• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    একটু সহনুভুতি মানুষ কি পেতে পারে না?

    মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য!

    মো: গিয়াস উদ্দিন | ০১ মে ২০১৭ | ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ

    মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য!

    গাহি সাম্যের গান মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই;নহে কিছু মহিয়ান …. কিম্বা মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য একটু সহনুভুতি মানুষ কি পেতে পারে না হ্যা আমি সেই সব মানুষের কথাই বলছি যারা নিপিড়িত, নিষ্পেষিত শোষিত, অত্যাচারিত। যারা দুমুঠো অন্নর জন্য সারাটি দিন কতই না অসহনীয় পরিশ্রম করছে। শুধু মাএ এই একটি দিন কেন আমরা বেছে নিয়েছি তাদের মুক্তির গান তো প্রতিটি দিনই গাওয়া উচিৎ। আমরা সকলেই মে দিবসের পটভূমি ও তাৎপর্য সম্পর্কে কম বেশি জানি। কিন্তু যাদের জন্য এই দিন পালন তারা কি জানে এর ইতিহাস কিংবা আসল প্রয়োজনীয়তা? নাকি দিন শেষে সেই তিমিরেই অবস্থান করে? না কি তারা শুধু জানে মে দিবস মানে দল বেধে মিছিল করা আর সংগঠকদের দেয়া নাস্তা খাওয়া? তারা কি জানে তাদের মে দিবস পালনের নাম করে আরেক প্রস্থ পয়সা লোটপাটের মতলবে মেতে উঠে আমাদের মালিক কিংবা সংগঠক শ্রেণির লোকেরা? শ্রমিকের অধিকাংশই মনে করে মে দিবস মানে হলো শ্রমিকদের জন্য আনন্দের দিন। এদিন তাদের ছুটি, মালিক শ্রেণী তাদেরকে নিয়ে আনন্দ করবে আজকের দিনে, তারা পেটপুরে খাবে মিছিল সমাবেশ শেষে।
    শুধু শ্রমিক শ্রেণি কেন? আমাদের মত লোকেরাও কি সঠিক ইতিহাস জানে? কিংবা জানে কি মে দিবস কি শিক্ষা দেয়? অনেক আবাল দেখেছি যারা মে দিবসকে স্রেফ একটা ছুটির দিন ছাড়া কিছুই ভাবেনা। কেউ কেউ এদিনে শিডিউল করেন কোথায় কোথায় বেড়াতে যাওয়া যায়। কি কি করা যায়। প্রেমিক প্রেমিকারা আরেকটা দিন নির্ঝঞ্জাট ডেটিং করার প্রস্তুতি নেন। আর অনেকেই মহান মে দিবসে ফেবু টুইটার আর ব্লগে শুভেচ্ছা বানী দিয়ে লাইক আর কমেন্ট কামানোতে ব্যস্ত থাকেন।
    তাই, বলছি আসেন কাজের কথা চিন্তা করি । আমার কাছে মনে হয় শ্রমিক শ্রেণির সাথে আমাদেরকে মিশতে হবে সবার আগে। তাদের সাথে মিশে জানতে হবে তাদের প্রধান প্রয়োজন কি? জানতে হবে তারা অধিকার বলতে কি বুঝেন। জানাতে হবে তাদের অধিকার কি বা কতটুকু। সচেতনতাই তাদের ভিতরে জন্ম দিতে পারে অধিকার আদায়ের জন্য সোচ্চার হওয়ার বীজটুকু।
    শ্রমিক বা নিম্ন আয়ের লোকেরা জানেনা যে তারা যেটুকু মজুরী পায় তা কোন প্রকারেই ন্যায্য তো দুরে থাক শোষন ভিন্ন কিছু নয়। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় তারা মনে করে মজুরীর বাইরে দশ টাকা বকশীশ মানে মালিকের মহত্মা। তারা একবারের জন্যও ভাবেনা বা জানেনা তাদের প্রতি কি পরিমান অন্যায় করা হয়। অবশ্য এসব ভাবার অবকাশ আমাদের মত লোকেরা তাদের দিতে নারাজ। শ্রমিক সমাজ সূর্যোদয়ের সাথে সাথে কাজে যোগ দেয় আর সেই সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিরামহীন খেটে খেটে যখন বাড়ি ফেরে তখন খাওয়া ঘুম ছাড়া আর কোন চিন্তা মাথায় আসার সময় পায় না।
    তাই আসুন আজ থেকে প্রতিদিন নিয়ম করে কমপক্ষে এক কিংবা আধা ঘন্টা এই মানুষগুলোর সাথে মেশার চেষ্টা করি। তাদেরকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করি। একটা ঐক্যের বন্ধন গড়ে তোলার চেষ্টা করি তাদের মাঝখানে। ঐক্যের মধ্য দিয়েই এক সময় বিপ্লবের মন্ত্রে দিক্ষীত হবে আমাদের শোষিত সমাজ।
    বিপ্লব দীর্ঘজীবি না হয়ে মুক্তি দ্রুত আসুক মেহনতি মানুষের।।


    Facebook Comments Box


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757