• শিরোনাম



    UTTARA UNITED COLLEGE

    #UUC_2020

    Posted by Uttara United College on Friday, 29 May 2020

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...


    ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে করোনা

    | ১৮ মে ২০২০ | ৯:৩৯ অপরাহ্ণ

    ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে করোনা

    webnewsdesign.com

    ঈদ যতোই ঘনিয়ে আসছে ততোই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে রাজধানী ঢাকা। লকডাউন শিথিল করার কারণে রাস্তায় যেমন বেড়েছে যানবাহন ও মানুষের চাপ, তেমনি কিছু কিছু শপিংমল ও ফুটপাতের দোকান খোলা রাখায় জনসমাগম বেড়ে গিয়েছিল অপ্রত্যাশিতভাবে। কাজের সন্ধানেও মাঠে বেরিয়ে যায় নিম্ন আয়ের মানুষ।

    এছাড়া গলিল দোকানগুলো অনেকটা আগের মতোই দিনরাত খোলা রাখায় সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই গাদাগাদি করে কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলো সাধারণ মানুষ। সবমিলিয়ে ঢাকা আগের চিরচেনা রূপে ফিরে এসেছিল অনেকটাই। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস। মানুষের সাথে পাল্লা দিয়েই সেও নেমে পড়ে তার বীভৎস চেহারা দেখানোর প্রতিযোগিতায়।


    ফলে আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বাড়াছে, তেমনি দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও। এমন পরিস্থিতিতে সরকার লকডাউনে শিথিলতা উঠিয়ে কঠোর হতে বাধ্য হয়েছে। রাজধানীতে আসা-যাওয়াও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এরইমধ্যে।

    সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) তথ্যানুযায়ী, রাজধানীর করোনার পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। ঢাকার সর্বত্রই এখন ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতি এই করোনা ভাইরাস। সোমবার পর্যন্ত রাজধানীর ১৮৬টি স্থানে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে পাঁচটি এলাকায় দুই শতাধিক রোগীর সন্ধান মিলেছে।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাড়ে তিনশ’। নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬০২ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৮৭০ জনে। যার মধ্যে ৫৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ রোগীই রাজধানীর।

    তথ্যমতে, রাজধানীর পাঁচটি এলাকায় দুই শতাধিক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে কাকরাইলে সর্বোচ্চ ২৯৮ জন। পাশাপাশি যাত্রাবাড়ীতে ২৪২ জন, মহাখালীতে ২৩৫ জন, মোহাম্মদপুরে ২১৩ জন ও রাজারবাগে ২০৬ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

    আরো আটটি এলাকায় শতাধিক রোগী পাওয়া গেছে। যার মধ্যে মুগদায় ১৯৮ জন, তেজগাঁওয়ে ১৫০ জন, মগবাজারে ১২৫ জন, লালবাগে ১২২ জন, বাবুবাজারে ১১৭ জন, মালিবাগে ১১৪ জন, উত্তরায় ১১১ জন ও ধানমন্ডিতে ১০৬ জন করে রোগী রয়েছেন। অর্ধশতাধিক করে রোগী রয়েছে ১৮টি এলাকায়। যার মধ্যে আগারগাঁওয়ে ৭৮ জন, বাড্ডায় ৯৭ জন, বনানীতে ৫৮ জন, বংশালে ৮৪ জন, বাসাবোয় ৬৫ জন, চকবাজারে ৭০ জন, গেন্ডারিয়ায় ৭৭জন, গুলশানে ৬৮ জন, হাজারীবাগে ৬৫ জন, খিলগাঁওয়ে ৮৬ জন, মিরপুরে ৮৩ জন, মিরপুর-১ এ ৫৮ জন, রামপুরায় ৬০ জন, রমনায় ৫০জন, শাহবাগে ৭৩ জন, শ্যামলীতে ৭০ জন, স্বামীবাগে ৫০ জন ও ওয়ারিতে ৭১ জন।

    রাজধানীতে করোনার প্রাদুর্ভাবের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, করোনা ভাইরাস দেশের বাইরে থেকে আসা মানুষের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তাই ঢাকাতে এ ভাইরাসের প্রকোপ বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক। বিদেশ থেকে আসা অনেকেই রাজধানীতে বসবাস করেন। ঢাকার বাইরেও যেসব প্রবাসী থাকেন,তাদের অনেকেই বিমানবন্দরে নেমে প্রথমে কিছুদিন ঢাকায় ছিলেন। তাদের সংস্পর্শের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটেছে বলে আমাদের ধারণা।

    আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এস এম আলমগীর মনে করেন, ঘনবসতির কারণে রাজধানীতে করোনা রোগী বেশি। তিনি বলেন, ঢাকার মতো জনবহুল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় খুব সহজেই মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। সেইসঙ্গে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার সুবিধা দেশের অন্য অন্য জায়গার তুলনায় ঢাকায় বেশি, সেটিও একটি কারণ। এছাড়া ঢাকার হাসপাতালগুলোর মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়াতে পারে। এদিকে লকডাউন কঠোর করায় ঢাকার প্রবেশ মুখগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বাইরের কাউকে ঢাকায় প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না এবং ঢাকার কাউকে বাইরে বের হতেও দিচ্ছেন না। যেকারণে গতকাল ঢাকা জুড়ে নেমে পাড়া দীর্ঘ গাড়ির বহর আটকে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট। এর ফলে ১০ মিনিটের পথ পেরোতে লেগেছে এক ঘণ্টারও বেশি সময়। পুলিশ বলছে, নগরী থেকে বের হওয়ার পথে বাধা পাচ্ছে যানবাহনগুলো। আর তাতেই দেখা দিয়েছে এই যানজট।

    Facebook Comments

    কোন এলাকার খবর দেখতে চান...

    webnewsdesign.com

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আজকের অগ্রবাণী


  • Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/ajkerogr/public_html/wp-includes/functions.php on line 4344