• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    সেই নাপিত গ্রেফতার

    অগ্রবাণী ডেস্ক | ০১ আগস্ট ২০১৭ | ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ

    সেই নাপিত গ্রেফতার

    বগুড়ায় ছাত্রী ধর্ষণ ও পরে মাসহ তার মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় সেই নাপিত জীবন রবি দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
    সোমবার বিকেলে নির্যাতনের মামলায় জীবন রবি দাসসহ সাত জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে পাঠিয়েছেন বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শ্যামসুন্দর রায়। জীবনসহ ছয় জনের দুই দিন করে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। আর ঘটনার মূল হোতা শ্রমিক লীগের বহিষ্কৃত নেতা তুফান সরকারের স্ত্রীর বড় বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকিকে চার দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।
    রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া অন্য আসামিরা হলেন—তুফানের শাশুড়ি ও কাউন্সিলর রুমকির মা রুমি বেগম, শ্বশুর জামিলুর রহমান রুনু, তুফানের স্ত্রী আশা সরকার এবং তার গাড়িচালক জিতু ও মুন্না।
    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার ওসি (অপারেশন্স) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে কে কিভাবে সম্পৃক্ত হলো সেটা জানার জন্যই সকলকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।’
    তিনি আরও বলেন, ‘যে বাড়িতে কিশোরী ও তার মাকে নির্যাতন করা হয় সেই বাড়ির মালিক ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুমকির বাবা জামিলুর রহমান রুনু। আর যাকে দিয়ে মাথা ন্যাড়া করানো হয়েছে সেই ব্যক্তির নাম জীবন রবিদাস। ঘটনাস্থলের কাছেই তার জীবন হেয়ার কাট নামে একটি দোকান রয়েছে।’


    এর আগে সকালে গাবতলী উপজেলার সোনারায় গ্রাম থেকে জীবন রবি দাসকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় পাবনা থেকে কাউন্সিলর রুমকি ও তার মা রুমি বেগম এবং ঢাকার সাভার থেকে প্রধান আসামি তুফানের স্ত্রী আশা ও তার গাড়িচালক জিতু ও মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ছাড়া রোববার রাতে বগুড়ায় নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় কাউন্সিলর রুমকির বাবা জামিলুর রহমান রুনুকে।
    গত ১৭ জুলাই বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেন শ্রমিক লীগ বগুড়া শহর শাখার আহ্বায়ক (বর্তমানে সাময়িক বহিষ্কৃত) তুফান সরকার। এর ১০ দিন পর ওই কিশোরী ও তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মাথা ন্যাড়া করে বেধড়ক পেটানো হয়।
    ধর্ষণ ও নির্যাতনের ওই ঘটনায় মেয়েটির মা গত শুক্রবার (২৮ জুলাই) রাতে তুফান সরকার, তার স্ত্রী আশা এবং স্ত্রীর বড় বোন ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুমকিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেন। এরইমধ্যে এজাহারভুক্ত ৯ আসামিসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
    মামলার পর ওই রাতেই তুফান ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে তুফান এবং দুই সহযোগী আলী আজম ওরফে ডিপু ও রূপমকে রোববার তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। আর আতিকুর রহমান নামের একজন শনিবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় তার রিমান্ড চাওয়া হয়নি।
    এদিকে, সোমবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে বগুড়ার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত সঠিক গতিতেই চলছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা সবাই কিশোরী ও তার মাকে নির্যাতনের ওই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
    তিনি আরও বলেন, ‘শুধু এজাহারভুক্ত আসামিরাই নয়, বরং যে বাড়িতে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে সেই বাড়ির মালিক এবং যে মাথা ন্যাড়া করে দিয়েছে সেই নাপিতকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত বাকি যে একজন পলাতক রয়েছে তাকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। অপরাধীরা কেউ রেহাই পাবে না।’

    ajkerograbani.com

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4755