• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে জল্পনা কল্পনা

    মো: তারিকুল ইসলাম: | ০৮ আগস্ট ২০১৭ | ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

    মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে জল্পনা কল্পনা

    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের মেয়াদ শেষ হতে এখনও প্রায় দেড় বছর বাকি রয়েছে। ইতিমধ্যেই উপজেলার সকল হাট বাজারে আসন্ন সে নির্বাচনকে নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন গনমাধ্যমে যাদের নাম প্রকাশ পেয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম শিমুল, প্রাক্তন উপজেলা চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম শিকদার,যুগ্ন-সম্পাদক এম এম মহিউদ্দীন আহম্মেদ মুক্তু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাব্বির খান, বিগত নির্বাচনের অন্যতম প্রতিদ্বন্দি মোঃ কাবির মিয়া এবং মুকসুদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সাজ্জাদ করিম মন্টু।
    আশরাফুল আলম শিমুল ব্যতিত অপর চারজনই আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। অন্য কোন দলের বা স্বতন্ত্র কোন প্রার্থীর নাম এখনও শোনা যায়নি।
    প্রাসঙ্গীক বিষয়ে আলাপকালে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম শিমুল পরিষ্কার জানিয়ে দেন আগামী নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দিতা করবেন না। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে রবিউল আলম শিকদার দেশের বাইরে থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও তার সমর্থক ও হিতাকাঙ্খীদের ধারনা আগামী উপজেলা নির্বাচনে তিনি হয়তো দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। তবে দল তাকে মনোনয়ন না দিলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে তিনি না আসার সম্ভাবনাই অধিক। উপজেলা সদরের বাসিন্দা মহিউদ্দীন আহম্মেদ মুক্তু দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদকের দায়ীত্ব অতি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে আসছেন। দলের কাছে তিনি মনোনয়ন চাইবেন এবং তিনি দলের মনোনয়ন পাবেন এমন আস্থার কথা জানান তিনি। দলের মধ্যে এবং সাধারণ মানুষের কাছে উপজেলার একজন সজ্জন ব্যক্তি হিসাবে তিনি সুপরিচিত। সুনাম ক্ষুন্ন হয় এমন কোন কর্মকান্ডের কথা তার বিরুদ্ধে শোনা যায়নি। অর্থ,ব্যক্তিগত চরিত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ের বিশ্লেষনে তিনি অনেকের চেয়ে বেশ এগিয়ে আছেন বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। উর্দ্ধতন নেতাদের রোষানলে না পড়লে তিনিই আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সমর্থন পাবেন,তার অনুসারীরা এমন প্রত্যাশা করছেন।
    সংসদ সদস্য মুঃ ফারুক খানের ভাই সাব্বির খান বর্তমানে খান্দারপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি জানান,উপজেলা নির্বাচন তিনি আসবেন এমন সংবাদ কারা প্রচার করছে তা তিনি জানেন না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগে অনেক সিনিয়র নেতা রয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি কোন চিন্তাই করেননি।
    বিগত উপজেলা নির্বাচনে যে কিনজন প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হয় তার মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী ছিলেন মোঃ কাবির মিয়া। এ প্রসঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান,আগামী নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। দল তার যোগ্যতা বিবেচনা করে তাকেই মনোনয়ন দিবে এমন আশা করেন তিনি। আর যদি না দেয় তবে বিগত নির্বাচনের মতোই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ভোট যুদ্ধে আসবেন।
    উল্লেখ্য বিগত নির্বাচনের সময় তিনি যে কর্মী বাহিনী সৃষ্টি করেছিলেন সে কর্মীরা এখনও দৃঢ় মনোবল নিয়ে নির্বচনের জন্য অপেক্ষা করছে। দীর্ঘ ১৭ বছর মুকসুদপুর পৌরসভার মেয়র ছিলেন সাজ্জাদ করিম মন্টু। উপজেলা নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। দল মনোনয়ন না দিলে কি করবেন এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি ক্ষিনস্বরে জানান,দল মনোনয়ন না দিলে কিছুই করার নাই। বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গেছে ইতিমধ্যে তিনি উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের জনগনের সঙ্গে সাক্ষাত করে তার উপস্থিতির কথা জানান দিয়েছেন। মনোনয়ন না পেলে তিনি কি করবেন এ মুহুর্তে তা নিশ্চিত করে বলা সমিচিন হবেনা।


    Facebook Comments


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755