রবিবার ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাহিদা কম, তবুও কমেনি গরু-মুরগির দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ | প্রিন্ট

চাহিদা কম, তবুও কমেনি গরু-মুরগির দাম

ঈদের ছুটি শেষ হলেও রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে এখনও কাটেনি এর রেশ। ঈদ পরবর্তী সময়ে তুলনামূলক গরু ও মুরগির মাংসের চাহিদা কম থাকলেও বাজারে দাম আকাশছোঁয়া।

বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের পর বাজারে পর্যাপ্ত মুরগি নেই, তাই দাম বেড়েছে। এছাড়া গরুর মাংসের বাজারেও একই অবস্থা।

মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরা, মহাখালী, মিরপুর, বাড্ডা ও রামপুরার বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানা গেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, ঈদের পরপর বাজার কিছুটা নিম্নমুখী, তবুও বেড়েছে মুরগির দাম। কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২০০ টাকা, দেশি মুরগি ৭০০-৭৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৩৬০ টাকায়। আর প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়।

এ ছাড়া বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৮৫০ টাকায়। এ ছাড়া প্রতি কেজি খাসির মাংস ১০৫০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা ও ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়।

ক্রেতারা বলছেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয় না। এতে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পান।

বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানি ঈদের পর সাধারণত বাজারে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা কম থাকে। দামও থাকে পড়তির দিকে। কিন্তু এবার বাজারে সে চিত্র দেখা যায়নি। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। বাজারে নিয়মিত অভিযান চালালে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমবে।

রাজধানীর কামারপাড়ার কাঁচা বাজারে বাজার করতে আসা ইসমাইল হোসেন নামের এক বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, ঈদ উপলক্ষে বাসায় মেহমানরা আসেন, তাদের তো শুধু গরুর মাংস দিয়ে খাওয়ানো যায় না, মুরগির মাংসও দরকার হয়। বাজারে এসে দেখি দাম কিছুটা বাড়তি।

তিনি বলেন, সাধারণত এ সময়ে গরু-মুরগিসহ সবকিছুর দামই কম থাকে। কিন্তু এবার কমেনি, বরং বেড়েছে।

রিয়াজুল নামে অপর এক ক্রেতা জানান, ঈদে ঢাকাতে আমাদের মতো অনেকেই কোরবানি দিতে পারিনি। আমাদের জন্য মুরগির মাংসই সম্বল। কিন্তু দাম তো কমেনি, বরং বেড়েছে।

তিনি বলেন, গরু-খাসির মাংসের দাম অনেক বেশি, তাই ব্রয়লার মুরগি কিনেছি। বাজারে ব্রয়লার মুরগির দামও বেশি, প্রতি কেজি ব্রয়লার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রুবেল সরকার নামের একজন বিক্রেতা বলেন, সবাই তো কোরবানি দেয়নি। তাছাড়া প্রতিদিন তো গরুর মাংস খাবে না। হোটেলেও প্রতিনিয়ত দরকার হয় মুরগির। সেজন্য চাহিদা কমেনি, দামও কমেনি।

এদিকে সবজি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, বরবটি ১০০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৫০ টাকা, প্রতিকেজি করলা ৬০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, কচুর মুখি ১০০ টাকা, বেগুন বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৬০-৮০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ৩০০ টাকা, লাউ ৫০ থেকে ৮০ টাকা পিস, গাজর ১৫০ টাকা, টমেটো ৯০ টাকা ও কাঁকরোল কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, রুই ২৮০ টাকা, ছোট পাঙাশ ১৮০ টাকা, চিংড়ি ৬২০ টাকা, শিং ৩২০ টাকা, ইলিশ সাইজ ভেদে ১২০০ থেকে ১৬৬০ টাকা, টেংরা কেজি ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
সম্পাদক ও প্রকাশক
মুহা: সালাহউদ্দিন মিয়া
সম্পাদকীয় কার্যালয়

২ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণি, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭। সম্পাদক কর্তৃক তুহিন প্রেস, ২১৯/২ ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

ফোন : ০১৯১৪৭৫৩৮৬৮

E-mail: [email protected]