• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    সীমান্তে ফাঁকাগুলির কথা অস্বীকার মিয়ানমারের

    অনলাইন ডেস্ক | ০২ মার্চ ২০১৮ | ৭:০৮ অপরাহ্ণ

    সীমান্তে ফাঁকাগুলির কথা অস্বীকার মিয়ানমারের

    সীমান্তে ফাঁকাগুলি ছোড়ার ঘটনা অস্বীকার করেছে মিয়ানমার। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য সীমান্তে অতিরিক্ত সেনাসমাবেশ ছাড়াও নো ম্যানসে থাকা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে ফের আশ্বাস দিয়েছে মিয়ানমার।


    সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি)-এর মধ্যে বৈঠকে তারা বিষয়টি অস্বীকার করে।


    বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্তের জিরো পয়েন্টে শুক্রবার বিকেল সোয়া তিনটার দিকে বৈঠক শুরু হয়। দেড়ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে বাংলাদেশের হয়ে তমব্রু ও ঘুমধুম নিয়ন্ত্রণকারী ৩৪ ব্যাটেলিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মঞ্জুরুল আহসান খানের নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

    এর আগে শুক্রবার সকালে লে. কর্নেল মঞ্জুরুল আহসান খান সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল সকালে মিয়ানমার সীমান্তে শক্তি বৃদ্ধি করায় আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারা আজ বেলা ৩টায় বাংলাদেশ সীমান্তের ঘুমধুম পয়েন্টে পতাকা বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে। সীমান্তে বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। একইসাথে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তমব্রু সীমান্তের ওপারে দেড়শ’ গজের মধ্যে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত লুইন উকে তলব করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    এ সময় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে বলা হয়, এ ধরনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি সীমান্তে বিভ্রান্তির পাশাপাশি উত্তেজনা ছড়াবে। তাই ওই এলাকা থেকে সামরিক সরঞ্জামাদি সরিয়ে নিতে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলেন তিনি। এ ব্যাপারে তার কাছে একটি কূটনৈতিক পত্র দেওয়া হয়।

    এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামে বিজিবির ৯১তম ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, বিজিবি সেখানে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। দেশের ভেতরে এসে কেউ বিশৃঙ্খলা করবে, এটা অসম্ভব।

    ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর রাখাইন রাজ্য থেকে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে পালিয়ে আসে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এর আগে আসে আরও ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। প্রায় ১১ লাখের মধ্যে ইতোমধ্যে ১০ লাখ ৭৬ হাজার রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন হয়েছে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4673