সোমবার ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম; এ যেন ক্রিকেটের কলোসিয়াম

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | প্রিন্ট

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম; এ যেন ক্রিকেটের কলোসিয়াম

আগামী ৫ অক্টোবর ভারতে শুরু হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ত্রয়োদশ আসর। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ১০টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। পাঠকদের জন্য প্রথম পর্বে এই স্টেডিয়ামের ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করবে ডেইলি বাংলাদেশ।

রোমের কলোসিয়ামের কথা কে না জানে? ইতালিতে অবস্থিত রোমান সাম্রাজ্যের এ নিদর্শন পৃথিবীর ইতিহাসে অনন্য এক স্থাপনা। এই মঞ্চে সাধারণত গ্ল্যাডিয়েটরদের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো। তেমনই ক্রিকেটের অনন্য স্থাপনার প্রসঙ্গ উঠলে চলে আসবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের কথা। যা যেন ক্রিকেটের কলোসিয়াম! যেখানে ব্যাট-বলের যুদ্ধে মেতে ওঠেন ক্রিকেটাররা।

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের পূর্ব নাম ছিল মোতেরা স্টেডিয়াম। বিভিন্ন জায়গায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল স্টেডিয়াম নাম উল্লেখ থাকলেও এটি মূলত সম্পূর্ণ স্পোর্টস কমপ্লেক্সের নাম। যার একটি অংশ নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়াম গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অধীন। ১৯৮৩ সালে প্রথমবার এই স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়। সে সময় স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণ ক্ষমতা ছিল ৪৯,০০০।

স্টেডিয়ামটি তৈরি হওয়ার আগে আহমেদাবাদের ক্রীড়াপ্রেমীরা নাভারংপুরায় অবস্থিত ছোট মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলত। ১৯৮২ সালে গুজরাট সরকার ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য একটি বৃহত্তর এবং উন্নত ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

সে সময় তৎকালীন সরকার বিখ্যাত সবরমতি নদীর পাশে স্টেডিয়ামটি তৈরি করতে ১০০ একর জমি ব্যবহার করার অনুমতি দেয়। ১৯৮৩ সালের ১২ নভেম্বর স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হয়। পরের বছর এখানে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। ১৯৮৭ ও ১৯৯৬ বিশ্বকাপের বেশ কিছু ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হয়।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভারতের ক্রিকেট আরো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে এই স্টেডিয়ামে টিকিটের চাহিদাও বাড়ে ব্যাপকভাবে। এ অবস্থায় ২০০৬ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ আয়োজনের জন্য স্টেডিয়ামে প্রথমবার সংস্কার করা হয়। যার মাধ্যমে দর্শক ধারণ ক্ষমতা ৪৯,০০০ থেকে বাড়িয়ে ৫৪,০০০-এ উন্নীত হয়। সে সময় গ্যালারিতে ছাদ দেওয়ার পাশাপাশি রাতে ম্যাচের জন্য অতিরিক্ত ফ্লাডলাইট স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে বসানো হয় তিনটি অতিরিক্ত পিচ।

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে সবশেষ ও সবচেয়ে বড় সংস্কার কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে। দীর্ঘ কয়েক বছরের সংস্কার কাজ শেষে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে একেবারে নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করে স্টেডিয়ামটি। ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি স্টেডিয়ামটির নাম বদলে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে নামকরণ করা হয়। উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদি ২০০১-২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এছাড়া ২০০৯-২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন তিনি।

বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামটির আয়তন ৩২টি প্রমাণ সাইজের অলিম্পিক ফুটবল মাঠের সমান। এখানে রয়েছে অত্যাধুনিক সব সুবিধা। প্রথম উদ্বোধনের সময় যেখানে এর দর্শক ধারণ ক্ষমতা ছিল মাত্র ৪৯ হাজার, সেখানে বর্তমানে স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণ ক্ষমতা ১,৩২,০০০ জন। ৬৩ একর জায়গার ওপর নির্মিত স্টেডিয়ামে প্রধান প্রবেশপথ রয়েছে তিনটি। সহজে যাতায়াতের জন্য এর কাছাকাছি অবস্থানে আছে মেট্রো এবং বাস স্টপ।

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মোট ৭৬টি ভিআইপি/কর্পোরেট বক্স রয়েছে। প্রতিটি বক্সে বসতে পারেন ২৫ জন দর্শক। এখানেই শেষ নয়। স্টেডিয়ামে খেলোয়াড়দের জন্য রয়েছে চারটি অতিরিক্ত ড্রেসিংরুম। বিশাল সুইমিং পুলসহ একাধিক ক্লাবহাউসও তৈরি করা হয়েছে।

