• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ২০১৯ সালে যেসব নেতাদের হারিয়েছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি

    ডেস্ক | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৯:১০ পূর্বাহ্ণ

    ২০১৯ সালে যেসব নেতাদের হারিয়েছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি

    ২০১৯ সালে রাজনৈতিক অঙ্গন অনেককেই হারিয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তাদের অবদান চিরস্মরণীয়। সেসব বরেণ্য রাজনীতিবিদদের তুলে ধরা হলো;


    সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

    ajkerograbani.com

    ৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল মারা যান। তার বয়স হয়েছিলো ৬৭ বছর। ব্যাংককের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সৈয়দ আশরাফ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জানা যায়, ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ৬৭ বছর বয়সী সৈয়দ আশরাফ বেশ কিছুদিন ধরে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অসুস্থতার কারণে গত সংসদ থেকে ছুটিও নিয়েছিলেন তিনি। দেশে না থেকেও গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৈয়দ আশরাফ কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে আশরাফ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দুই মেয়াদে ওই দায়িত্ব পালনের পর তিনি আমৃত্যু দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

    শেখ আব্দুল আজিজ

    ৯ এপ্রিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন একমাত্র জীবিত সদস্য প্রাক্তন মন্ত্রী, খুলনা-বাগেরহাটের রাজনীতির কিংবদন্তি পুরুষ শেখ আব্দুল আজিজ মারা যান। ঢাকার গুলশান-১ এ তার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

    মঞ্জুর আহমেদ বাচ্চু মিয়া

    ১৮ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুর আহমেদ বাচ্চু মিয়া (৮৪) ইন্তেকাল করেছেন। ঢাকার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি স্ত্রী দুই ছেলে ও তিন মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

    তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক

    ৩১ জানুয়ারি রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক মারা যান। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জানা যায়, ওইদিন সন্ধ্যায় তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারুক হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর রাজশাহী উপ-শহরের বাড়ি থেকে তাকে রামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ পরই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    নুরুল আলম চৌধুরী

    প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল আলম চৌধুরী ২৭ জানুয়ারি ইন্তেকাল করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ কিডনিসহ বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভূগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রথম সভাপতি, সাবেক রাষ্ট্রদূত, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম চৌধুরী মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক পুত্র, অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্খি ও রাজনৈতিক অনুসারী রেখে গেছেন।

    খন্দকার আব্দুল বাতেন

    ২১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সাবেক সাংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আব্দুল বাতেন মারা যান। মরহুমের পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি সকালে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার ন্যাম ফ্ল্যাটে ঘুমের মধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

    মোঃ ইকবাল হোসেন

    ৭ ডিসেম্বর সাবেক সংসদ সদস্য, লৌহজং থানা মুজিব বাহিনীর মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন ঢাকার এ্যাপেলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যাসহ বহু আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

    হুমায়ূন কবির

    ২৬ অক্টোবর স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবির মারা গেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে দুবারের সংসদ সদস্য এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার স্ত্রী নায়ার কবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার বর্তমান মেয়র। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগসহ নানান রোগে ভুগছিলেন।

    সিরাজুল ইসলাম

    ১৯৩৫ সালে জন্ম নেওয়া সিরাজুল ইসলাম ২৯ আগস্ট ২০১৯ মারা যান। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সংসদ সদস্য। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের লীগের প্রার্থী হয়ে নোয়াখালী-১২ (হাতিয়া-রামগতি) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নোয়াখালী-১২-কে বিবর্তন করে বর্তমানে নোয়াখালী-৬ ও লক্ষ্মীপুর-৪ গঠন করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি একই সংসদীয় এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদান ছিলো।

    রুশেমা বেগম

    ১০ জুলাই ফরিদপুরের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রুশেমা বেগম মারা গেছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩৩৪ নম্বর আসন ও সংরক্ষিত নারী আসন ৩৪-এর সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি সাইফুল আহাদ সেলিম, আসাদ উদ্দিন আহমেদ ও একমাত্র মেয়ে উর্মি ইমামসহ নিকটজন ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    আশরাফুন্নেছা মোশাররফ

