শুক্রবার ২৬শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব মরুময়তা দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪ | প্রিন্ট

বিশ্ব মরুময়তা দিবস আজ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তাপমাত্রার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং খরার কারণে সবুজ পৃথিবী ক্রমে মরুকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মরুকরণ বাংলাদেশে প্রকট আকার ধারণ করছে। দেশের অর্থনীতি, কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা, জ্বালানি, জীববৈচিত্র্য, স্বাস্থ্য, সুপেয় পানি ও উপকূলবর্তী এলাকার ওপর এই প্রভাব গুরুতরভাবে পড়ছে। গ্রীষ্মকালে তাপপ্রবাহ দুর্বিষহ অবস্থা সৃষ্টি করছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও মরুকরণের কারণে পানির প্রাপ্যতা কমে যাচ্ছে, যা কৃষির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে, ফসলের উৎপাদন কমে যাচ্ছে, যা খাদ্য সংকটের অনেক বড় কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস। গত ২৭ বছর ধরে প্রতি বছর এই তারিখে দেশেও দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশে প্রথম বিশ্ব মরুময়তা দিবস পালিত হয়। উত্তরাঞ্চলের রাজশাহীকে কেন্দ্রবিন্দু ধরে নগর থেকে ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে কাকনহাটে জাতীয়ভাবে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয়। ১৯৭৫ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের পক্ষ থেকে খরা ও মরুকরণের প্রতি সোচ্চার হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। এই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৭ সালে নাইরোবিতে বিশ্ব মরুকরণ বিরোধী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলনের পরপরই মরুকরণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

রিও সম্মেলনের এজেন্ডা ২১ এর প্রস্তাবটি ১৯৯২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে গৃহীত হয় এবং ইন্টারগভর্মেন্টাল নেগোশিয়েটিং কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটি মরুকরণ সংক্রান্ত খসড়া কনভেনশন চূড়ান্ত করে। ১৯৯৪ সালের জুন মাসে কনভেনশনের দলিল চূড়ান্ত হয়। এই কনভেনশনে ৫০টি দেশ কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর ১৯৯৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। বাংলাদেশও এই কনভেনশন অনুমোদন করে। পরবর্তী সময়ে খরা ও মরুকরণ সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করে তুলতে ১৭ জুন পালন করা হয় বিশ্ব খরা ও মরুকরণ প্রতিরোধ দিবস।

বাংলাদেশ মেটেরিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের (বিএমডি) রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের গড় তাপমাত্রা গত ৫০ বছরে প্রায় ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। গড় তাপমাত্রা পরিবর্তন হওয়ায় বৃষ্টিপাতের ধরন ও সময় বদলে গেছে। এখন আর প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে যথা সময়ে ঋতুর আবির্ভাব ঘটছে না এবং ঋতুর সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৪:৩৬ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
সম্পাদক ও প্রকাশক
মুহা: সালাহউদ্দিন মিয়া
সম্পাদকীয় কার্যালয়

২ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণি, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭। সম্পাদক কর্তৃক তুহিন প্রেস, ২১৯/২ ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

ফোন : ০১৯১৪৭৫৩৮৬৮

E-mail: [email protected]