নিজস্ব প্রতিবেদক | বৃহস্পতিবার, ০৯ মার্চ ২০২৩ | প্রিন্ট | ১৬৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
এবারো নাসায় যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ‘টিম অলিক’ সদস্যদের। ভিসা জটিলতায় ২০১৯ সালে নাসার প্রোগ্রামে অংশ নিতে না পারায় ফের ডাক পেয়েছে এ টিম। তবে এবার ভিসা পেলেও আর্থিক সংকটে পড়েছে টিমের সদস্যরা।
বুধবার (৮ মার্চ) বিকালে টিম অলিক’র সদস্য এস এম রাফি আদনান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
তিনি বলেন, গত ২ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো নাসায় যাওয়ার ডাক পেয়েছি আমরা। এ উপলক্ষে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ভিসাও হাতে পেয়েছি। তবে আর্থিক সমস্যায় প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করাটা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। ফান্ড রাইজিংয়ের বিষয়ে আমাদের স্পন্সর বাংলাদেশের একমাত্র জাতীয় পর্যায়ের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানদের সংগঠন বেসিসও অপারগতা প্রকাশ করেছে। এখন আমরা স্পন্সর খুঁজছি। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে টাকা সংগ্রহেরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ প্রোগ্রামে অংশ নিতে ১২ মার্চের মধ্যে ফ্লাইট বুকিং করতে হবে। ১৫ ও ১৬ মার্চ ওয়াশিংটনে নাসার সদর দফতরে এ প্রোগ্রাম হবে।
ফান্ড সংগ্রহের ব্যাপারে শাবি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে রাফি আদনান বলেন, এ বিষয়ের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জড়িত না থাকায় আমরা জানাইনি। আর নাসায় যাওয়ার ব্যাপারে প্রথম থেকেই বেসিস জড়িত। গত ৭ মার্চ বেসিস স্পন্সর করতে পারবে না বলে জানায়। এজন্য আমরা পাবলিকলি টিম অলিকের পেইজে স্পন্সরের জন্য আবেদন জানিয়েছি। এতে যে কেউ এগিয়ে আসতে পারেন।
টিম অলিকের সদস্যরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এস এম রাফি আদনান, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কাজী মইনুল ইসলাম ও আবু সাবিক মেহেদী ও একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হাসান।
বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফজলুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে তারা আমাদের কোনোভাবে অবহিত করেনি। অবহিত করলে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম।
জানা যায়, ২০১৮ সালের শেষের দিকে নাসা কর্তৃক আয়োজিত স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ-২০১৮ এ ‘টিম অলিক’ অংশগ্রহণ করে। যেখানে বিশ্বের ৭৯টি দেশের বাছাইকৃত ২ হাজার ৭২৯টি টিমকে পেছনে ফেলে শীর্ষ চারে স্থান করে নেয় ‘টিম অলিক’। সে সময় ভিসা না পাওয়ায় নাসার প্রোগ্রামে সরাসরি অংশ নিতে পারেনি এ টিম।