    ১৮ জানুয়ারি মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য আশরাফুন্নেছা মোশাররফ রাজধানীর বেসরকারি একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। আশরাফুন্নেছা দীর্ঘ দিন ধরে বার্ধক্য জনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগে সাড়ে ৩ মাস তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আশরাফুন্নেছা মোশাররফ বিএনপি-জামায়াত বিরোধী আন্দোলন ও ওয়ান-ইলেভেনের সময় শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    আশরাফুন্নেছার স্বামী সাবেক সংসদ সদস্য ও গণপরিষদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত ডা. মোশাররফ হোসেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি মুজিবনগর সরকারের স্বাস্থ্য পরিচালক ছিলেন। দেশের জন্য কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তাকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করা হয়। আশরাফুন্নেছা তিন ছেলে ও চার মেয়ে রেখে গেছেন।

    অন্যদিকে, ২০১৯ সালে রাজনৈতিক অঙ্গন অনেককেই হারিয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির রাজনীতিতে তাদের অবদান চিরস্মরণীয়। সেসব বরেণ্য রাজনীতিবিদদের তুলে ধরা হলো;

    সাদেক হোসেন খোকা

    মুক্তিযোদ্ধা, অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র, সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা মারা গেছেন। সোমবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যানসার সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সাদেক হোসেন খোকা অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত শেষ মেয়র এবং খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার বিভিন্ন মেয়াদে ক্রীড়া, মৎস্য ও পশুসম্পদমন্ত্রী ছিলেন।

    ২০১৪ সালের ১৪ মে সাদেক হোসেন খোকা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যান। সেখানে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে দেশে কয়েকটি দুর্নীতি মামলা হয় এবং কয়েকটিতে আদালত সাজাও দেন।

    ব্যারিস্টার আমিনুল হক

    ২১ এপ্রিল এক মাসের বেশি সময় লাইফ সাপোর্টে থাকার পর মারা গেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আমিনুল হক। ঢাকার গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত আমিনুল হককে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরিয়ে এনে গত ১৪ মার্চ তাকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।

    সাবেক মন্ত্রী আমিনুল হকের বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তার দুই ছেলে-মেয়েই থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে। রাজশাহী-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আমিনুল হক। ১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভাতেও ছিলেন তিনি।

    কাজী আসাদুজ্জামান আসাদ

    ৩ এপ্রিল ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাজী আসাদুজ্জামান আসাদ মারা গেছেন। রাজধানীর হলি ফ্যামেলি হাসপাতালে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি ফুসফুস কান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

    মোজাফফর হোসেন

    ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেন মারা গেছেন।

    রোববার রাত ৯টার দিকে ৬৫ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নগরীর একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু জানান।

    শহিদুল ইসলাম মিজু জানান, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে যান।

    গোলজার আহমদ চৌধুরী

    ২ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য গোলজার আহমদ চৌধুরী মারা যান। এর আগে, তার সহধর্মিনী সৈয়দা জেবুন্নেছা খাতুন একদিন আগে একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যকালে সাবেক এমপি গুলজার দুই মেয়ে, এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

    কবির মুরাদ

    জিয়ার পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মাগুরা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কবির মুরাদ ইন্তেকাল করেছেন। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কবির মুরাদ দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর ল্যাবএইডে ভর্তি করা হয়। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি দুই মেয়ে এবং এক ছেলে সন্তান রেখে গেছেন।

    বজলুল করিম

    ২১ এপ্রিল কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য বজলুল করিম ফালু ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত রোগে ভোগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

    বজলুল করিম ফালু ১৯৮৮ সালে এরশাদ পিরিয়ডের এমপি ছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে তিনি বিএনপিতে যোগদেন। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা পদে ছিলেন।

    এছাড়াও এ বছর ২২ ডিসেম্বর সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদত হোসেন মন্ডল ৮০ বছর বয়সে মারা যান।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757