• শিরোনাম



    UTTARA UNITED COLLEGE

    #UUC_2020

    Posted by Uttara United College on Friday, 29 May 2020

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    বাংলাদেশে তৈরি ‘উভচরবাড়ি’

    অনলাইন ডেস্ক | ১০ অক্টোবর ২০১৭ | ৪:৩১ অপরাহ্ণ

    বাংলাদেশে তৈরি ‘উভচরবাড়ি’

    পুকুরের পানিতে ভাসছে বাড়ি! জানালা–দরজাও আছে। অথচ দিব্যি ভাসছে পানিতে। যেন কল্পনার বাড়ি। অবাক হচ্ছেন? হবারই কথা। কিন্তু, রাজধানী ঢাকার কল্যাণপুরের হাউজিং ও বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) পুকুরে গেলে চোখে পড়বে বাড়িটি। দেখতে অন্যসব বাড়ির মতোই।


    এইচবিআরআই কর্তৃপক্ষ জানায়, বাড়িটি বিশেষভাবে তৈরি। এখানে বসবাস করতেও কোনো অসুবিধা নেই।


    এইচবিআরআইয়ের পরিচালক আবু সাদেক বলেন, নেদারল্যান্ডসের প্রকৌশলবিদদের অনুকরণে বাংলাদেশি গবেষকেরা প্রথমবারের মতো এই বাড়ি বানিয়েছেন। এর নাম ‘এম্ফিবিয়ানহাউস’ বা ‘উভচরবাড়ি’।

    আবু সাদেক জানান, কয়েক দশক ধরে চেষ্টা করে তাঁরা এই বাড়ি বানিয়েছেন। এই বাড়িতে বসবাস করতে কোনো ঝুঁকি নেই। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের জন্য এই বাড়ি খুবই উপযোগী। কারণ, প্রতিবছর এসব অঞ্চল পাহাড়ি ঢলে ভেসে যায়। বন্যার পানিতেও এই বাড়ি বসবাসের উপযোগী।

    পুকুরে গিয়ে দেখা গেল, বাড়িটি শোলার মতো ভাসছে। বাড়িতে একটি দরজা ও দুটি জানালা আছে।

    পরিচালক আবু সাদেক বলেন, বাড়িটির দেয়াল ও মেঝে বালু দিয়ে তৈরি ফেরোসিমেন্ট নামে বিশেষ একধরনের মিশ্রণ দিয়ে বানানো। সিমেন্ট বা ইটের বাড়ির চেয়েও এটি বেশি টেকসই। এই বাড়ি পরিবেশবান্ধবও।

    উভচরবাড়ি নির্মাণ প্রকল্পের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত গবেষক মোহাম্মাদ মেজবাহউদ্দিন। তিনি জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কমপক্ষে ২০ জন মানুষকে এই বাড়ি ভাসিয়ে রাখতে পারে। বাড়ির দেয়ালগুলো একটু বেশি পুরু। এগুলো তাপ প্রতিরোধক। শুধু বাড়িই নয়, এইচবিআরআই রমনা পার্কে ভাসমান রেস্তোরাঁও বানিয়েছে এই প্রকৌশলবিদ্যা ব্যবহার করে। শরীয়তপুরে এ ধরনের একটি স্কুলও রয়েছে তাদের। বন্যার সময় এটি জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হয়।

    খরচ কেমন পড়ে, তা জানতে চাইলে মেজবাহউদ্দিন বলেন, গবেষণার অংশ হিসেবে বানানো বলে এখন খরচ একটু বেশি। তবে ব্যবহার বাড়লে ও সবার সহযোগিতা পেলে পাকাবাড়ি বানাতে যে খরচ হয়, তার চেয়ে কম খরচে এ রকম একটি বাড়ি বানানো সম্ভব। বন্যায় এই বাড়ি মানুষকে বাঁচাবে। সম্পদ বাঁচাবে।

    আরও বড় পরিসরে করার উদ্যোগ কেন নিচ্ছেন না, তা জানতে চাইলে আবু সাদেক বলেন, এটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। খুব তাড়াতাড়ি তাঁরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এমওইউ করবেন। সরকারি পর্যায়েও যোগাযোগ হয়েছে। এগুলো শেষ হলে কাজ অনেক এগোবে।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    সমুদ্রসুন্দরী জেলিফিশ

    ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4344