• শিরোনাম

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    রংপুরে জাপাকে সমর্থন দিবে না আওয়ামী লীগ

    ডেস্ক | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৩:৫০ অপরাহ্ণ

    রংপুরে জাপাকে সমর্থন দিবে না আওয়ামী লীগ

    রংপুর ৩ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিবে না আওয়ামী লীগ। আগামী ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হচ্ছে এরশাদের মৃত্যুর কারণে শুন্য হয়ে যাওয়া রংপুর ৩ আসনের উপনির্বাচন। এই ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের পর এই উপনির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক মেরুকরণ নতুন দিকে মোড় নিয়েছে। বিএনপি যে প্রার্থীকে মনোয়নয়ন দিয়েছে তার প্রতি স্থানীয় বিএনপির সমর্থণ নেই। একই সঙ্গে জামাত ইসলামের একটি শক্তিশালি ভোটব্যাংক রয়েছে রংপুরে। জামাত ইসলামও বিএনপির মনোনিত রিটা রহমানকে মনোনয়ন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যার ফলে বিএনপির প্রার্থী শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে গেছে। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির দূর্গ হিসেবে পরিচিত রংপুর ৩ আসনের দূর্গে ফাটল ধরার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ তার মৃত্যুর আগে সর্বশেষ রংপুর সফরে বলেছিলেন যে, তার মৃত্যুর পর এখানে তৃণমূলের কর্মীরাই মনোনয়ন পাবে। কিন্তু তৃণমূলের নেতাকর্মীকে উপেক্ষা করে সাদ এরশাদকে মনোনয়ন দেওয়ায় জাতীয় পার্টির মধ্যে বিভক্তি স্পষ্ট হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রকাশ্যে সাদ এরশাদ বিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তাছাড়া এখানে এরশাদের ভাতিজা মকবুল শাহারিয়ার আসিফ প্রার্থী হওয়ায় জাতীয় পার্টির শিবিরে বিভক্তি স্পষ্ট। এজন্যই জাতীয় পার্টি চাইছে এখানে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিতে। কিন্তু আওয়ামী লীগ মনে করছে যে, জাতীয় পার্টির দূর্গ দখলে এটাই সুবর্ণ সুযোগ। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ মো. রেজাউল করিম রাজুকে মনোনয়ন দিয়েছে, যিনি স্থানীয়ভাবে বেশ জনপ্রিয়। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সংঘবদ্ধ হয়েছে। কাজেই জাতীয় পার্টির বিভক্তি এবং বিএনপির অস্বস্তিকে পুঁজি করে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির এই দুর্গ দখল করে নিতে পারে। সেজন্যই রংপুরের স্থানীয় নেতৃত্ব জাতীয় পার্টির সঙ্গে সমঝোতার তীব্র বিরোধীতা করেছে।

    ইতিমধ্যে কেন্দ্রে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে জাতীয় পার্টির সঙ্গে সমঝোতায় গেলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক শক্তি খর্ব হবে। এই বিবেচনা থেকেই আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির সঙ্গে কোন সমঝোতায় না যাওয়ার দিকে এগুচ্ছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে যে আওয়ামী লীগ এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একজন নেতা বলেছেন যে, এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু হবে। তাতে যদি আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়, তাহলে উত্তারাঞ্চলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে তা ভূমিকা পালন করবে। এই বিবেচনা থেকেই আওয়ামী লীগ এই আসনের নির্বাচনকে গুরুত্ব সহকারে দেখছে। শেষ পর্যন্ত যদি জাতীয় পার্টির বিভক্তি না কাটে তাহলে এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের সম্ভাবনা বেশি। তবে জাতীয় পার্টি যদি আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্য করতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে তারা বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করতে চেষ্টা করবে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। তবে সে সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।


    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী