• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    “শিক্ষার্থীরা কথার বাইরে গেলে ইচ্ছা করে ফেল করিয়ে দিতেন বশেমুরবিপ্রবির সেই আক্কাস “

    বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি: | ০২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১০:২৬ অপরাহ্ণ

    “শিক্ষার্থীরা কথার বাইরে গেলে ইচ্ছা করে ফেল করিয়ে দিতেন বশেমুরবিপ্রবির সেই আক্কাস “

    শিক্ষার্থীরা কথার বাইরে গেলে বা কথা না শুনলেই তাদেরকে ইচ্ছা করে ফেল করিয়ে দিতেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষক আক্কাস আলী। মতবিরোধের জেরে অনৈতিকভাবে পরীক্ষায় ফেল করানোসহ নাম্বার কম দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    একাধিক শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। এসব শিক্ষার্থীরা জানান, সিআর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মতবিরোধ হওয়ায় ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ফেল করানোসহ ১৭ জনকে অনৈতিকভাবে নাম্বার কম দিয়েছিলেন আক্কাছ আলী। ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন জানান, “২০১৭ সালের শেষের দিকে আমরা আমাদের ক্লাসের ক্লাস রিপ্রেজেনটেটিভ (সিআর) পরিবর্তন করি। যাকে পরিবর্তন করা হয় তিনি আক্কাছ আলীর অত্যন্ত প্রিয় হওয়ায় আক্কাছ আলী আমাদের ওপর রেগে যান এবং বলেন আমরা এভাবে সিআর পরিবর্তন করতে পারিনা। পরিবর্তিতে আমরা ১৭ জন সিআর পরিবর্তনের যৌক্তিকতা বুঝাতে আক্কাছ আলীর সাথে কথা বলি। এসময় তিনি আমাদের সকল যুক্তি অগ্রাহ্য করে আমাদের পাস করে বের হতে দিবেননা বলে হুমকি দেন। এর কিছুদিন পরই আমাদের চতুর্থ বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল দেয় এবং আমরা ১৭ জনের সকলেই প্রচন্ড খারাপ ফলাফল করি। আক্কাছ আলী ওইসময় পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ছিলেন। আমরা পরীক্ষা ভালো দিলেও তার কোর্সসহ খণ্ডকালীন তিনজন শিক্ষকের কোর্সে খারাপ ফলাফল করি।”


    এতদিন পরে কেনো অভিযোগ করছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে এই শিক্ষার্থী জানান, “আক্কাছ আলীর বিভিন্ন হুমকি এবং তৎকালীন উপাচার্যের সাথে তার অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক থাকায় আমরা ওইসময় প্রতিবাদ করতে পারিনি। কিন্তু এখন আমরা এই ঘটনার বিচার চাই যাতে ভবিষ্যতে এধরণের কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়”

    এদিকে এই ১৭ জন শিক্ষার্থীর পূর্বের ৬ টি সেমিস্টারের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা তাদের অধিকাংশেরই পূর্বের সেমিস্টারগুলোতে সিজিপিএ ৩.২৫ এর ওপরে ছিলো।

    এ বিষয়ে আক্কাছ আলী ব্যতিত অপর তিন শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, তারা সকলেই পারফরম্যান্স অনুযায়ী নাম্বার দিয়েছিলেন কিন্তু তাদের প্রদত্ত গ্রেড পরিবর্তিতে পরিবর্তন করা হয়েছিলো কিনা এটি তারা নিশ্চিত করে বলতে পারছেননা এবং এ বিষয়ে তৎকালীন পরীক্ষা কমিটির সভাপতির সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

    শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে আক্কাছ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বেলন, “আমি কিছু করিনি, এ বিষয়ে আর কোনো বক্তব্য দিতে চাচ্ছিনা”

    উল্লেখ্য, দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গত ১৯ এপ্রিল সিএসই বিভাগের সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কারসহ চার বছরের জন্য সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে আক্কাছ আলীকে।

    Comments

    comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী