• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    রাতারাতি ফিরে এসেছে ৩৩ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া সমুদ্রসৈকত

    অনলাইন ডেস্ক | ১০ মে ২০১৭ | ১১:১২ পূর্বাহ্ণ

    রাতারাতি ফিরে এসেছে ৩৩ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া সমুদ্রসৈকত

    এতদিনের পাথুরে উপকূল ফিরে আসা সৈকত

    রাতারাতি ফিরে এসেছে ৩৩ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া এক সমুদ্রসৈকত। আর এ বিচিত্র ঘটনা ঘটেছে কয়েকদিনের অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে। আয়ারল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে প্রত্যন্ত এক দ্বীপের সৈকতটি ১৯৮৪ সালে ঝড়ে প্রায় বিলীন হয়ে গিয়েছিল। বালি সরে গিয়ে সেখানে পড়ে ছিল স্রেফ রুক্ষ পাথুরে উপকূলভূমি।
    গত মাসে কয়েক দিন এলাকাটিতে অস্বাভাবিক ধরনের জোয়ার হয়। দেখা যায়, এর মধ্য দিয়ে আটলান্টিক ফিরিয়ে দিয়েছে সৈকত থেকে নিয়ে যাওয়া হাজারো টন বালি। এতে করে আখিল দ্বীপের ক্ষুদ্র গ্রাম দোঘের বাসিন্দারা ফিরে পেলেন তাঁদের হারানো সেই সমুদ্রসৈকত।
    এ বিষয়ে আখিলের পর্যটন অফিসের ম্যানেজার শান মলয় বলেন, ‘কয়েকটি বড় ঝড় সৈকতটি ধ্বংস করে দেয়। এটি পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায়। ১৯৮৪ সালে সবশেষ সেখানে সৈকতের কিছু অস্তিত্ব ছিল।’
    পর্যটন কর্মকর্তা শান মলয় আরও বলেন, ‘এ ঘটনার তাৎপর্য অনেক। এটা জনপ্রিয় সৈকতটিকে কেন্দ্র করে একসময় গড়ে ওঠা চারটি হোটেল ও বেশ কিছু অতিথিশালার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।’
    আখিল দ্বীপে এখন পর্যটনবান্ধব পাঁচটি সৈকত আছে উল্লেখ করে মলয় বলেন, এটিকে ঘোষণা করা হতে পারে দ্বীপটির ষষ্ঠ সমুদ্রসৈকত।
    তিন দশক আগে দোঘ গ্রামের পাশের ৩০০ মিটারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে প্রতিবছর হাজারো পর্যটক আসতেন। এলাকাবাসীর গর্বের সেই সৈকতের প্রায় পুরোটাই এখন আবার হাজির। এতে বেশ খুশি বাসিন্দারা। ইতিমধ্যে নতুন করে পর্যটক সমাগম হতে শুরু করেছে সেখানে।
    জনপ্রিয় এ সৈকত এক সময় চারটি হোটেল ও অনেক গেস্ট হাউসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পশ্চিম উপকূলের এ দ্বীপটিতে ২ হাজার ৬০০ লোকের বাস। অ্যাকিলে পাঁচটির বেশি সৈকত আছে। নতুন এই সৈকতটি হলে সেখানে এর সংখ্যা ছয়ে দাঁড়াবে।



    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    বিয়ে করাই তার নেশা!

    ২১ জুলাই ২০১৭

    কে এই নারী, তার বাবা কে?

    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757