শনিবার ২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান গোপালপুর ইউপি আওয়ামী লীগের

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ২১ নভেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট

স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান গোপালপুর ইউপি আওয়ামী লীগের

দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

সোমবার বিকালে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভায় এ আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোনায়েম খান বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় উর্ধ্বমুখী গতিতে চলমান, ঠিক তখনই এই স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এইসব স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে প্রতিহত করতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোপালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইনামুল হাসান বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি ক্ষমতায় এলে সাধারণ মানুষকে চরম পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। তাই আমাদের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। স্বাধীনতা বিরোধী বিএনপি-জামায়াতকে শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারের সন্তানেরা বর্তমানে আওয়ামী লীগের লেবাস লাগিয়ে আওয়ামী লীগ ধ্বংসের নীল নকশায় মেতে উঠেছে। এই আলফাডাঙ্গায় কোন রাজাকারপুত্রকে আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ব্যানার লাগিয়ে কোন রাজনীতি করতে দেয়া হবে না।

গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী বিএনপি-জামায়াতের চোখ রাঙানিতে আওয়ামী লীগ ভয় পায় না। ওই বিএনপি- জামায়াত যদি দেশে আবারও নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করে তাহলে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ তা কঠোরভাবে দমন করবে।

১ নং ওয়ার্ড গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী তাণ্ডবলীলা, নৈরাজ্যের বিষয়ে দেশবাসী অবগত। দেশের মানুষ তাদের আর চায় না। অতীতের মতো তারা যেনো আর কোন নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজপথে থেকে তা মোকাবিলা করতে হবে।

৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কবীর শেখ বলেন, বিএনপি-জামায়াত বিগতদিনে হরতাল-অবরোধ দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল কিন্তু তা সফল হয়নি। আর ভবিষ্যতেও তাদের কোন ষড়যন্ত্র সফল হবে না। আওয়ামী লীগ তাদের সফল হতে দেবে না।

উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম রানার সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. তারিকুল ইসলাম, ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন আলী, গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস্কেন্দার আলম প্রমুখ।

বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভায় গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শতশত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১:১১ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২১ নভেম্বর ২০২২

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটিতে বর্তমান সরকারের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে বদলে গেছে এখানকার মানুষের জনজীবন। বদলে গেছে পার্বত্য জনপদ। এক সময়কার পিছিয়ে পড়া পার্বত্য জনপদ এখন উন্নয়নের দিকে অনেকটা এগিয়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতুমুক্ত করতে রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে ১৮টি স্থানে নির্মিত হচ্ছে কংক্রিটের সেতু। ওই স্থানগুলোতে থাকা ১৮টি পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু অপসারণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৭টি সেতু নির্মাণাধীন রয়েছে। অবশিষ্ট ১১টি সেতু ডিপিবি’র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্পটি শেষ হলে এই জেলাকে বেইলি সেতুমুক্ত ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নির্মাণাধীন সেতুর মধ্যে রানীর হাট-কাউখালী সড়কের ৪টি, মানিকছড়ি-বগাছড়ি- মহালছড়ি- খাগড়াছড়ি সড়কে ৫টি, ঘাগড়া- বড়ইছড়ি- বাঙ্গালহালীয়া- বান্দরবান সড়কে ১টি,বগাছড়ি-নানিয়ারচর-লংগদুসড়কে ৬টি এবং বাঙ্গালহালিয়া- রাজস্থলী সড়কে ২টি। মোট ১৮টি। এরমধ্যে ৭টি সেতু নির্মাণধীন রয়েছে। অবশিষ্ট ১১টি সেতু ডিপিবি’র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সরেজমিন নানিয়ারচর ও কাউখালী উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, কোনো কোনো বেইলি সেতুতে নেই সেতুর পাটাতন। আবার কোনো কোনো সেতুর তলদেশ থেকে মাটি সরে গেছে এবং অনেক পুরোনো একেবারেই জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন যানবাহন সহ পথচারী যাতায়াত করছেন। এই ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু পরিবর্তন করে কংক্রিটের বা পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান স্থানীয়রা। নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রগতি চাকমা ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু পরিবর্তন করে নতুন করে পাকা সেতু নির্মাণ করার জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও বর্তমান সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কাছে দাবি জানান। রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রবিউল আওয়াল জানান, রাঙ্গামাটি একটি পাহাড়ি অঞ্চল। এখানে অনেক ছড়াই বিদ্যমান। তাই বেইলি সেতুর সংখ্যাও বেশি। চট্টগ্রামের জোনের আওয়তায় যে কয়েকটি বেইলি সেতু আছে, তা এক সঙ্গে বেইলিমুক্ত করার জন্য ডিপিবি তৈরি করেছেন। রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, রাঙ্গামাটিতে সড়ক বিভাগের অধীনে ৬টি সড়ক রয়েছে। এই সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৩২ কিলোমিটার। এরমধ্যে বর্তমানে ১৮টি বেইলি সেতু রয়েছে। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে ১৮টির মধ্যে ৭টি বেইলি সেতু নির্মাণাধীন রয়েছে এবং বাকী ১১টি বেইলি সেতু পাকা সেতুতে উন্নীত করার জন্য ডিপিবি’র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরো জানান, এই বেইলি সেতুগুলো পাকা সেতুতে উন্নীত হলে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে এবং আত্মকর্মসংস্থান ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ বৃদ্ধি পাবে।
(37 বার পঠিত)
advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মুহা: সালাহউদ্দিন মিয়া
সম্পাদকীয় কার্যালয়

২ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণি, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭। সম্পাদক কর্তৃক তুহিন প্রেস, ২১৯/২ ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

ফোন : ০১৯১৪৭৫৩৮৬৮

E-mail: [email protected]