• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    শিশুদের ইউরোলজিক্যাল সমস্যা

    অনলাইন ডেস্ক | ০৮ জুলাই ২০১৭ | ৬:২৩ অপরাহ্ণ

    শিশুদের ইউরোলজিক্যাল সমস্যা

    বাচ্চার জন্মের পর ইউরোলজিক্যাল সমস্যা হতে পারে। বাচ্চা জন্মগতভাবে কিছু ত্রুটি নিয়ে আসেতে পারে। আবার কিছু খুব নতুন করে তৈরি হতে পারে। প্রস্রাবে সংক্রমণ হতে পারে।


    ইউরোলজিক্যাল সমস্যা বলতে সাধারণত কিডনি, ইউরেটার, ব্লাডার, ইউরেথ্রা এইগুলো নিয়ে ইউরোলজি বিভাগটি তৈরি। এগুলোর যেই সমস্যা সেগুলো হলো ইউরোলজিক্যাল সমস্যা। প্রস্রাব তৈরি হওয়া থেকে প্রস্রাব বের হওয়া পর্যন্ত পুরোটা পথের যেকোনো জায়গায় যেকোনো সমস্যা হতে পারে। বড়দের যেমন ইউরোলজিক্যাল সমস্যা হয়, তেমনি বাচ্চাদেরও ইউরোলজিক্যাল সমস্যা হয়।

    ajkerograbani.com

    জন্মগতভাবে কিছু ত্রুটি নিয়ে আসে। আবার কিছু খুব নতুন করে তৈরি হয়। জন্মগত ত্রুটি হতে পারে, জন্মগতভাবে একটি কিডনি নেই। কিডনির জায়গায় দেখা গেলো ইউরেটার দুইটা। আবার ব্লাডার যেভাবে থাকার কথা সেভাবে না থেকে বের হয়ে আছে। আবার দেখা গেল, ছেলেবাচ্চাদের প্রস্রাবের যে মুখ সেটি সামনে না থেকে নিচের দিকে। এগুলো হলো সাধারণত জন্মগত ত্রুটি। এ ছাড়া আরো কিছু ত্রুটি আছে। তবে এ ত্রুটিগুলোকেই সাধারণত প্রচলিত।

    বাচ্চার ইউটিআই হতে পারে। প্রস্রাব ঝরে। প্রস্রাবের রাস্তায় পাথর হতে পারে। বাচ্চাদের সাধারণত জন্মগত ত্রুটি থেকে বিভিন্ন সমস্যা প্রকাশ পায়। জন্মের আগে থেকে দেখা গেল একটি বাচ্চার কিডনিতে পানি। এ ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। বাচ্চার স্বাভাবিকভাবে প্রসব হওয়ার যে বিষয় সেটি হবে। এরপর আলট্রাসনোগ্রাম করে যদি কোনো সমস্যা দেখা যায়, কিডনি থেকে যে প্রস্রাব তৈরি হয়, সেটি তৈরি হওয়ার যে রাস্তা, ইউরেটার দিয়ে আসার সেই মুখটায়, কিডনি ও ইউরেটারের সংযোগস্থলে চিকন থাকে। এতে প্রস্রাব যেই ধারায় আসার কথা সেই ধারায় না এসে,ফোঁটায় ফোঁটায় আসে।এতে ওপরের দিকে প্রস্রাব জমে যায়।এটি সার্জারির মাধ্যমে ঠিক করা হয়। ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব পড়ে। প্রস্রাব পড়ার সময় কান্নাকাটি করে, চিৎকার দিচ্ছে, সারা দিন প্রস্রাব ঝরছে, তলপেটটা ফোলা।এরকম সমস্যা যতো নিয়ে আসে, তখন প্রস্রাবের থলির পর যে রাস্তা দিয়ে প্রস্রাব বের হবে, সেখানে বাধা পায়। দেখা যায়, প্রোসটেরিয়াল ইউরেথ্রাল ভাল্ভ, একটি মেমব্রেন থাকে, সেটি প্রস্রাবের মুখে একধরনের বাধার সৃষ্টি করে। মাঝখানে যদি ছোট্ট একটি ছিদ্র দেখা যায়, সেখানে যে চাপ দেয়, তখন একটু প্রস্রাব যায়, স্বাভাবিকভাবে যে প্রস্রাব যাওয়ার কথা সেটি যায় না। গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় দেখা যায় প্রস্রাবের যে থলি, তার গঠন সঠিকভাবে না হয়ে, এর ওপর যে নিউরোলজিক্যাল নিয়ন্ত্রণ সেটি থাকে না। নিউরোজেনিক ব্লাডার। সেখান থেকেও সে প্রস্রাব ঠিকমতো করতে পারে না। এ ছাড়া আরো যে সমস্যা কিডনি থেকে প্রস্রাব তৈরি হয়ে ইউরেটার দিয়ে যখন প্রস্রাবের থলিতে আসবে, সেই থলি ও প্রস্রাবের ইউরেটারের সংযোগ স্থলে দেখা যায় চিকন। সেটা একটি সমস্যা। সেগুলো হলেও সার্জিক্যালভাবে ঠিক করা হয়।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757