শনিবার ২৪শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সামজিক দূরত্ব মানছেন না মুকসুদপুর উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া গ্রামের অনেকেই

অগ্রবাণী রিপোর্ট   |   শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০ | প্রিন্ট  

সামজিক দূরত্ব মানছেন না মুকসুদপুর উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া গ্রামের অনেকেই

মুকসুদপুর উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া গ্রামের সামজিক দূরত্ব মানছেন না অনেকেই। পশারগাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সভাপতি বাবুল কুমার দে জানান, তারা নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে রাজধানী ও আশপাশের জেলা শহর থেকে আসা অনেকের বাড়িতেই বাড়তি সতর্কতা হিসেবে সচেতন করার জন্য সতর্কতা হিসেবে বিজ্ঞপ্তি টাংগিয়ে দিয়েছেন। তাতেও সাবধান করা যাচ্ছে না। কিন্তু এই গ্রামে হাটে ঘুরে দেখা যায় গায়ে গায়ে লেগে কেনা-বেচা করছে প্রত্যেকে। এক্ষেত্রে এই গ্রামটি লকডাউন করা খুবই জরুরী। নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা অনেক পোশাক শ্রমিক রয়েছে এই গ্রামে। এদের মাধ্যমে ভাইরাসের প্রকোপ বিস্তার লাভ করতে পারে বলে আশংকা গ্রামবাসীর। ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যাদের মধ্যে এ ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ থেকে ফেরত আসা মানুষদের যোগসাজশে ছিল।
গ্রামের মসজিদ গুলোতে লোকসমাগম এখনো কমেনি বরং বেড়েছে। কে শোনে কার কথা? এমনো দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা এক কর্মজীবিকে ঘরে থাকার জন্য বলা হলে উক্ত পরিবারের বাকি সদস্যরা ঝগড়া শুরু করে দেয়। সুতরাং এই গ্রামের পরিস্থিতি কেমন সেটা বোঝানোর জন্য এই উদাহরণটিই যথেষ্ট। তবে একটা কথা বলতেই হয় সরকার কিংবা প্রশাসন যতই ব্যবস্থা গ্রহণ করুক না কেন নিজেরা সাবধান এবং বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা প্রদত্ত নিয়মাবলি না মেনে চললে করোনা প্রতিরোধ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। প্রশাসনের উদ্যোগে নির্দিষ্ট সময় পরপর পুলিশ, সেনাবাহিনীর টহলের কারণে বাজারে সাময়িক সতর্ক হচ্ছে আবার আইন শৃংখলা বাহিনী চলে গেলে আবার সমাগম করছে।

কৃষ্ণাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ইউসিবিএল ব্যাংকের এডিপি নাদিরা পারভীন বলেন, এত কড়াকড়ি সত্ত্বেও আমাদের গ্রামে এতো লোক কিভাবে করোনাপ্রবন এলাকা থেকে গ্রামে আসছে? ব্যাপারটি বড়ই দু;খজনক ও উদ্বেগের।
বিজিএমসির এজিএম একই গ্রামের বাসিন্দা আশীষ কুমার দে বলেন, জেলা প্রশাসন স্থানীয় হাট বন্ধ করা সত্ত্বেও মনে হচ্ছে ঈদের হাট বসেছে। তিনি সচেতন হতে গ্রামবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন এবং নিরাপদে থাকতে আহবান জানান।
গ্রামের দোকান বন্ধ থাকলেও সামনে গিয়ে খোঁজ নিলে ভিতর থেকে কন্ঠ ভেসে আসে কি লাগবে ভাই? দোকানপাট ও যেমন খোলা তেমনি মানুষ ও কিন্তু বাজারে ও আসছে না। মানুষ না গেলে দোকানের ভিতর দোকানী থাকার কথা না। চোর-পুলিশ খেলা চলছে। পুলিশের ভয়ে সেনাবাহিনীর উপস্তিতির কারণে জনসাধারণ অনেকেই বাড়িতে অবস্থান করছে। কিন্তু বাড়িতে অবস্থান যে অত্যন্ত জরুরি সেকথা বিবেচনায় নিয়ে বাড়িতে থাকার অভ্যাস করতে হবে। অন্যথায় করোনার প্রকোপ থেকে এই গ্রাম তথা মুকসুদপুরসহ অত্র এলাকায় শংকা রয়েই গেছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছে সেইসাথে খেলার মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে হাট বসানো যেতে পারে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box


Posted ১২:২৮ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১