• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    লাইলীর মাথায় ‘আঘাতের চিহ্ন দেখেননি’ তদন্ত কর্মকর্তা

    | ০৭ আগস্ট ২০১৭ | ৩:৩৫ অপরাহ্ণ

    লাইলীর মাথায় ‘আঘাতের চিহ্ন দেখেননি’ তদন্ত কর্মকর্তা

    স্বজনের সাথে গৃহকর্মী লাইলী বেগম

    রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় রহস্যজনক মৃত্যুর পর গৃহকর্মী লাইলী বেগমের গলায় দাগ থাকলেও মাথায় কোনো ‘আঘাতের চিহ্ন দেখেননি’ বলে জানিয়েছেন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা। এর আগে মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন বলে জানিয়েছিলেন ময়নাতদন্ত করা চিকিৎসক।


    গত শুক্রবার বনশ্রীর ৪ নম্বর সড়কে জি ব্লকের মুন্সী মইনুদ্দিনের বাসায় গৃহকর্মী লাইলী বেগমের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। লাইলীকে হত্যার অভিযোগ এনে তাঁর পরিবার ও এলাকার বিক্ষুব্ধ লোকজন ওই বাড়িতে হামলা চালায় এবং সড়কে গাড়ি ভাঙচুর করে।

    ajkerograbani.com

    গৃহকর্মী লাইলী বেগমের ভাশুর শহীদুল ইসলাম গৃহকর্তা, গৃহকর্ত্রী ও বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক তোফাজ্জলকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনায় কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ।

    পরদিন শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে লাইলী বেগমের লাশের ময়নাতদন্ত হয়। পরে লাইলী বেগমের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও গলায় কালো দাগ থাকার কথা জানান ময়নাতদন্ত করা চিকিৎসক ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সোহেল মাহমুদ। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের সময় লাইলীর গলার টিস্যু (ভিসেরা), স্পর্শকাতর স্থানের টিস্যু ও ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। এসব আলামতের পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেলে জানা যাবে বিষয়টি হত্যা না আত্মহত্যা।

    হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মঞ্জুর রহমান আজ সোমবার প্রথম আলোকে বলেন, তিনি এর আগে লাশকাটা ঘরে লাইলীর মরদেহ পরীক্ষা করেন। এ সময় লাইলীর জা নূর নাহার তাঁর সঙ্গে ছিলেন। তাঁকে দিয়েও লাইলীর মাথার চুলের ভেতর ও দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না দেখতে বলা হয়। কিন্তু মাথায় কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর গলায় ফাঁস দেওয়ার কালো দাগ ছিল। হয়তো ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকেরা মাথায় আঘাতের চিহ্ন পেতে পারেন।

    এসআই মঞ্জুর রহমান বলেন, যে বাসায় লাইলীর মৃত্যু হয়েছে, সেখানকার ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে।

    বিক্ষোভ-ভাঙচুর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, ভাঙচুরের ঘটনায় এ পর্যন্ত বাহার, ছোট মিয়া, হাকিম ও জুয়েল নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাহার ও জুয়েলকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্য দুজনের রিমান্ডের শুনানি গতকাল রোববার হয়নি।

    গতকাল সকালে গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামে লাইলীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর দুই সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755