নতুন স্টেডিয়ামের দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে একটি হল এলইডি লাইট। যা অন্যান্য স্টেডিয়ামের মৌলিক ফ্লাডলাইটের চেয়ে উজ্জ্বল এবং অভিনব। আলোগুলি একটি ফায়ারপ্রুফ ক্যানোপি বেসের উপরে তৈরি করা হয়। ভূমিকম্প প্রতিরোধী করতে স্টেডিয়ামের ছাদ ও পিলারে শক্তিশালী উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রধান ক্রিকেট মাঠ ছাড়াও স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত আরো ক্রীড়া সুবিধা রয়েছে। যেমন একটি সুইমিং পুল, টেনিস এবং ব্যাডমিন্টন কোর্ট, একটি অভ্যন্তরীণ ক্রিকেট একাডেমি, একটি টেবিল টেনিস রুম, একটি স্কোয়াশ কোর্ট, থ্রি-ডি প্রজেক্টর সুবিধা সহ একটি কক্ষ এবং একটি ক্লাব হাউস, অতিরিক্ত অনুশীলন কক্ষ।

বিশাল সংখ্যাক দর্শকের কথা মাথায় রেখে যানজট রোধে স্টেডিয়ামটিতে রাখা হয়েছে একটি বিশাল পার্কিং লট। যেখানে ১০ হাজার স্কুটার এবং বাইক এবং তিন হাজা চার চাকার গাড়ি রাখা যাবে। পৃষ্ঠপোষকদের সহজে চলাচলের জন্য গেটে একটি বিশাল প্রবেশ পথ রয়েছে। এছাড়া একটি স্কাইওয়াক স্টেডিয়ামকে সরাসরি মেট্রো স্টেশনের সাথে সংযুক্ত করেছে।

নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের পূর্ণাঙ্গ অবস্থান (ঠিকানা): স্টেডিয়াম রোড, পার্বতী নগর, মোতেরা, আহমেদাবাদ, গুজরাট- ৩৮০০০৫।

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের বেশ কিছু ঐতিহাসিক রেকর্ড:

২০০৮ সালে এই মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ডেল স্টেইনের দুর্ধর্ষ বোলিংয়ের সামনে ৭৬ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত। টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশনে এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র এই ম্যাচেই অল আউট হয়েছে ভারত।

২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি এই স্টেডিয়ামে ‘নমস্তে ট্রাম্প’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। যেখানে আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোস্ট করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এই মাঠেই টেস্ট ক্রিকেটে নিজের ১০ হাজার রান পূর্ণ করেছিলেন সুনীল গাভাস্কার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেটাই প্রথম ১০,০০০ রানের ঘটনা। তিনি ১৯৮৭ সালের ৭ মার্চ এই মাইলফলক স্পর্শ করেন।

বেশ কিছু ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে এ স্টেডিয়াম
১৯৮৩ সালে কপিল দেব ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই মাঠে এক টেস্টে ৯ উইকেট শিকার করেছিলেন। এছাড়া ১৯৯৫ সালে নিজের ক্যারিয়ারে ৪৩২তম উইকেট নিয়ে সেই সময়ের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হয়েছিলেন তিনি। যেখানে এ অলরাউন্ডার ফিরিয়েছিলেন রিচার্ড হ্যাডলিকে।

১৯৯৯ সালের ৩০ অক্টোবর শচীন টেন্ডুলকার তার টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম দ্বিশতক হাঁকান এই মাঠে। এছাড়া ২০১১ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন সময় এই মাঠেই বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ১৮ হাজার রান পূরণ করেন মাস্টার ব্লাস্টার।

বিশ্বকাপ ও নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম

১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ এই মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। চেতন শর্মা ও কপিল দেবের দুরন্ত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ে ১৯১ রানে অল আউট হয়ে যায়। জবাবে গাভাস্কার ও নভোজিৎ সিঁধুর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভারত এই ম্যাচ জিতে যায়।

১৯৯৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ এই মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সে ম্যাচে ১১ রানে ইংল্যান্ডকে হারায় নিউজিল্যান্ড।

২০১১ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ এই মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। ভারতীয় স্পিনারদের অনবদ্য বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া ২৬০ রানের বেশি করতে পারেনি। জবাবে শচীন, গম্ভীর ও যুবরাজ সিংয়ের ব্যাটে ভর করে ভারত ম্যাচ জিতে যায়।

