• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    হারুনার রশিদ খান মুন্নু আর নেই

    রশিদ খান মুন্নু ; সাধারণ মানুষের অসাধারণ হয়ে উঠার গল্প

    আজকের অগ্রবাণী ডেস্ক: | ০১ আগস্ট ২০১৭ | ৯:০২ পূর্বাহ্ণ

    রশিদ খান মুন্নু ; সাধারণ মানুষের অসাধারণ হয়ে উঠার গল্প

    মানিকগঞ্জের কৃতি সন্তান বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্ঠা, বিশিষ্ঠ শিল্পপতি, সাবেক মন্ত্রী হারুনার রশিদ খান মুন্নু আর নেই। তিনি আজ ভোর ৬ টায় সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিল্পপতি হারুণার রশিদ খান মুন্নু আর নেই। আজ মঙ্গলবার ভোরে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার গিলন্ড এলাকার নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে হারুণার রশিদ খান মুন্নুর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তিনি স্ত্রী হুরুন্নাহার মুন্নু, দুই মেয়ে আফরোজা খান রিতা, ফিরোজা মাহমুদসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। হারুণার রশিদ খান মুন্নুর মেয়ে আফরোজা খান রিতা দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি ফেরার পর দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
    এদিকে হারুণার রশিদ খান মুন্নুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
    উল্লেখ্য, হারুণার রশিদ খান মুন্নু ১৯৯১ সালে মানিকগঞ্জ-২ (শিবালয়-হরিরামপুর) আসনে বিএনপি থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালেও তিনি ওই আসন থেকে এমপি হন। এরপর ২০০১ সালে একই আসনের পাশাপাশি মানিকগঞ্জ-৩ (সদর-সাটুরিয়া) আসনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মুন্নু। এরপর তাকে দফতরবিহীন মন্ত্রী করা হয়।হারুণার রশিদ মুন্নু ১৯৩৭ সালের ২ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আব্দুস শুকুর খান।
    হারুনার রশিদ খান মুন্নু; একজন সাধারণ মানুষের অসাধারণ হয়ে উঠার গল্প। যেখানে পথের বাঁকে বাঁকে ছিল সংগ্রাম। টিকে থাকার লড়াই। জীবনের এমন নানান দোলাচলের মাঝেও তিনি টপকিয়েছেন ভাগ্যের সিঁড়ি। আর সারা জীবন ধৈর্য্যের এক দ্বীপ শিখা হয়ে জ্বলছেন । নিজের সততার গুণে উপড়ে গেছে সব বাধা বিপত্তি। নিজেকে আলোকিত করে রেখে গেছেন দেশবরেণ্য মানুষ বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং সাবেক মন্ত্রী হারুনার রশিদ খান মুন্নু। ছোট থেকে শুরু করেছিলেন ব্যবসা কিন্তু স্বপ্নটা ছিল আকাশ সমান।
    মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার পদ্মার ভাঙন কবলিত আজিমনগর ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর গ্রামেই কেটেছে তার শৈশব-কৈশর।
    সম্প্রতি একান্ত আলাপচারিতায় ওঠে এসেছে তাঁর জীবন সংগ্রাম আর সফলতার নানা গল্প। বলেন, আমার বয়স তখন দেড় বছর। পৃথিবীর কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই আমি বাবাকে হারাই। যখন একটু বড় হলাম তখন গ্রামের স্কুলে ভর্তি হলাম। ছাত্র হিসেবে ভালো ছিলাম বলেই স্কুলের শিক্ষকরা আমাকে আদর করতেন ও ক্লাসের সবার চাইতে বেশি ভালো বাসতেন।
    গ্রামের ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৫২ সালে বাণিজ্য শাখায় প্রথম বিভাগ পেয়ে ম্যাট্রিক পাস করি। এরপর চলে যাই ঢাকায়। ভর্তি হই তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে। ১৯৫৪ সালে বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি পাস করি। লেখাপড়ার পাশাপাশি ডিপিআই অফিসে হিসাব শাখায় ৬০ টাকা বেতন আর ৩০ টাকা অ্যালাউন্সে একটি চাকরিও পাই। বেতনের সেই টাকা থেকে মাসে ২০-৩০ টাকা করে বাড়িতে পাঠাতাম। আমি যখন বি.কম ফার্স্ট ইয়ারে তখন মায়ের ইচ্ছা এবং পছন্দের পাত্রীর ( হুরুন নাহার) সঙ্গে ১৯৫৫ সালের ৩রা আগস্ট বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হই। তখন আমার বয়স ছিল ২৩ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া অবস্থায় বেশ কয়েকটি ভালো চাকরির অফারও পাই। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৬ সালে বি.কম পাস করি। এরপর চার্টার্ড একাউন্টস কোর্স সমাপ্ত করি।
    হারুনার রশিদ খান মুন্নু বলেন, ১৯৫৮ সালে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা যখন অস্থির তখন লন্ডনে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির অফার এলেও মা না চাওয়ার কারণে যাওয়া হয়নি। তখন জেদ ধরলাম ব্যবসা করবো। আদমজীতে অডিটর হিসেবে কাজও করি। ১৯৫৭ সাল থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত সেখানে অডিট করতাম। আমার টার্গেট ছিল কিভাবে ব্যবসা শুরু করবো।
