মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৯, ২০২১

সম্পদের ভিত্তিতে পরিশোধ পদ্ধতি নির্ধারণ হবে

ডেস্ক রিপোর্ট   |   মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১ | প্রিন্ট  

সম্পদের ভিত্তিতে পরিশোধ পদ্ধতি নির্ধারণ হবে

অভিযুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক হিসাবের স্থিতি এবং অন্যান্য সম্পদের ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কোথায় কী সম্পদ আছে তার তথ্য জানতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) নেতৃত্বে পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা এসবি, সিআইডি এবং জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে।\হই-কমার্সে প্রতারিত গ্রাহকদের জন্য করণীয় নির্ধারণে মন্ত্রিসভা গঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর এ কমিটি গঠন করা হয়। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কমিটি প্রথম বৈঠক করে। কমিটির আহ্বায়ক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য) এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক, আইসিটি বিভাগ, ক্যাব, ই-ক্যাব, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।\হবাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জশপ, আদিয়ান মার্ট, আলেশা মার্ট, দালাল প্লাস, আলাদিনের প্রদীপ, বুব বুম, ফালগুনী শপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান ক্রেতা ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না। অনেক ক্রেতা পণ্যের আগাম মূল্য পরিশোধ করলেও তারা প্রতিশ্রুত সময়ে পণ্য পাননি। আবার প্রতিষ্ঠানগুলো যাদের কাছ থেকে পণ্য নিয়েছে, তাদের পাওনাও সময়মতো পরিশোধ করেনি।\হগতকালের বৈঠক শেষে এ এইচ এম সফিকুজ্জামান সমকালকে বলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কমিটির কাছে কিছু বিষয়ে সুপারিশ চেয়েছে। সেজন্য তথ্যউপাত্ত দরকার। এ জন্য কয়েকটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি আগামী সাত দিনের মধ্যে তথ্যউপাত্ত সংগ্রহ করবে। এগুলো পর্যালোচনায় আগামী সপ্তাহে পুনরায় বৈঠক করা হবে। তারপর সুনির্দিষ্ট সুপারিশসহ প্রতিবেদন তৈরি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেওয়া হবে।\হমন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কমিটিকে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে ইন্টার অপারেবিলিটি পদ্ধতি প্রণয়ন, নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রক্রিয়া, আর্থিক লেনদেন, ব্যাংকের স্থিতি ও সম্পদের তথ্য সংগ্রহ, ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা, নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি, লেনদেন এবং এসব প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট ও করের আওতায় আনার বিষয়ে সুপারিশ করার দায়িত্ব দিয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এসব বিষয়ে সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে হবে। তিনি আরও বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তাতে অবশ্যই ই-কমার্সের ক্ষতি হয়েছে। সরকার ই-কমার্সকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে চায়। এর কোনো বিকল্পও নেই। যে ঘটনা ঘটেছে তার ক্ষতি কীভাবে কাটিয়ে সামনে এগোনো সরকারের মূল লক্ষ্য। সেজন্য এ কমিটি কাজ করছে। ইতোমধ্যে নিবন্ধনের ফরম্যাট হয়ে গেছে। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে একটি সভা করা হবে। এরপর থেকে সবাইকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। অনলাইনে নিবন্ধন নিতে হবে।\হক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের টাকা উদ্ধারে কোনো উদ্যোগ আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে টাকা চলে গেছে, সে বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন। এই কমিটি টাকা উদ্ধারের পদ্ধতি বিষয়ে সুপারিশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাবে। কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে তা ঠিক করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া বা অন্য কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা হতে পারে।


Posted ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১