আবহাওয়া: আসন্ন বিশ্বকাপে অক্টোবর মাসে এই মাঠে দুটি ম্যাচ রয়েছে। সাধারণত আহমেদাবাদের আবহাওয়া ওই সময়ে শুষ্ক থাকে। তবে নভেম্বরে শীতের আমেজ পরবে। তখন রাতের দিকে শিশিরের দেখা মিলতে পারে। হতে পারে হালকা বৃষ্টিও। তবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো থাকায় ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা কম।

রাতের বেলা নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে তৈরি হয় অন্যরকম এক আবহ
পিচের প্রকৃতি

এই স্টেডিয়ামের পিচ সাধারণত একটু স্লো হয়। প্রথম দিকে এই পিচ বোলারদের সাহায্য করে থাকে। কিন্তু খেলা যত গড়ায়, ব্যাটারদেরও ততই রান পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই মাঠে বেশিরভাগ টেস্ট ম্যাচের ফলই অমীমাংসিত (ড্র) থেকেছে।

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ওয়ানডে রেকর্ড:

প্রথম ওয়ানডে – ৫ অক্টোবর, ১৯৮৪

শেষ ওয়ানডে – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

ম্যাচ – ২৬

সর্বোচ্চ ইনিংস – দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৬৫/২ (বনাম ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ৯০ রানে জয়ী)

সর্বনিম্ন ইনিংস – জিম্বাবুয়ে ৮৫ (বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ক্যারিবিয়ানরা ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতেছিল)

সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর – সৌরভ গাঙ্গুলি (১৪৪, বনাম জিম্বাবুয়ে)

সেরা বোলিং – মিচেল জনসন (জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে এই অজি পেসার এক ম্যাচে ৯.২ ওভারে ১৯ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট তুলে নেন)

সর্বাধিক রান- ক্রিস গেইল (৩১৬)

সর্বাধিক উইকেট- কপিল দেব (১০)

এই স্টেডিয়াম আসলেই যেন ক্রিকেটের কলোসিয়াম!
নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের কিছু বিশেষত্ব:

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

স্টেডিয়ামের মোট আসনসংখ্যা: ১,৩২,০০০।

মাঠের সাইজ ১৮০ গজ x ১৫০ গজ।

সারফেসে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ঘাস।

আলাদা ১১টি পিচ রয়েছে। যেগুলো লাল ও কালো মাটির তৈরি।

একই রকম মাটি দিয়ে মূল খেলার পিচ ও প্র্যাকটিস করার পিচ বানানো হয়েছে।

পানি নিষ্কাসনে রয়েছে অত্যাধুনিক পদ্ধতি। ফলে মুষলধারে বৃষ্টি হবার ৩০ মিনিটের মধ্যেই মাঠ শুকানো যাবে।

উঁচু লম্বা টাওয়ারের পরিবর্তে স্টেডিয়ামের ছাদে বসানো হয়েছে এলইডি লাইট। এতে খেলার সময় খেলোয়াড়দের ছায়া মাঠে পড়বে না। এই প্রযুক্তি উপমহাদেশের কোনো স্টেডিয়ামে প্রথম ব্যবহার করা হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ম্যাচ:

এবারের বিশ্বকাপে নরেন্দ্র মোদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাঁচটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে রয়েছে উদ্বোধনী ম্যাচ, ভারত-পাকিস্তানের মত হাইভোল্টেজ ম্যাচ ও টুর্নামেন্টের ফাইনাল। আগামী ৫ অক্টোবর টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচটি এই স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে মুখোমুখি হবে গতবারের ২ ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।

এরপর ১৪ অক্টোবর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই মাঠেই খেলতে নামবে রোহিত শর্মার ভারত। স্টেডিয়ামের পরবর্তী ম্যাচগুলো রয়েছে যথাক্রমে ৪ নভেম্বর ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া, ১০ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম আফগানিস্তান ও ১৯ নভেম্বর ফাইনাল। সবগুলো ম্যাচই স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় শুরু হবে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৪:৫৫ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিজয়ের ছড়া
(200 বার পঠিত)
advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক ও প্রকাশক
মুহা: সালাহউদ্দিন মিয়া
সম্পাদকীয় কার্যালয়

২ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণি, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭। সম্পাদক কর্তৃক তুহিন প্রেস, ২১৯/২ ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

ফোন : ০১৯১৪৭৫৩৮৬৮

E-mail: [email protected]