নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | ২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বেক্সিমকো লিমিটেডের গ্রিন-সুকুক আল ইসতিসনা পঞ্চম বছরের প্রথমার্ধে (২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ২২ জুন, ২০২৬) ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ মুনাফা ঘোষণা করেছিল।
ঘোষিত এ মুনাফা বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে বন্ডটির ট্রাস্টি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে চতুর্থ বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় অর্ধবছর, তৃতীয় বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় অর্ধবছর, দ্বিতীয় বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় অর্ধবছর এবং প্রথম বছরের দুই অর্ধবছরে ঘোষিত মুনাফা বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে বন্ডটির ট্রাস্টি।
পাঁচ বছর মেয়াদি সুকুকটির রিটার্ন ছয় মাস অন্তর দেয়া হয়। এক্ষেত্রে রিটার্ন নিধারণ করা হয় ৯ শতাংশ ভিত্তিমূল্যের সঙ্গে মুনাফা মার্জিন যোগ করে। বেক্সিমকো লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ঘোষিত লভ্যাংশ ও ভিত্তিমূল্যের ব্যবধানের ১০ শতাংশ মার্জিন হিসাবে নির্ধারণ করা হয়। যদি লভ্যাংশের হার ভিত্তিমূল্যের সমান বা কম হয়, সেক্ষেত্রে ভিত্তিমূল্যের হিসাবে রিটার্ন প্রদান করা হয়। আর লভ্যাংশ ৯ শতাংশের বেশি হলে তার ১০ শতাংশ সুকুকের মুনাফার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭৭৯তম কমিশন সভায় বেক্সিমকো লিমিটেডের সুকুকটি অনুমোদন করা হয়। ২০২২ সালের এপ্রিলে বেক্সিমকো লিমিটেডের ৩ হাজার কোটি টাকার সুকুক ইস্যুর পরিকল্পনায় অনুমোদন দেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। সংস্থাটি জানায়, বেক্সিমকো গ্রিন-সুকুক আল ইসতিসনা শরিয়াহভিত্তিক বন্ডটির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ বেক্সিমকো লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি তিস্তা সোলার লিমিটেড ও করতোয়া সোলার লিমিটেডের নির্মাণকাজে ব্যয় করা হবে। এছাড়া বেক্সিমকোর বস্ত্র খাতের ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা এবং পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে এ অর্থ ব্যবহার করা হবে। বেক্সিমকো গ্রিন-সুকুক ট্রাস্ট নামে স্পেশাল পারপাস ভেহিকলের (এসপিভি) মাধ্যমে এ সুকুক ইস্যু করা হয়।