• শিরোনাম



    UTTARA UNITED COLLEGE

    #UUC_2020

    Posted by Uttara United College on Friday, 29 May 2020

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    প্রবাসীকে ধরে নিয়ে লুট, ৪ পুলিশসহ গ্রেফতার ৭

    অনলাইন ডেস্ক | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ | ৮:৩৪ অপরাহ্ণ

    প্রবাসীকে ধরে নিয়ে লুট, ৪ পুলিশসহ গ্রেফতার ৭

    নরসিংদীতে রায়পুরা থানার দুই উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলসহ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।


    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন, উপপরিদর্শক আজহারুল ইসলাম, কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম ও সাইদুল ইসলাম, গাড়িচালক নূর মোহাম্মদ এবং অপর দুজন নুরুজ্জামান মোল্লা ও সাদেক মিয়া।


    এক প্রবাসীকে ডিবি পরিচয়ে ধরে নিয়ে গিয়ে তার কাছে থাকা স্বর্ণ, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুটের তথ্যপ্রমাণ পেয়ে বুধবার দিনভর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    এ সময় তাদের কাছ থেকে ওই প্রবাসীর কাছ থেকে লুট করা স্বর্ণের বার,নগদ টাকা এবং গ্রেফতারকৃতদের ব্যবহার করা একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

    এর আগে রায়পুরা থানার ওই উপপরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে ৭০ লাখ টাকা ডাকাতির অভিযোগ উঠে, যা তদন্তাধীন রয়েছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) সাইদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার হাইরমারা গ্রামের বাসিন্দা মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. সোহেল মিয়া গত ২৬ জানুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার এয়ারপোর্ট থেকে একটি ভাড়া করা গাড়িতে করে তার স্বজন আব্দুল্লাহসহ বাড়ি ফিরছিলেন। পথে নরসিংদী সদর উপজেলার ঢাকা সিলেট মহাসড়কের সাহেপ্রতাব এলাকার একটি সিএনজি পাম্পে গ্যাস নেয়ার জন্য চালক গাড়ি থামান। এ সময় অপর একটি প্রাইভেটকারযোগে আসা রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক সাখাওয়াত ও আজহার আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাদের আটক করে নিয়ে যান।

    পরে পুরানপাড়া ব্রিজ এলাকায় নিয়ে প্রবাসী সোহেলের কাছে থাকা দুটি স্বর্ণের বার, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের গ্রেফতার করা হবে এমন ভয় দেখিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়।

    এদিকে এ ঘটনার পর প্রবাসী সোহেলের এক আত্মীয় মো. শাহজাহান পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশের ওসি সাইদুর রহমান,উপপরিদর্শক আব্দুল গাফ্ফার ও রুপম সরকার তদন্তে নামেন। এবং তারা ওই সিএনজি পাম্পের সিসিটিভির ফুটেজে ডাকাতির সত্যতা পান।

    এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে গোয়েন্দা পুলিশ এসআই সাখাওয়াত হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসআই আজহারুল ইসলাম, কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম, সাইদুল ইসলামকে আটক করা হয়।

    গ্রেফতারের সময় এসআই সাখাওয়াতের কাছ থেকে ডাকাতির ১৮ হাজার টাকা,এসআই আজহারুল ইসলামের ট্রাঙ্ক থেকে স্বর্ণের বার ও সাদেক মিয়ার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

    মামলার বাদী শাহজাহান জানান, সোহেলকে বিমানবন্দর থেকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ এ ঘটনা ঘটায়। প্রবাসী সোহেলের কাছে অন্যান্য প্রবাসীরা মালামাল দিয়েছিল। পুলিশ ওইসব মালামাল ছিনিয়ে নেয়। কাউকে জানালে ডাকাতি মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখায়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি সাইদুর রহমান বলেন,সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আমরা নিশ্চিত হয়েছি ডাকাতির সঙ্গে রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন, উপপরিদর্শক আজহারুল ইসলাম, কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম জড়িত। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4344