• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    সুইট হোম

    অনলাইন ডেস্ক | ১৫ এপ্রিল ২০১৭ | ৭:৫৫ অপরাহ্ণ

    সুইট হোম

    সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে ফিরে আসি ছোট্ট সুখের নীড়, আমাদের সুইট হোমে। প্রিয় ঘরটিকে শান্তির নীড় গড়ে তুলতে হলে কিছু কাজ তো করতেই হয়। প্রথমে আসে সুস্থতার কথা। সুস্থ থাকতে ঘরকে জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।


    রান্নাঘর থেকে শোবার ঘর বাড়ির প্রতিটি স্থানই গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখতে যা করতে হবে:

    ajkerograbani.com

    ● বাসন-কোসন ডিশওয়াশারে নেওয়ার আগে আবার ধুয়ে নেওয়ার কোনো মানে হয় না। এতে সময় ও পানির অপচয় ঘটে। এগুলো ধোয়ার আগে এঁটো খাবার অবশ্যই ময়লার ঝুরিতে ফেলে দেবেন। এতে কিচেন সিংক অপরিষ্কার হবে না। বাসন ধোয়ার ডিটারজেন্ট ব্যবহার করুন।

    ● কাপড় এখানে-ওখানে ছুড়ে ফেলা উচিত নয়। চেয়ার-টেবিল বা বিছানায় রাখলে বাড়ি সৌন্দর্য হারাবে। কাপড় ঝোলানোর আলাদা ওয়াল হ্যাঙ্গারের ব্যবস্থা রাখুন। সেখানেই কাপড় রেখে দিন।

    ● কাপড় ও কোট ঝোলাতে অনেকেই তারের হ্যাঙ্গার কিনে আনেন। আসলে এতে কাপড়ের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তার কোথাও কেটে গেলে তাতে কাপড় ফুটো হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া মরিচা পড়ার শঙ্কাও থাকে।

    ● স্মার্টফোন অ্যালার্ম ঘড়ি হিসেবে ব্যবহার করবেন না। মাথার কাছে ফোন নিয়ে ঘুমালে তা ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। ফোনের জ্বলজ্বলে পর্দা রাতের আঁধারে চোখের জন্য ক্ষতিকর।

    ● ঘুম থেকে উঠেই অনেকে বিছানা গুটিয়ে ফেলেন। আসলে গোটা রাতে বিছানার চাদরে মৃত ত্বক, ঘাম ও অ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদান থাকতে পারে। তাই রোদ ও বাতাসে কিছুক্ষণ শুকিয়ে নিতে হবে।

    ● বাড়িতে বিভিন্ন জিনিস রাখার জন্য বাড়তি ব্যবস্থা রাখা উচিত নয়। এতে শুধু স্থান দখল হবে। তাই বাড়তি বাক্স-পেঁটরা স্টোরে ফেলে রাখুন।

    ● অন্তর্বাস ভাঁজ করে রাখতে নেই। এটি ছড়িয়ে রাখতে হয়। ড্রয়ারে রাখলেও ভাঁজ খুলে রাখুন।

    ● অনেকেই বাড়িতে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করে থাকেন। ধুলো-ময়লায় এটি পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত পরিষ্কার না করার অভ্যাস ছাড়তে হবে। ক্লিনারের দুই-তৃতীয়াংশ ময়লায় ভরে গেলেই পরিষ্কার করে ফেলুন।

    ● করিডর বা যে অংশে হাঁটাচলা বেশি হয়, সেখানে বেশি কিছু রাখবেন না। এতে চলার পথে বাধার সৃষ্টি হয়। এই অংশটি পরিষ্কারও রাখা উচিত।

    ● কিচেন সিংক এমন এক স্থান, যা জীবাণুতে পূর্ণ থাকে, অনেকটা টয়লেটের মতো। তাই এটি ব্যবহারের পরই পরিষ্কার করে রাখা দরকার। এ কাজে অবহেলা করবেন না।

