• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    সাজার আশঙ্কায় বিএনপির যে দুই ডজন সিনিয়র নেতা

    অনলাইন ডেস্ক | ০৪ আগস্ট ২০১৭ | ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

    সাজার আশঙ্কায় বিএনপির যে দুই ডজন সিনিয়র নেতা

    আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগেই বিএনপি শাসন আমলের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ দলের সিনিয়র দুই ডজন নেতা ফৌজদারী মামলায় সাজা পাওয়ার শঙ্কায় আছেন। দলটির স্থায়ী কমিটির অন্তত ১২ জন নেতার কোন না কোন মামলার বিচার কাজ শেষ পর্যায়ে। আড়াইশ’ কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে চলছে ৫ হাজারের বেশি মামলা। বিএনপি নেতারা মনে করছেন, জাতীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতেই এসব মামলা দ্রুত শেষ করার ষড়যন্ত্র করছে সরকার।


    দুর্নীতি, অর্থআত্মসাৎ, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, হত্যা, বিস্ফোরণ ও পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে সারাদেশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে অন্তত ২৫ হাজার মামলা। সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপি শাসন আমলের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় ২৪ নেতার বিরুদ্ধে মামলা আছে ১ হাজার ২১৪টি। দ্রুত বিচার আইনের পাশাপাশি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামিও অনেকেই।

    ajkerograbani.com

    জাতীয় নির্বাচনের আগেই এসব মামলায় নেতাদের সাজা হওয়ার শঙ্কা ও দুশ্চিন্তায় দলের হাইকমান্ড। এ সম্পর্কে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, ‘এখনতো প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। নির্বাচনকে নিজের মতো করছে। আবার দলীয় নেতাদের সাজা দিয়ে দেয়া হলে তারাতো আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।’

    এদিকে অর্থ পাচারের এক মামলায় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৭ বছরের সাজা হয়েছে। ফলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তার অংশ নেয়া অনিশ্চিত। একই অবস্থা ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার। বিদেশে পলাতক অবস্থায় এক মামলায় তার সাজা হয়েছে ১৩ বছরের।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে দায়ের করা ৮৬টি মামলার মধ্যে ৪২টির অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। কয়েকটি মামলার বিচার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেনের ৬টি মামলার সবকটি’র অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ১৬ মামলার ৯টি, তরিকুল ইসলামের ৮ মামলার ৫টি, এমকে আনোয়ারের ৩০ মামলার ১৮টির অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে।

    ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার ২৬ মামলার ১৪টি, মির্জা আব্বাসের ৪৩ মামলার ২৮টি, গয়েশ্বর রায়ের ৩৫ মামলার ১৮টি, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ৯ মামলার ৩টি ও ভারতে থাকা সালাউদ্দিন আহমেদের ২৫ মামলার কয়েকটিতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। এদের সবার বিরুদ্ধেই কোন না কোন মামলার বিচার কাজ শেষ পর্যায়ে। এ বিষয়ে বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘জয়নুল আবেদীন বলেন, এমন কোন নেতা নেই যাদের ১০টির নিচে মামলা আছে। সরকার চায় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীকে মামলা দিয়ে একতরফা নির্বাচন করতে।’

    এছাড়া দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ ভুলুর বিরুদ্ধে ৬০টি, আব্দুল আওয়াল মিন্টুর ২২টি, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে ৪০টি, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৫০টি, মোহাম্মদ শাজাহানের নামে ২২টি মামলা রয়েছে। দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৯০টি মামলা আছে। এসব মামলার অনেকগুলোর বিচার কাজ শেষ পর্যায়ে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755