রবিবার ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চৌগাছায় পটলের কেজি ৫ টাকা!

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি   |   শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪ | প্রিন্ট

চৌগাছায় পটলের কেজি ৫ টাকা!

যশোরের চৌগাছায় শুক্রবার (২১ জুন) পটল বিক্রি হয়েছে ৫ টাকা কেজিতে! ঈদের ছুটি শেষে ব্যাপারি (পাইকারি ক্রেতা, যারা ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করেন) কম আসায় এবং বাজারে চাহিদা কম থাকায় পটলের দামের এই পড়তি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এর আগে, গত ৩১ মে চৌগাছা বড় কাঁচাবাজারে পটল ৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিলো। তবে পাইকারি বাজারের মধ্যে অবস্থিত খুচরা বাজারে একই পটল ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং ২০০ মিটার দূরের চৌগাছা খুচরা কাঁচাবাজারে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

শুক্রবার দুপুর ও বিকেলে সরেজমিনে চৌগাছা সরকারি শাহাদৎ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের বড় কাঁচাবাজার এবং চৌগাছা খুচরা কাঁচাবাজারে গেলে এই দামে পটল বিক্রি হতে দেখা যায়।

বাজারের আড়তদার, খুচরা বিক্রেতা ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার চৌগাছা বড় কাঁচাবাজারে বিপুল পরিমাণ পটল বিক্রি করতে নিয়ে আসেন কৃষকরা। সুযোগ বুঝে এবং ঈদের পরে বাজারে (ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী মোকামে) চাহিদা কম থাকার দোহাই দিয়ে বাইরের ব্যাপারিরা (চৌগাছা থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে সবজি বিক্রেতা) পটল কম মূল্যে ক্রয় করতে থাকেন। সকালের দিকে পটল ১০-১১ টাকা কেজি বিক্রি হয়। সেই পটলই জুমার আগে ও পরে ৫ থেকে ৬ টাকা কেজি দরে কিনতে থাকেন ব্যাপারিরা। পচনশীল কাঁচা সবজি হওয়ায় কৃষকরা ব্যাপারিদের দেওয়া দামে বিক্রয় করতে বাধ্য হন।

তারা জানান, শুক্রবার চৌগাছা বড় কাঁচাবাজারে প্রায় ১০০ ট্রাক পটল পাইকারি বিক্রি হয়েছে। যার এক ট্রাকে প্রায় ৩৫০ মণ পটল লোড হয়।

চৌগাছা বড় কাঁচাবাজারের আড়তদার মুকুল হোসেন বলেন, সারা দিনে আমার আড়তে ৪ হাজার ১৩৩ কেজি পটল বিক্রি হয়েছে। ১১ টাকা থেকে বিক্রি শুরু করে শেষে ৯ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি করেছি।

মুকুল হোসেন বলেন, দুপুরের দিকে যারা পটল এনেছেন তারা খুব ভালো মানের পটলও ৫ থেকে ৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। ঈদের পর বাজারে চাহিদা কম থাকায় ব্যাপারিরা কম দামে পটল ক্রয় করেছেন।

বাজার দরের পার্থক্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ব্যাপারিদের চাহিদামতো আগেই ক্রয় শেষ হয়ে যাওয়ায় পরে ভালো পটলও কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন চাষিরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুবাশ্বির হুসাইন বলেন, চৌগাছায় চলতি মৌসুমে বিপুল পরিমাণ পটল চাষ হয়েছে। ঈদের পর বাজারে চাহিদা কম থাকায় হঠাৎ করে পটলের দাম কমে গেছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। চাষিরা যেন ন্যায্যমূল্য পায় সে বিষয়ে দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৪:১৯ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
সম্পাদক ও প্রকাশক
মুহা: সালাহউদ্দিন মিয়া
সম্পাদকীয় কার্যালয়

২ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণি, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭। সম্পাদক কর্তৃক তুহিন প্রেস, ২১৯/২ ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

ফোন : ০১৯১৪৭৫৩৮৬৮

E-mail: [email protected]