• শিরোনাম

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    মুকসুদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমার সন্তানের বাবা, স্বীকৃতি চাই

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ জুলাই ২০১৮ | ২:০৮ অপরাহ্ণ

    মুকসুদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমার সন্তানের বাবা, স্বীকৃতি চাই

    গোপালগঞ্জে সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে এক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন শিক্ষিকা। মুকসুদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুন্সি রুহুল আসলামের বিরুদ্ধে গত ৯ এপ্রিল গোপালগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে শিক্ষিকা সাবিহা শারমিন মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ৩ জুলাই আসলামের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে খবরটি এতদিন প্রকাশ্যে আসেনি। আসলাম মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন বলে শারমিন অভিযোগ করেছেন।

    ২০১০ সালে কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে যোগদান করেন শারমিন। আসলাম একই উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ছিলেন। চাকরির সুবাদে দু’জনের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গতা তৈরি হয়। আসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারমিনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। ২০১২ সালে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করতে থাকেন। এ সময় শারমিন কাবিন রেজিস্ট্রি করতে আসলামকে কয়েকবার চাপ দেন। তবে প্রথম স্ত্রী মামলা করবেন এবং তার চাকরি চলে যাবে অজুহাত দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান আসলাম। ২০১৪ সালে সাবিহা একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন। সন্তানের জন্মের পর কাবিনের জন্য চাপ দিতে থাকলে আসলাম তার ওপর শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন। এক সময় আসলাম তার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা না দিলে কাবিন করবেন না এবং স্ত্রী হিসেবে তাকে স্বীকৃতি দেবেন না বলে জানান। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করে।

    পরে আসলাম বদলি হয়ে মুকসুদপুর উপজেলায় যোগদান করেন। গত ৩ জুলাই আসলামের উপস্থিতিতে শারমিনের আইনজীবী ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। এ সময় আসলামকে ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত জামিন দেন আদালত।

    শারমিন বলেন, আসলাম তাকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেয়। তা না হলে আসলাম অর্থের বিনিময়ে ডিএনএ পরীক্ষা পরিবর্তন করাতে পারে। এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা চান।

    আসলামের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মুকসুদপুরের কয়েক শিক্ষক-শিক্ষিকা জানান, তিনি লম্পট প্রকৃতির। নারী পটাতে ওস্তাদ। তার মেজাজ রুক্ষ। দুর্নীতিরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    তবে আসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোনো দুর্নীতি ও নারী কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত নই। মামলার ঘটনাটি সজানো।’ ডিএনএ পরীক্ষার ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী