• শিরোনাম

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন মোল্লা কাউসার

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ অক্টোবর ২০১৯ | ১২:০৪ অপরাহ্ণ

    যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন মোল্লা কাউসার

    প্রধানমন্ত্রীর আদেশ ক্রমে শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসাবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটসহ ঢাকা মহানগরের একাধিক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গ্রেফতার আতঙ্কে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে পিয়ন থেকে যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক বনে যাওয়া কাজী আনিস। ক্যাসিনো ব্যবসার অভিযোগে এখন যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাউসার।


    এদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধেও রয়েছে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ। বেশ কয়েক মাস আগে কাকরাইলের সেচ্ছাসেবক প্রতিষ্ঠান আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের বহুতল ভবনের নির্মান বন্ধ করে দিয়েছিলে দক্ষিনের এই সভাপতি। তার দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় তার ক্যাডার বাহিনী ঐ ভবনের কাজ বন্ধ করেদিয়েছিল এবং তাতক্ষনিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার ক্যাডার বাহিনী ভবন দখল ছেড়েদিতে বাধ্য হয়েছিল। তার পর থেকে এই কমিতি ভেঙ্গে দেবার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু পরে আর এটি হয়ে উঠেনি। চাঁদাবাজির কারণে সম্প্রতি ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অপসারন রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়। তারপর প্রধানমন্ত্রী যুবলীগের বিষয়টি তলিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে গ্রেফতার হন বহু আলোচিত যুবলীগ নেতা দক্ষিনের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া। এরপর গতকাল রাতে গ্রেফতার হন সম্রাট।

    গোয়েন্দা সূত্র থেকে জানা যায়, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে আনা নানা অভিযোগের একটি প্রতিবেদন এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘ঢাকা মহানগরীর চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও তার কিছু লোকজনের দৌরাত্ম্যে। এ বিষয়ে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয় তার অনুরোধ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

    গত শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী গণভবনে আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশের পর যুবলীগ নিয়েও আলোচনা করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের দোয়া অনুষ্ঠান ও যুব জাগরণ সমাবেশের প্রসঙ্গ আসলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন চাঁদাবাজির টাকা হালাল করার জন্যই এমন আয়োজন করা হয়েছে। এরপর তিনি বলেন, ঢাকা মহানগর যুবলীগের একজন নেতা চার থেকে পাঁচজন দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরা করেন।বড় বড় অস্ত্র নিয়ে তার চারপাশে অবস্থান করে। এ সব দেখলে মানুষের কী ধারণা হয়। তাছাড়া আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায়। এখন কেন ওই নেতা এত নিরাপত্তাহীনতায় আছেন?

    এমন যুবলীগের দোয়ার কোনও প্রয়োজন নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে বলেছেন, কিছুতেই এসব অপকর্ম সহ্য করা হবে না। অস্ত্রবাজি ও ক্যাডার রাজনীতি চলবে না। যে কোনও মূল্যে এই অপরাজনীতির অবসান ঘটাতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী গত ৭ সেপ্টেম্বর (শনিবার) গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতাদের একটি ছবি দেখান। ওই ছবিতে সশস্ত্র ব্যক্তিদের প্রহরায় যুবলীগের একজন নেতাকে দেখা গেছে।

    ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতারা যুবলীগের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে জুয়ার আড্ডায় অংশ নেয়ার অভিযোগ আনেন। প্রতিদিনই সংশ্লিষ্ট নেতারা ক্যাসিনোতে আড্ডা মারেন বলেও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতারা।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী