শনিবার ২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তুচ্ছ ঘটনায় ছাত্রী মেসে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মারামারি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪ | প্রিন্ট

তুচ্ছ ঘটনায় ছাত্রী মেসে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মারামারি

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস সংলগ্ন ছাত্রী মেসে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৩ মে) রাতে ক্যাম্পাস সংলগ্ন নুরজাহান ছাত্রী মেসে এই ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হন বলে জানা গেছে।

জানা যায়, ঐ মেসে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ফারিহা খাতুন। তার গত কয়েক মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ছিল। বকেয়া বিদ্যুৎ বিল চাওয়া নিয়ে মেস ম্যানেজারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় তার। এসময় মেস ম্যানেজার তার সঙ্গে বাজে আচরণ করে বলে জানায় ঐ ছাত্রী। বিষয়টি ফারিহা তার ছেলে বন্ধুদের জানায়। তার বন্ধুরা ঐ মেসে যায়। এসময় তাদের সাথে ম্যানেজারের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন। এতে আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগের পিয়াস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাকিব আহমেদ, ইংরেজি বিভাগের হৃদয় আবির এবং আইসিটি বিভাগের নাঈম রেজা আহত হন বলে জানা গেছে। এদিকে মেসের ম্যানেজার ও স্থানীয় আশিক হোসেনও আহত হন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।

পরে স্থানীয়রা কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেখানে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে এক সাংবাদিকও আহত হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় মাতব্বর রেজাউল করিম খান বলেন, মেসের মধ্যে কোনো ঝামেলা মেস ম্যানেজারকে জানাতে হতো। আর মেস মেনেজারের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে সেটা মেসের মালিকরে জানালে ব্যবস্থা নেয়া হতো। কিন্তু ঐ মেয়েটা সেটা না করে তার বন্ধুদের ডেকে নিয়ে এসে একটা হুলুস্থুল কাণ্ড বাঁধিয়েছে, যেটা ঠিক হয়নি। স্থানীয়দের ওপর মারধর করা হলে, তারা তো বসে থাকবে না। স্থানীয়দের সঙ্গে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের ঝামেলা হোক আমরা চাই না। যেসব শিক্ষার্থীরা আজকে ঝামেলা করেছে তাদেরকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে রামচন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শোনার পরপরই আমরা সেখানে গিয়েছি। উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। তবে কেউ আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানালে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
সম্পাদক ও প্রকাশক
মুহা: সালাহউদ্দিন মিয়া
সম্পাদকীয় কার্যালয়

২ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণি, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭। সম্পাদক কর্তৃক তুহিন প্রেস, ২১৯/২ ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

ফোন : ০১৯১৪৭৫৩৮৬৮

E-mail: [email protected]