• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    শিশুর সুস্থ দেহ ও মনের জন্য করণীয়

    অনলাইন ডেস্ক | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ | ১১:২৭ অপরাহ্ণ

    শিশুর সুস্থ দেহ ও মনের জন্য করণীয়

    শিশুকে বড় করতে গিয়ে বহু বাবা-মা নিজের অজান্তেই এমন কিছু ভুল করেন, যার মাশুল দিতে হয় অনেক মূল্য দিয়ে। তবে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে এ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
    ১. শিশুর শৈশব ভরিয়ে দিন আপনার সংস্পর্শে। তার সঙ্গে খেলুন, আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে নিয়ে যান, দূরে কোথাও ঘুরে আসুন। সন্তানের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক যেন হয় বিশ্বাস আর ভালোবাসার।
    ২. নিজের রাগ বা বিরক্ত কখনই শিশুর উপর প্রকাশ করা ঠিক না।
    ৩. অন্যদের সঙ্গে কীভাবে মিশতে হয় তা শেখান। শিশুরা খেলার সময় কোনো সমস্যায় পড়লে তা তাদের সমাধান করতে দিন। অন্যের মতের প্রতি কীভাবে সম্মান দেখাতে হয় তা শিক্ষা দিন।
    ৪. সন্তানকে খাওয়া, ঘুম, খেলার সময় নির্দিষ্ট করে দিন। এতে সে সময়ানুবর্তিতা শিখবে।
    ৫. শিশুকে অযথা কোনো কিছুর লোভ দেখানো যাবে না।
    ৬. যেকোনো ভালো কাজের জন্য তার প্রশংসা করুন, তা যতই ছোট হোক। খারাপ কাজের জন্য কখনো বকা দেবেন না, বুঝিয়ে বলুন কাজটি কীভাবে করা উচিত ছিল।
    ৭. বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুর একটি নিজস্ব জগৎ গড়ে ওঠে, তাতে আমাদের বাধা দেয়া উচিত নয়, বাধা দেয়ার প্রয়োজন হলেও তার উপযোগী করে আমাদের বোঝানো উচিত, যাতে সে বুঝতে পারে বিষয়টি।
    ৮. শিশুর মনে থাকে হাজার প্রশ্ন, শিশু যখন তার জানার আগ্রহ প্রকাশ করে, তখন আমাদের উচিত শিশুদের কৌতুহল মেটানো, তাদের প্রতি বিরক্ত প্রকাশ না করা, তারা যেন কোনো অবস্থাতেই নিরুৎসাহিত বোধ না করে।
    ৯. শিশুকে পরিমিত আদর করতে হবে, অতিরিক্ত আদর ক্ষতিকর।
    ১০. শিশুর সব চাহিদা সঙ্গে সঙ্গে পূরণ করা ঠিক নয়। তার চাহিদা পূরণ করা বা না করার পেছনে যুক্তি দিয়ে তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। এতে করে শিশু অতিরিক্ত জেদ করা শিখবে না এবং বুঝতে শিখবে চাইলেই পাওয়া যায় না।
    ১১. সন্তানকে সততার শিক্ষা দিন। দায়িত্ব সম্পর্কে বোঝান। বড়দের সম্মান করতে শেখান। তাকে বোঝান সব কাজে ধৈর্য ধারণ করতে হয়। এসব শিক্ষার মাধ্যমে তার জীবনের মজবুত ভিত্তি তৈরি হবে।
    ১২. পারিবারিক বিষয়ে রাগারাগি, হইচই শিশুর সামনে করা উচিত নয়, বড়দের বিষয় নিয়ে ছোটদের সামনে কথা বলা উচিত নয়। এতে শিশু এককেন্দ্রিক বা মানসিক প্রতিবন্ধীও হয়ে যেতে পারে।
    ১৩. শিশুকে দল বেঁধে খেলার সুযোগ দিন, এতে সে নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়টা শিক্ষা লাভ করতে পারে।
    ১৪. শিশুদের খেলনা নির্বাচনে সতর্ক হতে হবে। পিস্তল জাতীয় খেলনা না দিয়ে সৃজনশীল খেলার জিনিস দিতে হবে।
    ১৫. তাদেরকে চার দেয়ালের মধ্যে আটকে না রেখে অন্য ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মিলামেশার সুযোগ করে দিন। পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে দিন।
    ১৬. সন্তানের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। তাকে নতুন নতুন বই উপহার দিন। একটা বই পড়া শেষ হলে তার কাছে বইটি সম্পর্কে জানতে চান।
    ১৭. তাদেরকে নিজের কাজ নিজে করার অভ্যাস তৈরি করা উচিত। যেমন- নিজের কাপড় গোছানো, খেলনা গোছানো, জুতা পরা, দাঁত মাজা, চুল আঁচড়ানো ইত্যাদি।
    ১৮. শিশুকে শুধুই আদর করতে হবে, শাসন করা যাবে না, এটা ঠিক নয়, তবে শাসনের ধরনটা এমন হওয়া উচিত যাতে সে বুঝতে পারে কেন শাসন করা হলো।
    ১৯. শিশুকে নির্দিষ্ট বয়সে স্কুলে পাঠান, নির্দিষ্ট বয়সের আগে বা পরে না।
    ২০. শিশু রোবট নয়। তাকে বাড়তি দায়িত্ব দেবেন না। আনন্দে রাখুন। তার চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা করুন।


    Facebook Comments


    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4669