    যেভাবে শুরু হলো ব্যবসা:
    হারুনার রশিদ খান মুন্ন বলেন, ব্যবসা করার জন্য যে টাকা প্রয়োজন তা আমার ছিল না। কিন্তু আমি মনোবল হারাতাম না। আদমজীতে অডিট করার সময় সেখানকার এক কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদের সঙ্গে পরিচয় হলো। তিনি আমাকে সেখানে চাকরির অফার দিলেন কিন্তু আমার কথা ছিল চাকরি করবো না ব্যবসা করবো। তাকে বোঝাতে সক্ষম হলাম। অফিসের পারচেজ হেড ছলিমের সঙ্গে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। সব কথা শোনার পর ছলিম আমাকে বললো কোন ধরনের ব্যবসা করতে চান। তার কথা শুনে অস্বস্তিতে পড়ে গেলাম। তাৎক্ষণিকভাবে ঠিক করলাম প্রিন্টিং ব্যবসায় যাওয়া যায়। কারণ আমি তখন একটি আর্ট প্রেসে খণ্ডকালীন অ্যাকাউন্টসের কাজ করছি। তাই প্রেসের ব্যবসা সম্পর্কে একটা ধারণা ছিল। ছলিম জানালো প্রতিষ্ঠানের জন্য ২৫টি খাতা লাগবে। আপনি কত টাকার মধ্যে করে দিতে পারবেন। আমি একটু সময় নিয়ে চলে গেলাম রতন আর্ট প্রেসের মালিক রতন ভাইয়ের কাছে। রতন ভাই জানালেন প্রতিটি খাতায় খরচ পড়বে ২০ টাকা। পরে আমি ছলিমের সঙ্গে দেখা করে বললাম খরচ পড়বে ২০ টাকা আপনি আমাকে ২৩ টাকা দিবেন। আমি সেখানে ২৫টা খাতা দিয়ে মুনাফা পেলাম ৭৫ টাকা। তখন থেকেই আমার ব্যবসা পুরোদমে চলে। অর্ডার পাই আর সাপ্লাই দেই। দুই বছরের মধ্যে প্রেস তৈরির টাকা হয়ে গেল। সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে যাই সামনের দিকে। যে কাজেই হাত দেই সে কাজেই পাই সফলতা।
    হারুনার রশিদ খান মুন্নুর পরের গল্পটা শুধু এগিয়ে যাওয়ার। ঢাকার ওয়ারীতে তার প্রতিষ্ঠিত প্রথম ব্যবসা শুরু হয় মুন্নু আর্টপ্রেস দিয়ে। সেই প্রেসই তার উপরে উঠার প্রথম সিঁড়ি। এরপর মুন্নু আর্টপ্রেস অ্যান্ড প্যাকেজিং, মুন্নু জুটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মুন্নু স্ট্যাস্পস লিমিটেড, মুন্নু সিরামিক্স, বন চায়না, মুন্নু ট্রেনিং কমপ্লেক্সসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান করেন। স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পান এই মানুষটি। এরপর নিজ জেলা মানিকগঞ্জের গিলন্ড এলাকায় তার ব্যবসার প্রসার বৃদ্ধি পায়। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী হিসেবে দেশ-বিদেশে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে।
    হারুনার রশিদ খান মুন্নু তার নিজ জেলা মানিকগঞ্জের গিলন্ড এলাকার মুন্নু সিটিতে গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের মুন্নু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। দেশ-বিদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা মনোরম পরিবেশে সেখানে ডাক্তারি পড়ছেন। সঙ্গেই ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক হাসপাতাল। মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ক্যাম্পাসে স্থাপন করা হয়েছে রিসোর্ট অ্যান্ড চাইনিজ রেস্টুুরেন্ট। যেখানে উন্নত মানের দেশি-বিদেশি খাবার তৈরি হয়। প্রতিদিন দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন এখানে। রয়েছে শপিংমলও।
    এছাড়া মুন্নু সিটিতে স্থাপন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ইংলিশ ভার্সন হিসেবে যা মানিকগঞ্জে এই প্রথম। এখানে মনোরম পরিবেশে জেলা ও জেলার বাইরের কয়েকশ’ শিক্ষার্থী এখন ইংলিশ ভার্সনে লেখা পড়া করার সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে গাড়ির ব্যবস্থা ও হোস্টেল ব্যবস্থা। প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিনন্দন ক্যাম্পাসে রয়েছে খেলার মাঠ, শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন রাইডের খেলনা ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।
