• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    শহীদ মিনারে কাজী আরিফের মরদেহ

    অগ্রবাণী ডেস্ক | ০২ মে ২০১৭ | ১২:৪৮ অপরাহ্ণ

    শহীদ মিনারে কাজী আরিফের মরদেহ

    সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শহীদ মিনারে রেওয়া হয়েছে কাজী আরিফের মরদেহ। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে তার মরদেহ শহীদ মিনারে নিয়ে আসা হয়। বেলা ১টা পর্যন্ত সর্বস্তরের জনতা তাকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাবে।


    জোহরের নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে জানাজা শেষে কাজী আরিফের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার মেয়ে অনুসূয়ার ধানমণ্ডির বাসায়। বিকালে উত্তরা চার নম্বর সেক্টরে মায়ের কবরে এই মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন করা হবে।

    ajkerograbani.com

    এর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে তার কফিন ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় বলে জানান সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ।

    গত শনিবার নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই সেন্ট লুকাস হাসপাতালে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় চিকিৎসকরা তাকে ক্লিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করেন। এরপর রাত সাড়ে ১০টার কিছু পরে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    বরেণ্য এই বাচিকশিল্পীর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে কাজী আরিফের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়। এরপর তার শারীরিক অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হয়ে পড়লে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

    কাজী আরিফ ১৯৫২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ী জেলা সদরের কাজীকান্দা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বড় হয়েছেন চট্টগ্রামে। স্কুল-কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারপর ভর্তি হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট)। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার পদচারণা শুরু কলেজ জীবন থেকে।

    ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১ নম্বর সেক্টরে মেজর রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও মুক্তকণ্ঠ আবৃত্তি একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা তিনি। কাজী আরিফ ও প্রজ্ঞা লাবণী জুটি বাংলাদেশের জনপ্রিয় হওয়া প্রথম আবৃত্তি জুটি।

    তার আলোচিত আবৃত্তি অ্যালবামগুলোর মধ্যে ‘পত্রপুট’, ‘তাম্রলিপি’ অন্যতম।

    আবৃত্তিতে বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পেয়েছেন ফোবানা পুরস্কার, আমরা সূর্যমুখী পুরস্কার ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ছেলে কাজী সব্যসাচীর নামে প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত ‘সব্যসাচী পুরস্কার’। স্থপতি হিসেবেও নামডাক ছিল কাজী আরিফের।

    তার প্রতিষ্ঠান ডেক্সট্রাস কলসালটেন্স লিমিডেটে থেকে করা স্থাপত্যগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি টারমিনাল, বাংলাদেশ বিমান ভবন, ডেইলি স্টার ভবন, বিজিএমই ভবন, ইনডোর স্টেডিয়াম, গলফ ক্লাব, বাংলাদেশ ব্যাংকের ই-লাইব্রেরি ইত্যাদি।[LS]

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757