• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ২০ ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোটের সম্ভাবনা

    ডেস্ক | ২৬ অক্টোবর ২০১৮ | ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ

    ২০ ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোটের সম্ভাবনা

    আগামী ৪ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারে ইসি (নির্বাচন কমিশন)।


    সে ক্ষেত্রে ১৮-২০ ডিসেম্বরের যে কোনো একদিন ভোট গ্রহণের জোর সম্ভাবনা আছে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে নির্বাচন কমিশন।


    কোনো কারণে ৪ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা না হলে ভোটের তারিখ পিছিয়ে ২৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ হতে পারে।

    তবে কোনো তারিখই চূড়ান্ত নয়। ইসি সচিবালয় ভোটের তারিখ ছাড়াই একটি খসড়া তফসিল তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন কমিশন তফসিল ও ভোটের তারিখ নির্ধারণ করেনি।

    তবে তিনি আশা করছেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই এ নির্বাচন সম্পন্ন হবে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর কমিশন নির্বাচনের তফসিল ও অন্যান্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

    ইসির তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩০ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে ভোট গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করতেই হবে।

    সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভোট হয়। ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি সংসদ অধিবেশন বসেছিল। এ হিসাবে আগামী ২৮ জানুয়ারি সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হবে।

    এবার তফসিল ঘোষণার পর কমপক্ষে ৪৫ দিন হাতে রেখে ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণের কাজ চলছে। ৪ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হলে ১৮-২০ ডিসেম্বরের যে কোনো একদিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হতে পারে।

    তবে এই তিন দিনের মধ্যে না হলে ভোট গ্রহণের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর হবে। কেননা ২১ ও ২২ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার।

    ওই কর্মকর্তারা বলছেন, তফসিল নিয়ে কমিশনের যে ধরনের প্রস্তুতি তাতে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বাংলাদেশের অতীতের নির্বাচনগুলোর তফসিল ঘোষণার পর ভোট গ্রহণ পর্যন্ত সর্বনিু ৪০ দিন রাখা হয়েছে।

    দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর ঘোষণা করা হয়েছিল আর ভোট গ্রহণ হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। তবে তফসিল থেকে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত সময় রাখার ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। নির্বাচন কমিশনই ‘যৌক্তিক সময়’ নির্ধারণ করে।

    রেওয়াজ অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন নির্বাচন কমিশনাররা। তারা নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। এবার পহেলা নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন কশিমনাররা।

    এরপর শুক্র ও শনিবার থাকবে সাপ্তাহিক ছুটি। ৪ নভেম্বর রোববার কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে এবং বৈঠকের পরপরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা আছে। আপাতত ইসি সচিবালয় ভোট গ্রহণের তারিখ চূড়ান্ত না করে একটি খসড়া তফসিল তৈরি করেছে।

    এতে বিভাগীয় কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে।

    ডিসেম্বরে ভোট গ্রহণ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষার কার্যক্রম এগিয়ে আনা হয়েছে। প্রাইমারি বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা ৬ ডিসেম্বর এবং হাইস্কুল ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছে স্ব স্ব মন্ত্রণালয়।

    এ ছাড়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচিও এগিয়ে আনা হয়েছে। ইসির কর্মকর্তারা জানান, ভোট কেন্দ্র হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা হবে আর শিক্ষক-কর্মচারীরা হবেন ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা। ভোটের সুবিধার্থেই পরীক্ষার সময়সূচি এগিয়ে আনা হয়েছে।

    চলতি অধিবেশনেই আরপিও সংশোধনের আশা ইসি সচিবের : একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের জন্য আরপিও সংশোধন সংসদে সম্ভব না হলে অধ্যাদেশ জারির কথা জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন।

    বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, আরপিও সংশোধন করার জন্য আইন মন্ত্রণালয় থেকে ভেটিং সম্পন্ন হয়ে তা এখন মন্ত্রিপরিষদে আছে। আশা করছি, চলতি সংসদে সেটি পাস হয়ে যেতে পারে।

    কিন্তু স্বল্প সময়ে সংসদে আইন পাস সম্ভব না হলে কী হবে জানতে চাইলে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সংসদে যদি পাস না হয়, তবে এটি সংসদের অবর্তমানে অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইন পাস করা যেতে পারে। পরবর্তী সংসদের প্রথম অধিবেশনে এটা আইনে পরিণত হতে পারে।

    নিজের আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে সচিব বলেন, তবে আমরা এখনও আশা করছি এটি চলতি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। যেহেতু সংসদ ২৯ তারিখ পর্যন্ত চলবে, সেখানেই এটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    সচিব জানান, ইভিএমে খুব সহজেই ভোট প্রদান করা যায়। স্মার্টকার্ড না থাকলেও এনআইডি কার্ডের নম্বর দেয়ার পর আঙুলের ছাপ দিলেই ভোট দেয়া যাবে। ইভিএমের প্রচার ও জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য ২৭ অক্টোবর দেশের ৮টি অঞ্চলে ইভিএম প্রদর্শনী মেলা করা হবে। সেখানে সিইসি, নির্বাচন কমিশনাররা এবং ইসির কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4673