    মুন্নু সিটিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন মুন্নু নার্সিং ইনস্টিটিউট। স্থানীয় জেলা ও দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষার্থীরা নার্সিংয়ের উপর প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন। এই মুন্নু সিটিতে আরো রয়েছে মুন্নু ফেব্রিকস ও মুন্নু অ্যাটোয়ার। যেখানে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ কাজ করছেন। প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে মুন্নু টেকনিক্যাল ইউনিভারসিটি। শুধু তাই নয়, মুন্নু সিটির মাঠজুড়ে রয়েছে ফল-ফসলের সহারোহ। সারি সারি আম বাগান, ফুলের সৌরভ এবং পুকুর ভরা মাছ। দেশি-বিদেশি পাখির সমাহার। ক্যাম্পাসের ভেতরে রয়েছে সৌন্দর্য্যমণ্ডিত একটি মসজিদ ও ফুলের বাগান। যা দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কেড়েছে। দৃষ্টিনন্দন এই মুন্নু সিটি মানিকগঞ্জ জেলাকে দেশ-বিদেশে পরিচিত করে তুলেছে এক মডেল হিসেবে। শুধু তাই নয়, হারুনার রশিদ খান মুন্নু মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।
    ৮৫ বছর বয়সী এই মানুষটির নিজের চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। তার একটাই চাওয়া দেশ এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করা। ব্যবসার পাশাপাশি হারুনার রশিদ খান মুন্নু মানবকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন দেশের মানুষের জন্য। অর্থ ও সহায় সম্পদ বলতে যা কিছু করেছেন তা থেকে পরিবারের যেটুকু প্রয়োজন সেটুকু রেখে প্রায় সব কিছুই উৎসর্গ করেছেন মুন্নু ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনে।
    হারুনার রশিদ খান মুন্নু বলেন, কোনো মানুষ প্রতিষ্ঠিত হতে হলে প্রথম তার মধ্যে থাকবে হবে সততা। আর কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিতে হবে। আমি আজ এই অবস্থানে আসার পেছনে ছিল সততা ও কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ কারার অভিজ্ঞতা।
    পরিবারের কাছে আদর্শের নাম: হারুনার রশিদ খান মুন্নু তার পরিবার ও সন্তানদের কাছে এক আদর্শের নাম। স্ত্রী হুরুন নাহার রশিদ, দুই কন্যা আফরোজা খান রিতা ও ফিরোজা মাহমুদ এবং কন্যাদের স্বামী-সন্তান নিয়ে একজন সুখী মানুষ হিসেবেই নিজেকে দাবি করেন বিশিষ্ট এই শিল্পপতি।
    তার বড় মেয়ে আফরোজা খান রিতা। বাবার মতো তিনিও শিক্ষা-দীক্ষায় বেশ মেধাবী এবং মানবকল্যাণে সর্বক্ষণই নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এতো অর্থ বিত্ত থাকার পরও তার ভেতর নেই কোনো অহংকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে এমকম পাস করেন। তার সবচেয়ে বড় সাফল্য এইচএসসিতে বাণিজ্য বিভাগে মেধা তালিকায় সারা দেশের মধ্যে ৮ম স্থান অধিকার করা। তিনি মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। পাশাপাশি একজন দক্ষ রাজনীতিবিদ। মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি। পিতার হাত ধরেই তার রাজনীতিতে আসা। ছোট মেয়ে ফিরোজা মাহমুদও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমকম পাস করেন। আর হারুনার রশিদ খান মুন্নুর স্ত্রী হুরুন নাহার রশিদ একজন আদর্শ গৃহিণী হিসেবে তার স্বামীকে পর্দার আড়াল থেকে সাহস ও উৎসাহ দিয়ে চলেছেন সর্বক্ষণ।
    রাজনীতিবিদ মুন্নু: দেশবরেণ্য ব্যবসায়ী হিসেবে হারুনার রশিদ খান মুন্নুর যেমন সুখ্যাতি রয়েছে, ঠিক রাজনীতিতেও তার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে তার রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। মানিকগঞ্জের বিএনপি’র রাজনীতিতে একজন প্রাণপুরুষ হিসেবে আছেন বহু বছর ধরে। এখনো এ জেলায় বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসেবে একমাত্র তিনিই নেতাকর্মীদের বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়ে রেখেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তিনি।
    ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ’৯৬ সালের নির্বাচনে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন। মানিকগঞ্জে বিএনপি’র রাজনীতিতে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠায় ২০০১ সালের নির্বাচনে একসঙ্গে মানিকগঞ্জ-২ আসন ও মানিকগঞ্জ-৩ আসন থেকে জয়লাভ করেন। মন্ত্রিত্বও পান চারদলীয় জোটের সময়। জনপ্রিয় নেতা হিসেবে মানিকগঞ্জের প্রায় প্রত্যেকটি এলাকায় তার হাতের ছোঁয়া লেগেছে। রাজনীতিতেও তিনি উত্তসূরি রেখেছেন। তার বড় মেয়ে আফরোজা খান রিতা এখন মানিকগঞ্জ বিএনপি’র রাজনীতির চালিকা শক্তি। পিতার মতো তারও এ জেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তার রাজনৈতিক মেধা আর দক্ষতার কারণে অল্প বয়সেই জেলা বিএনপি’র সভাপতির দায়িত্ব দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। সব মিলিয়ে রাজনীতিতেও হারুনার রশিদ খান মুন্নু একজন আদর্শের নাম।


    Facebook Comments


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755