• শিরোনাম



    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ৫ম শ্রেণির ছাত্রের সঙ্গে বিয়ে, একদিন পরই সন্তান প্রসব

    অনলাইন ডেস্ক | ২৭ মে ২০১৭ | ৬:৪৮ অপরাহ্ণ

    ৫ম শ্রেণির ছাত্রের সঙ্গে বিয়ে, একদিন পরই সন্তান প্রসব

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৫ম শ্রেণির ছাত্রের সঙ্গে বিয়ে পড়ানোর একদিন পরেই সন্তান প্রসব করেছেন কথিত স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (১৮)।


    শুক্রবার রাত ২টার দিকে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন সোনিয়া। বৃহস্পতিবার রাতে নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যানের বাসভবনে ডেকে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়াকে বিয়ে দেয়া হয় হাসিব মাল নামের ১২ বছরের ৫ম শ্রেণির ওই স্কুল ছাত্রের সঙ্গে। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে না পারায় বিয়ের কাবিন নামা বাতিল করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কাজি আলতাফ হোসেন।

    ajkerograbani.com

    এদিকে, বিয়ের একদিনের মাথায় সন্তান প্রসবের খবর ছড়িয়ে পড়লে শনিবার সকাল থেকেই এলাকার লোকজন ভীড় করছেন এই নবজাতককে এক নজর দেখার জন্য।

    অন্যদিকে কথিত বর উমাজুড়ি গ্রামের আব্দুল হাকিম মালের ছেলে হাসিব মাল এই বিয়ে ও সন্তান কোনো অবস্থাতেই মেনে নিতে পারছে না।

    হাসিবের দিনমজুর বাবা বলেন, আমি গরীব অসহায়। মামলা চালানোর সামর্থ্য নেই। তাই স্থানীয় লোকজন ও চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বিয়ে মেনে নিয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, দুই মাস আগে একটি সালিশি বৈঠকে আমার কাছে ১৫ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন ইউপি সদস্য মো. আলম মৃধা। ওই টাকা দিতে না পারায় সোনিয়াকে আমার শিশু ছেলের সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেয়া হয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার রাতে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তরুণী সোনিয়াকে বিয়ে দেয়া হয় ৫ম শ্রেণির ছাত্র হাসিবের সঙ্গে। নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাচ্চুর নির্দেশে কাজি আলতাফ হোসেন বিয়ে পড়ান। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্যে কাবিন নামায়ও স্বাক্ষর নেয়া হয় অনেকের।

    এ বিষয়ে কাজি আলতাফ হোসেন বলেন, আমার দফতরের ২৬ নম্বর রেজিস্ট্রারের ৯৬ নম্বর পৃষ্ঠায় সোনিয়া ও হাসিবের বিয়ের তথ্যাদি লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে না পারায় ওই কাবিন নামা বাতিল করা হয়েছে।

    এ সম্পর্কে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু বলেন, ছেলে এবং মেয়ে উভয়ে খুব গরীব। দুইজনের শারীরিক সম্পর্কে ওই মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। তাই বিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বিয়ে পড়ানোর অনুমতি দিয়েছেন।

    এদিকে বর হাসিব অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাইঝি সম্পর্কের ওই মেয়ের কাছে অনেকে আসা যাওয়া করতো। আমি এরকম ৭-৮ জনকে চিনি। এখন ঘটনাটি অন্যায়ভাবে আমার ওপর চাপানো হয়েছে। সোনিয়ার গর্ভের সন্তানের দায় আমি কেন নেব? আমিতো লেখাপড়া করছি।

    Facebook Comments Box

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757