    ● অনেকে বাসন ধুয়ে পানি ঝেরে ফেলতে হাত ব্যবহার করেন। স্বাস্থ্যকর উপায়টি হলো স্যানিটারি তোয়ালের ব্যবহার। এটি দিয়ে পানি মুছে ফেলুন।

    ● বাড়ির ভেতরে বাইরের জুতা পরে ঘোরাঘুরি করবেন না। বিজ্ঞানীরা এক জোড়া জুতায় চার লাখ ২১ হাজার ব্যাকটেরিয়া খুঁজে পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে মারাত্মক ই কোলি ব্যাকটেরিয়া। কাজেই বাইরে থেকে জুতা পরে ঢুকে সু স্টোরে রেখে দিন। বাড়িতে খালি পায়ে কিংবা আলাদা স্যান্ডেল পরুন।

    ● বাসন ধোয়ার স্পঞ্জ ব্যবহারের পর সেভাবেই ফেলে রাখবেন না। টেপের পানিতে ধরে চিপে ময়লা ঝরিয়ে নিন। এর মধ্যে প্রচুর জীবাণু থাকে। প্রতিবারই ধুয়ে এমন স্থানে রাখুন যেন দ্রুত শুকিয়ে যায়।

    ● বাড়িতে সুগন্ধি ছড়াতে দামি এয়ার ফ্রেশনার কিনবেন না। এগুলো বায়ুদূষণ করে। তার চেয়ে বরং কয়েক ফোঁটা ভ্যানিলার নির্যাস বাল্বের ওপর ছড়িয়ে দিন। এমন বাল্ব হবে, যা খুব বেশি গরম হয় না। যখনই বাল্ব জ্বালাবেন, একটা মিষ্টি গন্ধ ছড়িয়ে পড়বে ঘরে।

    ● ময়লা তাড়াতে বেশ কাজে ব্লিচ। কিন্তু সব কিছু ব্লিচিং পাউডার দিতে ধুতে যাবেন না। এ ছাড়া যা ধুবেন তা ঘষামাজা করে নেবেন।

    ● নিয়মিত ঘরের সব আসবাব পরিষ্কার করতে হবে। অপ্রয়োজনে অতিরিক্ত আসবাব দিয়ে ঘরের জায়গা আটকে রাখা ঠিক নয়। ঘরে আলো-বাতাস যাতায়াতের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখুন। কাপড় এলোমেলো করে না রেখে গুছিয়ে আলমারিতে রাখুন। ছোট কোনো গাছ রাখতে পারেন কর্নার টেবিলে।

    ● রান্নাঘরে কাজ করার সময় নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। ছুরি, কাঁচি, বটি সাবধানে রাখুন। স্বচ্ছন্দে রান্না করার জন্য এ ঘরটি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন। রান্নার প্রয়োজনীয় জিনিস কেবিনেটে রাখতে হবে। চাল, ডাল, তেল, মশলার কৌটার গায়ে নাম লিখে কেবিনেটে রাখুন।

    ● অতিথি এসে প্রথমে আমাদের বসার ঘর দেখে, আর তাই এ ঘরটি হতে হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং গোছালো। এ ঘরে ব্যবহৃত সোফা, টিভি, কার্পেট ধুলা এবং জীবাণুমক্ত রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

    ● বাড়ির বাথরুম প্রতিদিন জীবাণুনাশক ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করুন। প্রয়োজনীয় প্রসাধনী দ্রব্যগুলো আয়নার পেছনের তাকে রাখুন। বাথরুমের মেঝে নিয়মিত পরিষ্কার এবং শুকনো রাখুন ।

    ঘরের পরিচ্ছন্নতার ওপর পরিবারের সদস্যদের সুস্থতা অনেকখানি নির্ভর করে। বিশেষ করে ঘরে যদি ছোট শিশু থাকে তবে এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে।

    Facebook Comments Box

    বিষয় :

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757