

    মাথায় উকুন জন্মের কারণ ও তাড়ানোর সহজ উপায়

    মাথায় উকুন বাসা বাঁধে অপরিষ্কার বা তেলতেলে মাথার কারনে। অনেকের এমন একটা ধারণা থাকলেও জার্মান বিশেষজ্ঞরা এর সাথে একমত নন। উকুনের জন্মের কারণ, বসবাস ও তাদের তাড়ানোর উপায় জেনে নিন সহজ কিছু ধাপে:


    ক্ষতিকর নয়
    মাথায় উকুন হলে তা যে খুবই বিরক্তিকর এতে সন্দেহ নেই। তবে উকুন ক্ষতিকর কিছু নয় বলে জানান জার্মান ফার্মাসিস্ট বারবারা ভাল্টার। তিনি জানান, ফার্মেসিতে উকুন মারার ঔষুধ পাওয়া যায় এবং একটু সতর্কভাবে তা ব্যবহার করলে উকুন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অবশ্য উকুন মারার ঔষুধ ব্যবহারে শুধু বড় উকুনই মারা যায়, ডিমগুলো নয়। তাই কয়েক সপ্তাহ সেদিকে ভালোভাবে নজর রাখতে হবে।

    ajkerograbani.com

    এক উকুনের ৩০০ ডিম!
    একটি উকুন প্রাপ্তবয়স্ক হবার সাত থেকে ১০দিন পরেই ডিম দেয় আর ডিমগুলোও সপ্তাহ খানেক পরই প্রাপ্তবয়স্ক উকুন হয়ে যায়। একটি উকুন ৩০০টি ডিম পর্যন্ত দিতে পারে।

    উকুন ছোঁয়াচে
    জার্মানিতে ছোঁয়াচে বা সংক্রমণ রোগ সর্দি-কাশির পরেই রয়েছে উকুনের স্থান, বিশেষ করে ৮ থেকে ১১ বছর বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে। ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের চুল লম্বা বা বড় থাকার কারণে মেয়েদের মাথার চুলেই উকুন আরাম বোধ করে।

    সেলফি
    উকুন বিছানা বা অন্য কোনোভাবে ছড়ায় না। উকুন সরাসরি এক মাথা থেকে আরেক মাথায় যায়। অল্প বয়সি মেয়েরা বন্ধুদের সাথে মাথায় মাথা লাগিয়ে সেলফি বা ছবি তুলতে বেশ পছন্দ করে। সেলফি তোলার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. হ্যারমান ফেল্ডমায়ার।

    অপরিচ্ছন্নতা কারণ নয়
    সন্তানের মাথায় উকুন হলে জার্মান মায়েরা বিছানা-বালিশ – সবকিছু নতুন করে ধুতে শুরু করেন। এক্ষেত্রে মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন চিকিৎসক হ্যারমান ফেল্ডমায়ার জানান, রক্তচোষা ছাড়া উকুন চার ঘণ্টার বেশি বাঁচতে পারে না, অর্থাৎ উকুনের আসল বাড়ি-ঘর হলো মাথা বা চুলের গোড়া। কাজেই অপরিচ্ছন্নতা উকুন ছড়ানোর কারণ নয়।

    শিশুদের মাথায় উকুন হলে …
    জার্মানিতে কিন্ডার গার্টেন বা প্রাইমারি স্কুলের কোনো শিশুর মাথায় উকুন হলে ওকে কয়েকদিনের জন্য বাসায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়, অর্থাৎ ঐ সময়টা উকুন মেরে ফেলার ছুটি। আর সেই সাথে অন্যান্য শিশুর মা-বাবাকেও উকুন সম্পর্কে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

    লজ্জার কোনো কারণ নেই
    মাথায় উকুন হলে অনেকেরই মাথা চুলকায় এবং লজ্জা পায়, যদিও এতে লজ্জার কোনো কারণ নেই। কারণ এর জন্য তো আর কেউ নিজে দায়ী নয়। কোনো এক অসতর্ক মুহূর্তে কাছের কারো মাথা থেকেই হয়ত নিজের মাথায় উকুন এসে থাকবে। তাই লজ্জা বা ভয় না পেয়ে বরং উকুন তাড়ানোর ব্যবস্থা করাই শ্রেয়।

    তাড়ানোর পরামর্শ
    ভেজা চুলে ধাতুর তৈরি বিশেষ চিরুণি দিয়ে খুব ধীরে ধীরে চুল আচড়ানোর পর চিরুণিটি একটি সাদা কাপড়ের ওপর রাখলেই দেখা যাবে উকুন বেরিয়ে এসেছে। এবং এভাবে কয়েকদিন করতে হবে। তাছাড়া ঔষুধ দু’সপ্তাহ ব্যবহার করেও উকুন থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757