Advertise with us

কোহলিকে পেছনে ফেলে আরও একটি রেকর্ড বাবরের

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ১৭৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

এশিয়া কাপেই নেপালের সঙ্গে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সবচেয়ে কম ম্যাচে ১৯টি সেঞ্চুরির মালিক হয়েছিলেন বাবর আজম। সুপার ফোরের খেলায় বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজের ইনিংস খুব বড় করতে না পারলেও আরও একটি রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। পেছনে ফেলেছেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরাট কোহলিকে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ভালোই খেলছিলেন বাবর.২১ বলে ১৭ রান করে আরও একটি বড় ইনিংসের দিকে ছুটছিলেন। কিন্তু বাধ সাধেন তাসকিন। টাইগার পেসারের একটি নিচু হয়ে আসা বল ঠেকাতে গিয়ে ইনসাইড এজে বোল্ড হয়ে যান বাবর। তবে তার আগেই একটা রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন তিনি।

একদিনের ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে দ্রুততম ২ হাজার রানের মালিক হয়েছেন বাবর। পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে বাবর মাত্র ৩১ ওয়ানডেতেই পূর্ণ করেছেন ২ হাজার রান।

এতদিন এই রেকর্ডটি ছিল ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলির দখলে। টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক হিসেবে ৩৬ ওয়ানডেতে ২ হাজার রান করেছিলেন তিনি। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হিসেবে এবি ডি ভিলিয়ার্স ৪১ ও অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হিসেবে মাইকেল ক্লার্ক ৪৭ ইনিংসে ২ হাজার রান পূর্ণ করেছেন।

গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের দেওয়া ১৯৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাবর যখন ৬ রানে তখনই কোহলিকে টপকে যান তিনি। এর আগে নেপালের বিপক্ষে ১৫১ রানের ইনিংসে টপকে যান দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ওপেনার হাশিম আমলাকে।

সবচেয়ে কম ইনিংসে ওয়ানডে ক্রিকেটে ১৯টি সেঞ্চুরি হাঁকানোর রেকর্ডটি এতোদিন আমলার দখলেই ছিল। ১০৪ ওয়ানডে খেলেই এই রেকর্ড গড়েছিলেন এই প্রোটিয়া ব্যাটার। আমলাকে ছাড়িয়ে যেতে বাবরের খেলতে হয়েছে মাত্র ১০২ ওডিআই ইনিংস। কোহলির ১৯টি সেঞ্চুরি পেতে ১২৪ ইনিংস, ডেভিড ওয়ার্নারের ১৩৯ ও এবি ডি ভিলিয়ার্সের লেগেছিল ১৭১ ইনিংস।

এশিয়া কাপে আরও একটি রেকর্ডে ভাগ বসানোর সুযোগ বাবরের সামনে। আর মাত্র একটি সেঞ্চুরি হাঁকালেই তিনি বসবেন পাক কিংবদন্তি সাঈদ আনোয়ারের পাশে। ২০টি সেঞ্চুরি নিয়ে তিনিই পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক। আর মাত্র একটি সেঞ্চুরি পেলেই তার পাশে বসবেন বাবর।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন আজকের অগ্রবাণী-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মুহা: সালাহউদ্দিন মিয়া