• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    রেইনট্রি হোটেলের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা হচ্ছে

    অগ্রবাণী ডেস্ক | ১৪ মে ২০১৭ | ৯:৪৩ অপরাহ্ণ

    রেইনট্রি হোটেলের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা হচ্ছে

    দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় আলোচিত হোটেল রেইন ট্রিতে অভিযান চালানোর পর তিনটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।


    ভ্যাট ফাঁকি, শুল্ক ফাঁকি এবং মুদ্রা পাচার- এই তিন অভিযোগে মামলাগুলো হবে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক শাফিউর রহমান।

    ajkerograbani.com

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য বি এইচ হারুনের ছেলে মাহির হারুন রাজধানীর বনানীর এই চার তারকা হোটেলটির মালিক।

    এই হোটেলটিতে গত ২৮ মার্চ দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষিত হন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের ভাষ্য, জন্মদিনের এক অনুষ্ঠানে তাদের ডেকে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করা হয়েছিল।

    ধর্ষণের প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ সেদিন মাহিরের বন্ধু পরিচয়ে উঠেছিলেন বলে হোটেলকর্মীরা পুলিশকে জানিয়েছেন।

    গত ৬ মে মামলা হওয়ার পর দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে রোববার সকালে ঘটনাস্থল রেইনট্রি হোটেলে অভিযান শুরু করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। তারা হোটেল থেকে বেশ কয়েক বোতল বিদেশি মদ এবং নথিপত্র জব্দ করেন।

    শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক শাফিউর রহমান বলেন, “হোটেল রেইনট্রির বিরুদ্ধে ভ্যাট ফাঁকি, শুল্ক ফাঁকি এবং মানি লন্ডারিং- এই তিন অভিযোগে তিনটি পৃথক মামলা করা হবে।”

    এই হোটেলটি গত জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে ভ্যাট নিবন্ধন নিলেও কোনো অর্থ পরিশোধ না করে এই পর্যন্ত ৮ লাখ ১৫ হাজার টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    মদ উদ্ধারের বিষয়ে তিনি বলেন, “লিকারগুলো কেনা-বেচার জন্য শুল্ক দিতে হয়, কিন্তু এগুলো তারা কোত্থেকে, কীভাবে কিনেছে, তার কোনো জবাব তারা দিতে পারেনি।”

    এছাড়া নথিপত্রে মুদ্রা পাচারের ‘আলামত’ পাওয়া গেছে বলে জানান শাফিউর।

    রেইনট্রি হোটেলে অভিযান শুরুর পর শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান বলেছিলেন, “সম্প্রতি বিভিন্ন কারণে এই হোটেলটি আলোচনায় এসেছে। এই হোটেলের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা জানা প্রয়োজন।”

    এসব বিষয়ে হোটেলটির মালিক মাহিরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ধর্ষিত এক তরুণী বলেছেন, ঘটনার দিন মাহিরের পরিচয় দিয়ে একজন সাফাতের জন্মদিনের কেক নিয়ে এসেছিলেন।

    ঘটনার ছায়াতদন্তকারী ডিবির উপ-কমিশনার শেখ নাজমুল আলম এ বিষয়ে বলেন, “হোটেলের ম্যানেজার মাহিরের নির্দেশে সাফাতের জন্মদিনের কেক নিয়ে গিয়েছিলেন।”

    মাহিরের বন্ধু পরিচয় দিয়েই সাফাত সেদিন ওই হোটেলের কক্ষ ভাড়া করেছিলেন বলে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

    ধর্ষণের আসামি সাফাত ও তার বন্ধু সাদমান সাকিফকে সিলেট থেকে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    মাহিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি না- এ প্রশ্নে ডিবি কর্মকর্তা নাজমুল বলেন, “এখনও গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে ভবিষ্যতে মামলার কোনো প্রয়োজনে দরকার হলে মাহিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।”

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757