• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের বাসিন্দা নয়: মিয়ানমার সেনাপ্রধান

    অনলাইন ডেস্ক | ১২ অক্টোবর ২০১৭ | ৫:৫০ অপরাহ্ণ

    রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের বাসিন্দা নয়: মিয়ানমার সেনাপ্রধান

    মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং বলেছেন, রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিয়ানমারের জনগোষ্ঠী নয়। আর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা গণমাধ্যমে অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করা হয়েছে।


    মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত স্কট মার্সিয়েলের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান। এরপর সেই আলোচনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের পেজে পোস্ট দেন মিন। তা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার রয়টার্স প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তবে সেনাসদস্যদের দ্বারা রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে ওই বৈঠকে তিনি কোনো কথা বলেননি বলে জানা গেছে।


    এমনকি মিন অং হ্লাইয়াং রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ বলে মন্তব্য করেছেন। বলেন, তারা মিয়ানমারের জন্য ক্ষতিকর। আর সাবেক ব্রিটিশ ঔপনিবেশিই এ জন্য দায়ী।

    এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং বলেছিলেন, রোহিঙ্গারা স্বীকৃতি দাবি করছে অথচ তারা কখনো মিয়ানমারের নৃগোষ্ঠী ছিল না। এটি ‘বাঙালি’ ইস্যু। আর এই সত্য প্রতিষ্ঠায় একতাবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

    যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান বলেন, ‘তারা কোনোভাবেই মিয়ানমারের জনগোষ্ঠী নয়। নথিপত্র প্রমাণ করে, তারা কখনো রোহিঙ্গা নামেও পরিচিত ছিল না। ঔপনিবেশিক আমল থেকেই তারা বাঙালি ছিল। মিয়ানমার তাদের এ দেশে নিয়ে আসেনি। ঔপনিবেশিক আমলেই তারা এসেছিল।’

    জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর গতকাল বুধবার বলেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উৎখাতে ঘরবাড়ি, শস্য ও গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

    মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ৬৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর বলেছে, গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের পুলিশ ফাঁড়িতে বিদ্রোহীদের হামলার আগে থেকেই সেখানে রোহিঙ্গাদের হত্যা, নির্যাতন ও শিশুদের ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটানো হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কারণে দেশটির সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চিন্তা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা ইস্যু বহুদিন ধরেই মিয়ানমারের অন্যতম আলোচিত সংকট। তবে এই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ‘রোহিঙ্গা’ বলতে নারাজ মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। গত ২৫ আগস্ট রাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলা এই সংকটকে নতুন করে উসকে দেয়। এর জেরে সেখানে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়, চলে দমন-পীড়ন। মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ আসছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, গত কয়েক সপ্তাহে পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4673